যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র • Rajshahi Board • রাজশাহী বোর্ড ২০২১
যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র প্রশ্ন
মি.জামিল ও মি.রাসেল একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে কাজ করেন। কোম্পানির পণ্য-সামগ্রী উৎপাদন ও মাননিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজনীয় গবেষণা ও তাত্ত্বিক বিষয় নিয়ে কাজ করেন মি. রাসেল । অন্যদিকে পণ্য উৎপাদনের প্রায়োগিক দিকটি দেখার দায়িত্ব হচ্ছে মি. জামিলের। কারণ রাসেলের কাছ থেকে প্রাপ্ত জ্ঞান ও কলাকৌশল কাজে লাগিয়ে মানসম্পন্ন পণ্য-সামগ্রী তৈরির কাজ পরিচালনা করেন মি. জামিল।
- ক)(1)
যুক্তিবিদ্যার জনক কে?
- খ)(2)
আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান বলতে কী বোঝ?
- গ)(3)
উদ্দীপকে মি. জামিলের কার্যক্রমে যুক্তিবিদ্যার কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
মি. রাসেল ও মি. জামিলের কাজের মধ্যে যুক্তিবিদ্যার স্বরূপের যে দিকগুলো ফুটে উঠেছে তা বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
যুক্তিবিদ্যার জনক হলেন গ্রিক দার্শনিক এরিস্টটল।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
যে বিজ্ঞান কোনো একটি নির্দিষ্ট আদর্শের ভিত্তিতে কোনো বিষয়ের মূল্যায়ন বা বিচার করে, তাকে আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান বলে। যেমন যুক্তিবিদ্যা হলো একটি আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান; কারণ এটি 'সত্য'-কে আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করে সঠিক চিন্তার নিয়মাবলি প্রণয়ন করে এবং সত্য অর্জনের পথ নির্দেশ করে।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে মি. জামিলের কার্যক্রমে যুক্তিবিদ্যার 'কলা' (Art) দিকটি ফুটে উঠেছে।
যুক্তিবিদ্যা কেবল নিয়মাবলি আবিষ্কার বা তাত্ত্বিক জ্ঞান অর্জনেই সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং সত্য অর্জনের জন্য সেসব নিয়ম বাস্তবে কীভাবে প্রয়োগ করতে হয় তা শিক্ষা দেয়। যখন অর্জিত জ্ঞানকে বাস্তব কর্মক্ষেত্রে বা অভ্যাসে রূপ দেওয়া হয়, তখন তা কলার রূপ পরিগ্রহ করে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, মি. রাসেল গবেষণালব্ধ তাত্ত্বিক জ্ঞান তৈরি করেন এবং মি. জামিল সেই জ্ঞান ও কলাকৌশল বাস্তবে প্রয়োগ করে মানসম্পন্ন পণ্যসামগ্রী উৎপাদন পরিচালনা করেন। যেহেতু কলা কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য সাধনে অর্জিত জ্ঞানের বাস্তব প্রয়োগ শেখায়, তাই তাত্ত্বিক জ্ঞানকে বাস্তব রূপ দেওয়ায় মি. জামিলের কাজে যুক্তিবিদ্যার কলা রূপটি স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। - ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে মি. রাসেল ও মি. জামিলের কাজের মধ্যে যুক্তিবিদ্যার বিজ্ঞান ও কলা—উভয় স্বরূপের দিক ফুটে উঠেছে।
বিজ্ঞান কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে সুশৃঙ্খল ও তাত্ত্বিক জ্ঞান অনুসন্ধান করে। অপরদিকে, কলা হলো সেই তাত্ত্বিক জ্ঞানের ব্যবহারিক প্রয়োগের কৌশল। যুক্তিবিদ্যার স্বরূপ বিশ্লেষণে দেখা যায়, যুক্তিবিদ্যা একই সাথে বিজ্ঞান ও কলা। বিজ্ঞান হিসেবে যুক্তিবিদ্যা সঠিক চিন্তার নিয়মাবলি আবিষ্কার ও প্রণয়ন করে এবং কলা হিসেবে তা ভ্রান্তিকে পরিহার করে বাস্তবে সত্যে উপনীত হওয়ার পথ প্রদর্শন করে।
উদ্দীপকে মি. রাসেল পণ্য উৎপাদন ও মাননিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজনীয় গবেষণা ও তাত্ত্বিক বিষয় নিয়ে কাজ করেন। তাঁর এই তাত্ত্বিক অনুসন্ধান ও নিয়ম গঠন যুক্তিবিদ্যার বিজ্ঞান দিকটিকে নির্দেশ করে। অন্যদিকে, মি. জামিল রাসেলের কাছ থেকে প্রাপ্ত জ্ঞান ও কলাকৌশলকে বাস্তবে কাজে লাগিয়ে মানসম্পন্ন পণ্য তৈরি করেন। এটি যুক্তিবিদ্যার বাস্তব প্রয়োগ বা কলা দিককে নির্দেশ করে।
অতএব, যুক্তিবিদ্যা যেমন একদিকে চিন্তার নিয়মাবলি আবিষ্কারকারী বিজ্ঞান, অন্যদিকে তা ব্যবহারের কলা—ঠিক তেমনি রাসেল ও জামিলের কাজের সমন্বিত রূপটি যুক্তিবিদ্যার পূর্ণাঙ্গ স্বরূপকে প্রকাশ করে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও