গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ১ম পত্র • Combined Board • কুমিল্লা, চট্টগ্রাম বোর্ড ২০১৯

গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ১ম পত্র প্রশ্ন

ঈদে মনা নিজের হাতে জামা নকশা করে পরার জন্য কাপড় কিনে আনে। কাপড়ের উপর প্রথমে সে নকশা এঁকে নেয়। এরপর পর্যায়ক্রমে দিয়াশলাইয়ের কাঠি কাপড়ের ভিতরে দিয়ে সুতা দিয়ে বেঁধে নেয়। বাঁধা কাপড়টি রঙের মিশ্রণে ডুবিয়ে তার কাজ শেষ করে।

  1. ক)

    ড্রাফটিং কী?

    (1)
  2. খ)

    মৌলিক রং এর ধারণা দাও।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে মনার নকশা পদ্ধতিটি ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    রঙের বৈচিত্র্যময় ব্যবহার পোশাককে আকর্ষণীয় করে তোলে—বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ব্যক্তির দেহের সঠিক মাপ অনুযায়ী কাগজে বা কাপড়ে পোশাকের যে খসড়া নকশা বা প্যাটার্ন আঁকা হয়, তাকে ড্রাফটিং বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    যেসব রং অন্য কোনো রঙের মিশ্রণ ছাড়া প্রাকৃতিকভাবে পাওয়া যায় এবং যা তৈরি করা যায় না, সেগুলোকে মৌলিক বা প্রাথমিক রং বলে। মৌলিক রং মূলত তিনটি— লাল, নীল ও হলুদ। এই তিনটি রঙের সমন্বয়ে অন্য সব গৌণ ও মাধ্যমিক রং তৈরি করা যায়, কিন্তু অন্য কোনো রং মিশিয়ে এই তিনটি রং প্রস্তুত করা সম্ভব নয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে মনার অনুসৃত নকশা পদ্ধতিটি হলো 'টাই-ডাই' (Tie-dye) বা বাঁধনি পদ্ধতি। টাই-ডাই হলো কাপড়ের নির্দিষ্ট কিছু অংশ সুতা বা কোনো বস্তু দিয়ে শক্ত করে বেঁধে রঙে ডুবিয়ে নকশা ফুটিয়ে তোলার একটি ঐতিহ্যবাহী ও জনপ্রিয় কৌশল। উদ্দীপকে মনা প্রথমে কাপড়ে নকশা এঁকে নেয় এবং তারপর দিয়াশলাইয়ের কাঠি ভেতরে দিয়ে সুতা শক্ত করে পেঁচিয়ে বেঁধে নেয়। এরপর কাপড়টি রঙের দ্রবণে ডুবিয়ে নেয়। বাঁধার কারণে কাপড়ের সেই নির্দিষ্ট অংশে রং প্রবেশ করতে পারে না। ফলে বাঁধন খোলার পর সেখানে অবিকৃত বা হালকা রঙের একটি আকর্ষণীয় ও বৈচিত্র্যময় বৃত্তাকার বা তারকাসদৃশ নকশা ফুটে ওঠে। এটিই টাই-ডাই পদ্ধতির মূল কৌশল।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    রঙের বৈচিত্র্যময় ব্যবহার পোশাককে সুন্দর, দৃষ্টিনন্দন ও আকর্ষণীয় করে তোলে—উক্তিটি যথার্থ। পোশাক তৈরিতে রঙের গুরুত্ব অপরিসীম। উপযুক্ত রঙের বিন্যাস পোশাকের নান্দনিক মূল্য বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। উদ্দীপকে মনা নিজস্ব দক্ষতায় টাই-ডাই পদ্ধতিতে কাপড়ে রঙের প্রয়োগ ঘটিয়েছে। এই পদ্ধতিতে রঙের মিশ্রণ এবং বাঁধনের কৌশলের মাধ্যমে বৈচিত্র্যময় রঙের স্তর তৈরি হয়। পোশাকে বিভিন্ন রঙের সঠিক ও আকর্ষণীয় সমন্বয় মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এবং পরিধানকারীর ব্যক্তিত্বকে চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তোলে। একই পোশাকে একাধিক মানানসই রঙের সংমিশ্রণ, শেডিং বা বৈপরীত্য তৈরি করে পোশাকটিকে সাধারণ থেকে অনন্য রূপ দেওয়া সম্ভব। এছাড়া ঋতু, উৎসব ও বয়সভেদে রঙের বৈচিত্র্যময় ব্যবহার পোশাকের গ্রহণযোগ্যতা ও আকর্ষণ বৃদ্ধি করে। তাই বলা যায়, রঙের বৈচিত্র্যময় ও নান্দনিক ব্যবহারই পোশাককে সত্যিকার অর্থে আকর্ষণীয় করে তোলে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন