মনোবিজ্ঞান ১ম পত্র • Combined Board • ঢাকা, যশোর, সিলেট, দিনাজপুর বোর্ড ২০১৮
মনোবিজ্ঞান ১ম পত্র প্রশ্ন
সর্বোত্তম অনুমানভিত্তিক উত্তর — আনুষ্ঠানিক উত্তর নয়: মূল তথ্য বা উত্তরে অস্পষ্টতা/অসম্পূর্ণতা রয়েছে। প্রদত্ত উত্তরটি নিশ্চিত নয়; যাচাই করে ব্যবহার করো।
দৃশ্যকল্প-১ঃদৃশ্যকল্প-২ঃরিতা স্কুল থেকে বাসায় ফিরে জানতে পারল যে , তার মা জরুরি কাজে বাইরে গেছেন। সে জন্য তিনি রান্নাও করতে পারেননি। রিতার ক্ষুধা লেগেছে। সে মায়ের জন্য অপেক্ষা না করে নিজেেই রান্না করে খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ল।

- ক)(1)
প্রেষণা চক্রের প্রথম ধাপ কোনটি?
- খ)(2)
প্রেষিত আচরণ উদ্দেশ্যমূলক কেন?
- গ)(3)
দৃশ্যকল্প-১ ঐ কোন ধরনের প্রেষণার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে তা ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
দৃশ্যকল্প-২ এ রিতার ঘটনাটি কি সবার জীবনধারণের জন্য অপরিহার্য? উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।
স্পষ্ট অনুমান: দৃশ্যকল্প-১ এর ছবিটি এইচএসসি মনোবিজ্ঞান প্রথম পত্রের প্রেষণা অধ্যায়ে ব্যবহৃত মাদার তেরেসা ও শিশুর সেবামূলক কাজের আলোকচিত্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
প্রেষণা চক্রের প্রথম ধাপ হলো অভাববোধ বা প্রয়োজন (Need)।
- খ)
AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।
স্পষ্ট অনুমান: দৃশ্যকল্প-১ এর ছবিটি এইচএসসি মনোবিজ্ঞান প্রথম পত্রের প্রেষণা অধ্যায়ে ব্যবহৃত মাদার তেরেসা ও শিশুর সেবামূলক কাজের আলোকচিত্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
প্রেষিত আচরণ সবসময় একটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের উদ্দেশ্যে পরিচালিত হয় বলে এটি উদ্দেশ্যমূলক। জীবের অভ্যন্তরে যখন কোনো অভাববোধ বা চাহিদার সৃষ্টি হয়, তখন তা থেকে তাড়না জন্ম নেয় এবং সেই তাড়না জীবকে উদ্দেশ্যহীনভাবে না চালিয়ে নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুর দিকে ধাবিত করে। লক্ষ্য অর্জিত হলেই কেবল প্রেষণার নিবৃত্তি ঘটে এবং দৈহিক বা মানসিক ভারসাম্য ফিরে আসে। উদ্দেশ্যবিহীন কোনো আচরণ প্রেষিত আচরণ হতে পারে না।
- গ)
AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।
স্পষ্ট অনুমান: দৃশ্যকল্প-১ এর ছবিটি এইচএসসি মনোবিজ্ঞান প্রথম পত্রের প্রেষণা অধ্যায়ে ব্যবহৃত মাদার তেরেসা ও শিশুর সেবামূলক কাজের আলোকচিত্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
দৃশ্যকল্প-১-এ 'সামাজিক প্রেষণা' (Social Motive)—বিশেষ করে পরোপকারিতা, স্নেহ ও মানবসেবামূলক প্রেষণার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।
যেসব প্রেষণা সমাজ-পরিবেশে মিথস্ক্রিয়ার মাধ্যমে অর্জিত হয় এবং ব্যক্তির সামাজিক অস্তিত্ব, পারস্পরিক সম্পর্ক ও অন্যের কল্যাণের সাথে সম্পর্কিত, সেগুলোকে সামাজিক প্রেষণা বলে।
উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-১-এর চিত্রে মাদার তেরেসা এক অনাথ শিশুকে পরম মমতায় কোলে আগলে রেখেছেন। এটি নিঃস্বার্থ মানবসেবা, স্নেহ-ভালোবাসা ও পরোপকারের একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এ ধরনের আচরণ কোনো জৈবিক তাগিদ বা শারীরিক অভাব পূরণের জন্য ঘটে না; বরং এটি সমাজকল্যাণ ও মানবিক অনুভূতি দ্বারা পরিচালিত সামাজিক প্রেষণার বহিঃপ্রকাশ।
- ঘ)
AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।
স্পষ্ট অনুমান: দৃশ্যকল্প-১ এর ছবিটি এইচএসসি মনোবিজ্ঞান প্রথম পত্রের প্রেষণা অধ্যায়ে ব্যবহৃত মাদার তেরেসা ও শিশুর সেবামূলক কাজের আলোকচিত্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
হ্যাঁ, দৃশ্যকল্প-২-এ রিতার ক্ষেত্রে সংঘটিত ঘটনাটি (ক্ষুধা ও নিদ্রা নিবারণ) প্রতিটি প্রাণীর জীবনধারণের জন্য অপরিহার্য। এটি মূলত জৈবিক বা শারীরবৃত্তীয় প্রেষণা (Biological/Physiological Motive)।
উদ্দীপকে দেখা যায়, রিতা বাড়ি ফিরে ক্ষুধার তাড়নায় নিজে রান্না করে আহার করে এবং পরবর্তীতে ঘুমিয়ে পড়ে। মনোবিজ্ঞানে ক্ষুধা, তৃষ্ণা, নিদ্রা ইত্যাদি হলো প্রাথমিক বা শারীরবৃত্তীয় প্রেষণা। এগুলো জন্মগত এবং শরীরের অভ্যন্তরীণ ভারসাম্য বা সাম্যাবস্থা (Homeostasis) রক্ষার জন্য একান্ত আবশ্যক।
খাদ্য গ্রহণ না করলে শরীর প্রয়োজনীয় পুষ্টি ও শক্তি পায় না, ফলে দীর্ঘ সময় খাদ্যহীন থাকলে শরীরের জৈবরাসায়নিক প্রক্রিয়া ভেঙে পড়ে এবং মৃত্যু অনিবার্য হয়ে ওঠে। একইভাবে পর্যাপ্ত নিদ্রা না হলে স্নায়বিক ও শারীরিক ক্লান্তি দূর হয় না, যা মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা ও দৈহিক সুস্থতাকে বিপন্ন করে তোলে।
অতএব, রিতার ক্ষুধা ও নিদ্রার নিবৃত্তি কোনো বিলাসিতা বা ঐচ্ছিক বিষয় নয়; বরং সমগ্র মানবজাতিসহ যেকোনো প্রাণীর অস্তিত্ব রক্ষা ও জীবনধারণের জন্য এটি সম্পূর্ণ অপরিহার্য।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও