রসায়ন ২য় পত্র • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০২১

রসায়ন ২য় পত্র প্রশ্ন

  1. ক)

    পরমশূন্য তাপমাত্রার সংজ্ঞা দাও।

    (1)
  2. খ)

    ডিকার্বক্সলেশন বিক্রিয়া ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    A উৎপাদনের বিক্রিয়া কৌশল ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    A এবং B এর কার্যকরী মূলকের শনাক্তকরণ বিক্রিয়া আলোচনা কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    স্থির চাপে যে তাপমাত্রায় কোনো গ্যাসের আয়তন তাত্ত্বিকভাবে শূন্য হয়ে যায়, তাকে পরমশূন্য তাপমাত্রা বলে। এর মান -২৭৩.১৫°C বা ০ K।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় জৈব এসিডের সোডিয়াম লবণকে সোডালাইম (NaOH + CaO) সহযোগে উত্তপ্ত করে কার্বক্সিল মূলক অপসারিত করে হাইড্রোকার্বন (যেমন অ্যালকেন) প্রস্তুত করা হয়, তাকে ডিকার্বক্সিলেশন বিক্রিয়া বলে।
    বিক্রিয়া: R-COONa + NaOH (CaO, তাপ) → R-H + Na2CO3
    এ বিক্রিয়ার মাধ্যমে প্রারম্ভিক জৈব এসিডের চেয়ে একটি কার্বন কম বিশিষ্ট অ্যালকেন উৎপন্ন হয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের বিক্রিয়াটিতে ৩° অ্যালকাইল হ্যালাইড (R3C-X) জলীয় KOH এর সাথে বিক্রিয়া করে ৩° অ্যালকোহল (A = R3C-OH) তৈরি করে। এই কেন্দ্রাকর্ষী প্রতিস্থাপন বিক্রিয়াটি মূলত SN1 (এক-আণবিক নিউক্লিওফিলিক প্রতিস্থাপন) কৌশল মেনে চলে। এই কৌশলটি দুটি ধাপে সম্পন্ন হয়:

    ১ম ধাপ (ধীর গতিসম্পন্ন ধাপ): ৩° অ্যালকাইল হ্যালাইডের C-X বন্ধন বিষম বিভাজনের মাধ্যমে ভেঙে একটি সুস্থিত ৩° কার্বোক্যাটায়ন ও হ্যালাইড আয়ন তৈরি করে।
    R3C-X → R3C+ + X-
    এই ধাপটি বিক্রিয়ার গতি নির্ধারক ধাপ। ৩টি অ্যালকাইল মূলকের +I প্রভাবের কারণে ৩° কার্বোক্যাটায়নের স্থায়িত্ব সর্বোচ্চ হয়।

    ২য় ধাপ (দ্রুত গতিসম্পন্ন ধাপ): উৎপন্ন সমতলীয় ৩° কার্বোক্যাটায়নের সাথে নিউক্লিওফাইল OH- দ্রুত যুক্ত হয়ে কাঙ্ক্ষিত ৩° অ্যালকোহল (A) উৎপন্ন করে।
    R3C+ + OH- → R3C-OH

    যেহেতু প্রথম ধাপে শুধুমাত্র অ্যালকাইল হ্যালাইডের ঘনমাত্রার ওপর বিক্রিয়ার হার নির্ভর করে, তাই এটি SN1 কৌশল।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে A যৌগটি হলো অ্যালকোহল (R3C-OH) এবং এর কার্যকরী মূলক হলো অ্যালকোহলিক মূলক (-OH)।
    A যৌগকে তীব্র জারক (যেমন গাঢ় HNO3 বা অম্লীয় K2Cr2O7) দ্বারা পূর্ণ জারণ করলে কার্বক্সিলিক এসিড (B = R-COOH) উৎপন্ন হয়, যার কার্যকরী মূলক কার্বক্সিল মূলক (-COOH)।

    A এর কার্যকরী মূলক (-OH) শনাক্তকরণ:
    ১. ধাতব সোডিয়াম পরীক্ষা: শুষ্ক A যৌগের মধ্যে ধাতব সোডিয়ামের (Na) একটি ক্ষুদ্র টুকরা যোগ করলে বুদ্বুদসহ হাইড্রোজেন গ্যাস নির্গত হয়, যা একটি জ্বলন্ত কাঠির সংস্পর্শে পপ শব্দসহ জ্বলে।
    2R-OH + 2Na → 2R-ONa + H2(g)↑
    ২. PCl5 পরীক্ষা: A এর সাথে PCl5 যোগ করলে তীব্র ঝাঁঝালো গন্ধযুক্ত HCl গ্যাস উৎপন্ন হয়, যা অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড সিক্ত কাঁচদণ্ড ধরলে NH4Cl-এর ঘন সাদা ধোঁয়া সৃষ্টি করে।

    B এর কার্যকরী মূলক (-COOH) শনাক্তকরণ:
    ১. সোডিয়াম বাইকার্বনেট (NaHCO3) পরীক্ষা: B যৌগের মধ্যে ৫% সোডিয়াম বাইকার্বনেট দ্রবণ যোগ করলে দ্রুত বুদ্বুদসহ বর্ণহীন ও গন্ধহীন কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2) গ্যাস নির্গত হয়। উৎপন্ন গ্যাসকে চুন-পানির মধ্য দিয়ে চালনা করলে চুন-পানি ঘোলা হয়ে যায়।
    R-COOH + NaHCO3 → R-COONa + H2O + CO2↑
    ২. নীল লিটমাস পরীক্ষা: B যৌগের জলীয় দ্রবণে নীল লিটমাস পেপার ডুবালে তা লাল বর্ণ ধারণ করে, যা কার্বক্সিল মূলকের অম্লধর্ম নিশ্চিত করে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন