পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০২১
পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন
আজকাল অসাধু বিক্রেতারা মাছ, সবজি, ফল, মিষ্টি এবং দুধসহ অনেক খাদ্যদ্রব্যে বিষাক্ত কেমিক্যাল মিশিয়ে ক্রেতাদের সাথে প্রতারণা করছে। ভ্রাম্যমান আদালত এদের মাঝে মাঝে জরিমানা করেন কিন্তু প্রতিদিন তারা নতুন নতুন কৌশল অবলম্বন করছে।
- ক)(1)
মন্ত্রিমিশন পরিকল্পনার সদস্য সংখ্যা কত?
- খ)(2)
দূষ্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলতে কী বোঝায়?
- গ)(3)
উদ্দীপকে উল্লিখিত খাদ্যদ্রব্যে কী কী ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ মেশানো হয়? ব্যাখ্যা কর।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকে বর্ণিত নাগরিক সমস্যা সমাধানের উপায় সমূহ বর্ণনা কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
মন্ত্রিমিশন পরিকল্পনার সদস্য সংখ্যা ছিল ৩ জন।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
যে সংবিধানের ধারা বা বিধান সহজে পরিবর্তন বা সংশোধন করা যায় না, বরং তা সংশোধনের জন্য বিশেষ বা জটিল পদ্ধতি (যেমন—আইনসভার নির্দিষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা কিংবা গণভোট) অনুসরণ করতে হয়, তাকে দুষ্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলে। উদাহরণস্বরূপ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান একটি দুষ্পরিবর্তনীয় সংবিধান।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে উল্লিখিত খাদ্যদ্রব্যে ফরমালিন, কার্বাইড, হাইড্রোজ, টেক্সটাইল রঙসহ বিভিন্ন বিষাক্ত কেমিক্যাল বা রাসায়নিক পদার্থ মেশানো হয়।
অসাধু ব্যবসায়ীরা মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন ধরনের খাদ্যদ্রব্যে ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ মিশিয়ে থাকে। মাছ, মাংস ও দুধে পচন রোধ করতে এবং তা দীর্ঘ সময় সতেজ দেখাতে বিষাক্ত ফরমালিন মেশানো হয়। কলা, আমসহ বিভিন্ন ফল কৃত্রিমভাবে দ্রুত পাকাতে ক্যালসিয়াম কার্বাইড ও ইথিফেন প্রয়োগ করা হয়। মিষ্টি ও অন্যান্য মিষ্টান্ন সামগ্রীতে উজ্জ্বল রঙের জন্য মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর টেক্সটাইল ডাই বা কৃত্রিম রাসায়নিক রঙ এবং খাদ্যকে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে আকর্ষণীয় করতে হাইড্রোজ ও ইউরিয়া ব্যবহার করা হয়। এসব রাসায়নিক উপাদান মানবদেহের লিভার, কিডনি নষ্ট করাসহ ক্যানসারের মতো মারাত্মক রোগের সৃষ্টি করে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে বর্ণিত নাগরিক সমস্যাটি হলো খাদ্যে ভেজাল ও রাসায়নিকের বিষাক্ততা। এটি সমাধানের উপায়সমূহ নিচে বর্ণনা করা হলো:
১. আইনের কঠোর প্রয়োগ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি: ভেজাল বিরোধী আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ করতে হবে এবং ভেজালকারী বা রাসায়নিক প্রয়োগকারীদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ আর্থিক জরিমানার মতো দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে।
২. নিয়মিত নজরদারি ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা: ভ্রাম্যমাণ আদালতের (মোবাইল কোর্ট) কার্যক্রম কেবল সাময়িক না করে বছরব্যাপী নিয়মিত ও আকস্মিক অভিযান পরিচালনা করতে হবে।
৩. নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সক্ষমতা বৃদ্ধি: খাদ্যের মান যাচাই ও পরীক্ষার জন্য বিএসটিআই এবং নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের ল্যাবরেটরি ও পরীক্ষণ যন্ত্রপাতির সুবিধা জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সম্প্রসারিত করতে হবে।
৪. ক্ষতিকর রাসায়নিকের বিক্রি নিয়ন্ত্রণ: ফরমালিন, কার্বাইডসহ অন্যান্য ক্ষতিকর রাসায়নিকের অবাধ আমদানি, মজুত ও বিপণনে কঠোর লাইসেন্সিং ও তদারকি ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
৫. সামাজিক প্রতিরোধ ও ভোক্তা সচেতনতা: ভোক্তাদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন প্রচারণা চালাতে হবে এবং কোনো ভেজাল দেখলে তা কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার জন্য হটলাইন চালু করতে হবে।সম্মিলিত উদ্যোগ এবং অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমেই খাদ্যে ভেজাল সমস্যা নির্মূল করা সম্ভব।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও