সমাজবিজ্ঞান ২য় পত্র • Combined Board • ঢাকা, বরিশাল, ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৩

সমাজবিজ্ঞান ২য় পত্র প্রশ্ন

  1. ক)

    সামাজিক সমস্যা কী?

    (1)
  2. খ)

    গ্রামীণ সমাজে ধর্মের প্রভাব ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপক-১-এ বর্ণিত সমাজের প্রকৃতি ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপক-২-এ বর্ণিত সমাজে পেশার বৈচিত্র্য লক্ষণীয়- বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    সামাজিক সমস্যা হলো সমাজে বিরাজমান এমন এক অনাকাঙ্ক্ষিত ও অস্বাভাবিক অবস্থা, যা অধিকাংশ মানুষের উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে এবং যার প্রতিকার ও সমাধানের জন্য যৌথ প্রচেষ্টার প্রয়োজন হয়।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    গ্রামীণ সমাজব্যবস্থায় মানুষের জীবনযাত্রা, বিশ্বাস এবং আচার-আচরণে ধর্মের প্রভাব অত্যন্ত গভীর ও সুদূরপ্রসারী। গ্রামীণ সমাজে ধর্ম শুধু বিশ্বাসেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি মানুষের দৈনন্দিন সামাজিক সম্পর্ক, আচার-অনুষ্ঠান এবং নৈতিকতা নিয়ন্ত্রণে প্রধান ভূমিকা পালন করে। সামাজিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠায় এবং কোনো বিরোধ মীমাংসায় ধর্মীয় মূল্যবোধ ও অনুশাসন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ফলে গ্রামীণ মানুষ ধর্মীয় অনুশাসনকে কঠোরভাবে মেনে চলে এবং সমাজ জীবনে ধর্মীয় নেতাদের প্রভাব পরিলক্ষিত হয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপক-১-এ বর্ণিত সমাজের প্রকৃতি হলো 'গ্রামীণ সমাজ' (Rural Society)।

    উদ্দীপক-১-এ উল্লিখিত উপাদানগুলো হলো—কৃষি উৎপাদন, কৃষিজ পেশা এবং সালিশ। গ্রামীণ সমাজের প্রধান অর্থনৈতিক ভিত্তি হলো কৃষি। গ্রামীণ জনপদে বসবাসকারী অধিকাংশ মানুষ জীবনধারণের জন্য প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কৃষিকাজকে কেন্দ্র করেই গড়ে ওঠে তাদের জীবনযাত্রা ও সামাজিক সম্পর্ক। এছাড়া, গ্রামীণ সমাজের অন্যতম প্রধান সামাজিক বৈশিষ্ট্য হলো বিবাদ মীমাংসার জন্য স্থানীয় সালিশ ব্যবস্থা বা গ্রাম্য মোড়লদের মধ্যস্থতা, যা উদ্দীপকে নির্দেশ করা হয়েছে।

    সুতরাং, প্রত্যক্ষ কৃষিনির্ভর অর্থনীতি এবং সালিশের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির মতো ঐতিহ্যগত বৈশিষ্ট্যের কারণে উদ্দীপক-১ মূলত গ্রামীণ সমাজকেই উপস্থাপন করে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপক-২-এ বর্ণিত সমাজটি হলো 'নগর সমাজ' (Urban Society), যেখানে পেশার বৈচিত্র্য অত্যন্ত সুস্পষ্ট।

    উদ্দীপক-২-এ শিল্পভিত্তিক উৎপাদন, অকৃষিজ পেশা এবং আনুষ্ঠানিক আদালত ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে, যা নগর সমাজের মৌলিক বৈশিষ্ট্য। নগর সমাজে শ্রমবিভাজন অত্যন্ত জটিল এবং বহুমুখী। কৃষিভিত্তিক সমাজের মতো এখানে সবাই এক বা অভিন্ন পেশার সাথে জড়িত থাকে না। শিল্পায়ন, নগরায়ন, আধুনিক প্রযুক্তি এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থার কারণে নগর সমাজে অসংখ্য ধরনের পেশার সৃষ্টি হয়।

    নগর সমাজে শিল্প-কারখানার শ্রমিক, প্রকৌশলী, শিক্ষক, চিকিৎসক, আইনজীবী, ব্যবসায়ী, ব্যাংক কর্মকর্তা, সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবী থেকে শুরু করে বিভিন্ন সেবামূলক পেশায় (যেমন- রিকশাচালক, ডেলিভারিম্যান, গৃহকর্মী ইত্যাদি) মানুষ নিয়োজিত থাকে। এছাড়া উচ্চশিক্ষা, বিশেষায়িত দক্ষতা এবং প্রশিক্ষণের সুযোগ থাকায় ব্যক্তি তার যোগ্যতা অনুযায়ী বিভিন্ন পেশা বেছে নিতে পারে। ফলে নগর সমাজে বিভিন্ন ধরনের অকৃষিজ পেশার সমাবেশ ঘটে এবং শ্রমবিভাজনের মাধ্যমে ব্যাপক পেশাগত বৈচিত্র্য সৃষ্টি হয়।

    অতএব, উদ্দীপক-২-এ বর্ণিত নগর সমাজে জীবনযাত্রার জটিলতা ও আধুনিকায়নের ফলস্বরূপ পেশার ব্যাপক বৈচিত্র্য পরিলক্ষিত হয়—উক্তিটি যথার্থ।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন