ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র • Rajshahi Board • রাজশাহী বোর্ড ২০১৬
ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র প্রশ্ন
মি. লিখন একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রধান। তিনি প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের জন্য কর্মীদের সবরকমের সহযোগিতা করেন। এমনকি তাদের অভাব-অভিযোগ মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং এর উপযুক্ত সমাধান করেন। ফলে কর্মীরাও তার কর্মকাণ্ডে বেশ খুশি এবং প্রতিষ্ঠানের জন্য সর্বোচ্চ ক্ষমতা দিয়ে কাজ করে। সর্বোপরি আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্ব, তীক্ষ্ণ বুদ্ধিমত্তা, সততা এবং দক্ষতার কারণে মি. লিখনের নেতৃত্বে তার প্রতিষ্ঠানের প্রভূত অগ্রগতি হয়েছে।
- ক)(1)
নেতৃত্ব কী?
- খ)(2)
'গণতান্ত্রিক নেতৃত্বই উত্তম' — কেন?
- গ)(3)
উদ্দীপকে মি. লিখনের কর্মকাণ্ডে কোন ধরনের নেতৃত্বের প্রকাশ ঘটেছে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকে বর্ণিত প্রতিষ্ঠানটিতে একজন নেতার ভূমিকার সপক্ষে তোমার মতামত দাও।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
প্রাতিষ্ঠানিক লক্ষ্য অর্জনের জন্য কর্মীদের প্রভাবিত ও পরিচালিত করার কৌশল বা প্রতিভাকে নেতৃত্ব বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
গণতান্ত্রিক নেতৃত্ব কর্মীদের মতামত ও অংশগ্রহণের সুযোগ দেয় এবং তাদের কাজের প্রতি দায়বদ্ধ ও অনুপ্রাণিত করে তোলে বলে একে সর্বোত্তম নেতৃত্ব বলা হয়।
এই ধরনের নেতৃত্বে নেতা যেকোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের পূর্বে অধস্তনদের সাথে আলোচনা ও পরামর্শ করেন। ফলে কর্মীরা নিজেদের প্রতিষ্ঠানের অংশ মনে করে স্বতঃস্ফূর্তভাবে কাজে আত্মনিয়োগ করে। এতে প্রতিষ্ঠানের ভেতরে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় থাকে, কর্মীদের মনোবল বৃদ্ধি পায় এবং কাজের গুণগত মান বাড়ে। তাই গণতান্ত্রিক নেতৃত্বই সর্বাধিক কার্যকর ও উত্তম।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে মি. লিখনের কর্মকাণ্ডে 'গণতান্ত্রিক বা অংশগ্রহণমূলক নেতৃত্ব' (Democratic Leadership)-এর প্রকাশ ঘটেছে।
যে নেতৃত্ব শৈলীতে নেতা কর্মীদের সাথে পারস্পরিক পরামর্শের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন, তাদের সমস্যা ও অভাব-অভিযোগ গুরুত্ব সহকারে শোনেন এবং বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতাপূর্ণ আচরণ বজায় রাখেন, তাকে গণতান্ত্রিক নেতৃত্ব বলে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানের প্রধান মি. লিখন কর্মীদের উন্নয়নের জন্য সকল প্রকার সহযোগিতা করেন, তাদের অভাব-অভিযোগ মনোযোগ দিয়ে শুনে উপযুক্ত সমাধান করেন। কর্মীদের প্রতি তার এই সহমর্মিতা ও সহযোগিতাপূর্ণ আচরণ নিশ্চিতভাবেই গণতান্ত্রিক নেতৃত্বের প্রতিফলন।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে বর্ণিত প্রতিষ্ঠানের সাফল্যে নেতা হিসেবে মি. লিখনের ভূমিকা অত্যন্ত কার্যকর ও প্রশংসনীয়; যা প্রতিষ্ঠানের প্রভূত অগ্রগতির মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করেছে।
একজন সফল ও যোগ্য নেতা হলেন প্রতিষ্ঠানের পথপ্রদর্শক। তিনি কেবল নির্দেশ জারি করেন না, বরং অনুসারীদের আস্থা অর্জন করে তাদের কাজের প্রতি অনুপ্রাণিত করেন। সততা, ব্যক্তিত্ব ও বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে কর্মীদের অভাব-অভিযোগ দূর করে কাজের উপযোগী পরিবেশ সৃষ্টি করাই নেতার অন্যতম প্রধান ভূমিকা।
উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানে দেখা যায়, মি. লিখনের ইতিবাচক ও মানবীয় আচরণের কারণে কর্মীরা অত্যন্ত সন্তুষ্ট এবং নিজেদের সর্বোচ্চ সামর্থ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠানের জন্য কাজ করছে। তার আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্ব, তীক্ষ্ণ বুদ্ধিমত্তা, সততা ও দক্ষতার ফলে প্রতিষ্ঠানটিতে কর্মীদের মধ্যে কাজের উদ্দীপনা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং শেষ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি প্রভূত অগ্রগতি অর্জন করেছে। একজন নেতার সঠিক পরিচালনা ও দৃষ্টিভঙ্গিই যে প্রতিষ্ঠানের সাফল্যের মূল শর্ত, উদ্দীপকে তার সুস্পষ্ট প্রমাণ মিলেছে।
অতএব, বলা যায় যে মি. লিখনের দূরদর্শী নেতৃত্ব ও কর্মীদের প্রতি ইতিবাচক ভূমিকাই প্রতিষ্ঠানটির অভাবনীয় অগ্রগতির মূল কারণ।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও