যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০২২
যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র প্রশ্ন
ঘটক রাজু ভাই প্রথমে প্রভার বাবা-মায়ের সাথে এবং পরে প্রীতমের বাবা- মায়ের সাথে কথা বলে প্রভা ও প্রীতমের বিয়ের ব্যবস্থা করলেন।
- ক)(1)
সিদ্ধান্তের বিধেয়কে কী বলে?
- খ)(2)
সহানুমানের প্রতিটি পদ দু'বার ব্যবহৃত হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
উদ্দীপকে প্রভার বাবা-মা ও প্রীতমের বাবা-মা দ্বারা সহানুমানের কোন কোন পদকে নির্দেশ করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকে ঘটক রাজু ভাইয়ের ভূমিকা সহানুমানের গঠনের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
সিদ্ধান্তের বিধেয়কে সাধ্য পদ (Major Term) বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
সহানুমান হলো এমন একটি মাধ্যম অবরোহ অনুমান, যেখানে দুটি যুক্তিবাক্য থেকে অনিবার্যভাবে একটি সিদ্ধান্ত নিঃসৃত হয়। সহানুমানের নিয়ম অনুসারে একটি আদর্শ সহানুভূতিতে কেবল তিনটি পদ থাকে: সাধ্য পদ, পক্ষ পদ এবং মধ্য পদ। এদের মধ্যে সাধ্য পদ ও পক্ষ পদ আশ্রয়বাক্যে একবার এবং সিদ্ধান্তে একবার মোট দু'বার ব্যবহৃত হয়। মধ্য পদটি উভয় আশ্রয়বাক্যে একবার করে মোট দু'বার ব্যবহৃত হয়ে সিদ্ধান্তে অনুপস্থিত থাকে। পদগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করে নির্ভুল সিদ্ধান্ত টানার জন্য প্রতিটি পদকে ঠিক দু'বার এবং একই অর্থে ব্যবহৃত হতে হয়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে প্রভার বাবা-মা ও প্রীতমের বাবা-মা দ্বারা সহানুমানের সাধ্য পদ এবং পক্ষ পদকে নির্দেশ করা হয়েছে।
সহানুমানের গঠন লক্ষ্য করলে দেখা যায়, সিদ্ধান্তের উদ্দেশ্য পদকে পক্ষ পদ এবং সিদ্ধান্তের বিধেয় পদকে সাধ্য পদ বলা হয়। প্রধান আশ্রয়বাক্যে সাধ্য পদের সাথে মধ্য পদের এবং অপ্রধান আশ্রয়বাক্যে পক্ষ পদের সাথে মধ্য পদের সম্পর্ক স্থাপিত হয়। উদ্দীপকে প্রভা ও প্রীতমের বিয়ের সম্বন্ধটি সিদ্ধান্তের সাথে তুলনীয়। ফলে প্রভা ও প্রীতমের বাবা-মা হলেন দুটি ভিন্ন আশ্রয়বাক্যের দুটি প্রান্তীয় পদ বা উপাদান, যার একটি সাধ্য পদ এবং অপরটি পক্ষ পদকে নির্দেশ করে। মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে এই দুই পক্ষের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে, যা সহানুমানের পক্ষ ও সাধ্য পদের ভূমিকার অনুরূপ।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে ঘটক রাজু ভাইয়ের ভূমিকা সহানুমানের গঠনের আলোকে 'মধ্য পদ' বা হেতু পদকে (Middle Term) নির্দেশ করে।
সহানুমানের মধ্য পদ হলো এমন একটি পদ যা উভয় আশ্রয়বাক্যে উপস্থিত থাকে কিন্তু সিদ্ধান্তে উপস্থিত থাকে না। এর মূল কাজ হলো সাধ্য পদ এবং পক্ষ পদের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে সিদ্ধান্ত টানতে সহায়তা করা। মধ্য পদের সংযোগ ব্যতীত সাধ্য ও পক্ষ পদের মধ্যে কোনো যৌক্তিক সম্পর্ক বা সিদ্ধান্ত স্থাপন সম্ভব নয়।
উদ্দীপকে ঘটক রাজু ভাই প্রথমে প্রভার বাবা-মায়ের সাথে এবং পরে প্রীতমের বাবা-মায়ের সাথে কথা বলে উভয়ের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করেন এবং পরিশেষে প্রভা ও প্রীতমের বিয়ে সম্পন্ন করান। এখানে রাজু ভাই নিজে বিয়ের মূল পক্ষ না হয়েও দুই পরিবারের মধ্যে মেলবন্ধন ঘটিয়েছেন। ঠিক তেমনি সহানুমানের মধ্য পদ আশ্রয়বাক্য দুটির মধ্যে সেতুবন্ধন রচনা করে নিজে সিদ্ধান্তে অনুপস্থিত থেকে সাধ্য ও পক্ষ পদের সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করে। সুতরাং, যৌক্তিক দৃষ্টিকোণ থেকে ঘটক রাজু ভাইয়ের ভূমিকা সহানুমানের মধ্য পদের সাথে সম্পূর্ণ সাদৃশ্যপূর্ণ।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও