বাংলা ১ম পত্র • Jashore Board • যশোর বোর্ড ২০২৬

বাংলা ১ম পত্র প্রশ্ন

সোহাগ মিয়ার বড় আদুরে মেয়ে জারা। দিনমজুর করে সারাদিন অর্থ উপার্জন করলেও তার মেয়ে ও পরিবারকে বড্ড ভালোবাসে। বাড়ি ফেরার সময় রাস্তার পাশ থেকে খাবার ও খেলনা কিনে আনতে ভুল হয় না তার। হঠাৎ করে একদিন সেই মেয়েটির এক দুর্ঘটনার খবর সোহাগ মিয়ার কাছে আসে। সোহাগ মিয়ার সবকিছু এক মুহূর্তে শেষ হয়ে যায়。

  1. ক)

    হুমায়ুনের চিকিৎসার জন্য কাদের ডাকা হয়?

    (1)
  2. খ)

    ‘তিমির রাতের তোরঙ্গে উষার পূর্বাভাস’ লাইনটির ব্যাখ্যা করো。

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে জারা যে দিক থেকে ‘জীবন বিনিময়’ কবিতার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ তা ব্যাখ্যা করো。

    (3)
  4. ঘ)

    “উদ্দীপকের সোহাগ মিয়ার আত্মত্যাগ ‘জীবন বিনিময়’ কবিতার বাবরের অনুরূপ নয়”—মূল্যায়ন করো。

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    হুমায়ুনের চিকিৎসার জন্য বিজ্ঞ হেকিম ও চিকিৎসকদের ডাকা হয়।

  2. খ)

    পঙ্ক্তিটির অর্থ, ঘন অন্ধকার রাতের মধ্যেও ভোরের আলোর আশা লুকিয়ে থাকে।
    হুমায়ুনের কঠিন অসুস্থতায় চারদিকে নিরাশার অন্ধকার নেমে এসেছিল। কিন্তু বাবরের আত্মত্যাগের প্রার্থনার ফলে হুমায়ুনের আরোগ্যের সম্ভাবনা দেখা দেয়। সংকটের মধ্যেও নতুন আশার ইঙ্গিত এ চরণে প্রকাশ পেয়েছে।

  3. গ)

    উদ্দীপকের জারা ও 'জীবন বিনিময়' কবিতার হুমায়ুন, দুজনেই পিতার গভীর স্নেহের পাত্র। সোহাগ মিয়া দিনমজুরি করেও মেয়ের জন্য খাবার-খেলনা আনে। বাবরও সন্তান হুমায়ুনকে অত্যন্ত ভালোবাসতেন।
    জারার দুর্ঘটনার খবরে সোহাগ মিয়ার সব শেষ হয়ে যায়, আর হুমায়ুনের অসুস্থতায় বাবর ব্যাকুল হন।
    সুতরাং, সন্তানের প্রতি পিতার অকৃত্রিম স্নেহের দিক থেকে মিল আছে।

  4. ঘ)

    মন্তব্যটি যথার্থ।
    ১. সোহাগ মিয়া মেয়ের জন্য ভালোবাসা ও দুঃখ প্রকাশ করেছে, কিন্তু মেয়ের জন্য নিজের জীবন দেওয়ার কোনো ঘটনা উদ্দীপকে নেই।
    ২. 'জীবন বিনিময়' কবিতায় বাবর পুত্রের প্রাণ ফিরে পেতে আল্লাহর কাছে নিজের জীবনের বিনিময়ে হুমায়ুনের আরোগ্য প্রার্থনা করেন। এ আত্মত্যাগ সর্বোচ্চ ত্যাগ।
    ৩. সোহাগ মিয়ার ভালোবাসা সাধারণ পিতৃস্নেহের মধ্যে সীমাবদ্ধ, কিন্তু বাবরের ত্যাগ আত্মোৎসর্গের উদাহরণ।
    সুতরাং, সোহাগ মিয়ার আত্মত্যাগ বাবরের অনুরূপ নয়।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন