‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০২১

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন

'B' রাষ্ট্রের কর্তৃপক্ষ স্বাধীনতা অর্জনের পরবর্তী এক বছরের মধ্যে একটি গণতন্ত্র প্রণয়ন করে। এতে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি, বেশ কিছু বৈশিষ্ট্য এবং জনগণের অধিকার সংরক্ষণ করা হয়েছে। রাষ্ট্রের প্রয়োজন ও সমাজ ব্যবস্থার আকাঙ্ক্ষার সাথে সঙ্গতি রেখে এই গঠনতন্ত্র কয়েকবার সংশোধন করা হয়েছে।

  1. ক)

    BSTI- এর পূর্ণরূপ কী?

    (1)
  2. খ)

    প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন বলতে কী বোঝায়?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে বর্ণিত গঠনতন্ত্রের সাথে তোমার পঠিত কোন বিষয়ের সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকের আলোকে তোমার পাঠ্য বইয়ের রাষ্ট্রপরিচালনার মূলনীতি সমূহ ব্যাখ্যা কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    BSTI-এর পূর্ণরূপ হলো Bangladesh Standards and Testing Institution (বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন)।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন বলতে এমন এক শাসনব্যবস্থাকে বোঝায় যেখানে কেন্দ্রীয় সরকারের হস্তক্ষেপ ছাড়া প্রদেশের আইন প্রণয়ন ও প্রশাসনিক বিষয়ে প্রাদেশিক সরকারসমূহ নিজস্ব কর্তৃত্ব ও স্বাধীনতা ভোগ করে। অর্থাৎ, সংবিধান দ্বারা কেন্দ্র ও প্রদেশের মধ্যে ক্ষমতা বণ্টন করা হয় এবং প্রদেশগুলো তাদের নির্ধারিত বিষয়ের ওপর পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন বা সার্বভৌম কর্তৃত্ব লাভ করে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে বর্ণিত গঠনতন্ত্রের সাথে আমার পঠিত বাংলাদেশের সংবিধানের সাদৃশ্য রয়েছে।

    উদ্দীপকের 'B' রাষ্ট্রটি স্বাধীনতা অর্জনের এক বছরের মধ্যে একটি গঠনতন্ত্র (সংবিধান) প্রণয়ন করে, যেখানে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি, বৈশিষ্ট্য ও মৌলিক অধিকার সন্নিবেশিত রয়েছে এবং প্রয়োজনের তাগিদে তা একাধিকবার সংশোধন করা হয়েছে। একইভাবে, বাংলাদেশ ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জনের পর ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর মাত্র এক বছরের মধ্যেই গণপরিষদে স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ থেকে তা কার্যকর হয়। এই সংবিধানে রাষ্ট্র পরিচালনার চারটি মূলনীতি, মৌলিক অধিকার এবং শাসনপদ্ধতির সুনির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য বর্ণিত হয়েছে, যা সময়ের প্রয়োজনে একাধিকবার সংশোধিত হয়েছে। তাই উদ্দীপকের গঠনতন্ত্রটি মূলত বাংলাদেশের সংবিধানের প্রতিচ্ছবি।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে বর্ণিত গঠনতন্ত্রের আলোকে পাঠ্যবইয়ে উল্লিখিত বাংলাদেশের সংবিধানের রাষ্ট্রপরিচালনার চারটি মূলনীতি নিম্নে ব্যাখ্যা করা হলো:

    ১. জাতীয়তাবাদ: ভাষাগত ও সংস্কৃতিগত ঐক্যের ভিত্তিতে বাঙালি জাতির যে সংহতি গড়ে উঠেছে, তা-ই সংবিধানের অন্যতম মূল ভিত্তি।

    ২. সমাজতন্ত্র: শোষণমুক্ত, বৈষম্যহীন এবং ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সংবিধান সমাজতন্ত্র ও সামাজিক ন্যায়বিচারকে মূলনীতি হিসেবে গ্রহণ করেছে, যা অর্থনৈতিক মুক্তি নিশ্চিত করার অঙ্গীকার বহন করে।

    ৩. গণতন্ত্র: সংবিধানে মৌলিক মানবাধিকার, সমতা এবং সর্বজনীন ভোটাধিকারের ভিত্তিতে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে।

    ৪. ধর্মনিরপেক্ষতা: ধর্ম পালনের স্বাধীনতা, রাষ্ট্রের চোখে সব ধর্মের সমমর্যাদা এবং ধর্মের অপব্যবহার বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ধর্মের ব্যবহার রোধ করার প্রত্যয়ে ধর্মনিরপেক্ষতাকে অন্যতম মূলনীতি করা হয়েছে।

    এই চারটি মূলনীতি বাংলাদেশের রাষ্ট্রকাঠামো ও শাসনব্যবস্থার আদর্শিক পথনির্দেশক হিসেবে কাজ করে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন