যুক্তিবিদ্যা ২য় পত্র • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০২৪
যুক্তিবিদ্যা ২য় পত্র প্রশ্ন
দৃষ্টান্ত-১: চাঁদের দৃশ্য প্রসঙ্গে মূর্খ বয়স্ক লোকদের ধারণা, "এক বুড়ি চরকায় সুতা তৈরি করছে।"দৃষ্টান্ত-২: চাঁদের দৃশ্য প্রসঙ্গে আধুনিক লোকদের ধারণা, "সেগুলো পাহাড়, খানা- খন্দের দৃশ্য।"
- ক)(1)
ব্যাখ্যা কী?
- খ)(2)
লৌকিক ব্যাখ্যা ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হয় কেন?
- গ)(3)
দৃষ্টান্ত-১ এ মূর্খ বয়স্ক লোকদের ভাবনার সাথে তোমার পঠিত কোন ধরনের ব্যাখ্যার মিল আছে এবং কেন?
- ঘ)(4)
দৃষ্টান্ত-১ এবং দৃষ্টান্ত-২ এর পার্থক্য পাঠ্যপুস্তকের আলোকে ব্যাখ্যা ও মূল্যায়ন কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
কোনো দুর্বোধ্য, জটিল ও অস্পষ্ট বিষয়কে সহজ, প্রাঞ্জল ও বোধগম্য করে প্রকাশ করাকে ব্যাখ্যা বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
লৌকিক ব্যাখ্যা কোনো নিয়ম বা বৈজ্ঞানিক ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত নয়; বরং তা ব্যক্তির ব্যক্তিগত সংস্কার, অন্ধবিশ্বাস, মনগড়া কল্পনা ও অলৌকিক বিশ্বাসের ওপর নির্ভর করে। একেক ব্যক্তির বিশ্বাস ও চিন্তাচেতনা একেক রকম হওয়ায় লৌকিক ব্যাখ্যা ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হয়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
দৃষ্টান্ত-১ এ মূর্খ বয়স্ক লোকদের ভাবনার সাথে যুক্তিবিদ্যার 'লৌকিক ব্যাখ্যা'র মিল রয়েছে।
লৌকিক ব্যাখ্যা হলো সাধারণ মানুষের মনগড়া কল্পনা, অন্ধবিশ্বাস বা অতিপ্রাকৃতিক শক্তির সাহায্যে কোনো বিষয়কে ব্যাখ্যার অপচেষ্টা, যার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি বা প্রমাণ থাকে না।
দৃষ্টান্তে বয়স্ক ব্যক্তিরা চাঁদের কলঙ্ক বা দাগকে 'এক বুড়ির চরকায় সুতা কাটা' বলে মনে করে। এটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক, লোকবিশ্বাসনির্ভর এবং অবাস্তব। যেহেতু এতে ঘটনার বাস্তব বা বৈজ্ঞানিক কারণ উদঘাটনের চেষ্টা না করে কাল্পনিক ধারণা প্রয়োগ করা হয়েছে, তাই এটি সুস্পষ্টভাবে লৌকিক ব্যাখ্যার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। - ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
দৃষ্টান্ত-১ এবং দৃষ্টান্ত-২ যথাক্রমে যুক্তিবিদ্যার 'লৌকিক ব্যাখ্যা' এবং 'বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা'র প্রতিনিধিত্ব করে। পাঠ্যপুস্তকের আলোকে এদের পার্থক্য ও মূল্যায়ন নিচে দেওয়া হলো:
১. প্রকৃতিগত পার্থক্য: দৃষ্টান্ত-১ এ চাঁদের দাগকে অবাস্তব বুড়ির চরকা কাটার সাথে তুলনা করা হয়েছে, যা লৌকিক ব্যাখ্যার রূপ। পক্ষান্তরে, দৃষ্টান্ত-২ এ চাঁদের দৃশ্যকে পাহাড় ও খানাখন্দ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা আধুনিক বিজ্ঞান ও পর্যবেক্ষণের ওপর প্রতিষ্ঠিত বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা।
২. কার্যকারণ সম্পর্ক: লৌকিক ব্যাখ্যায় কোনো কার্যকারণ নিয়ম অনুসরণ করা হয় না, কেবল বাহ্যিক রূপ ও কল্পনার আশ্রয় নেওয়া হয়। কিন্তু বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যায় প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা ও কার্যকারণ নিয়ম অনুসরণ করে বাস্তব প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়।
৩. নির্ভরযোগ্যতা: দৃষ্টান্ত-১ এর ধারণাটি অন্ধবিশ্বাস ও বিভ্রান্তিকর। অন্যদিকে, দৃষ্টান্ত-২ এর ধারণাটি সার্বজনীন, বস্তুনিষ্ঠ ও পরীক্ষিত সত্য।
মূল্যায়ন: যুক্তিবিদ্যায় বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার গুরুত্ব অপরিসীম। দৃষ্টান্ত-১ মানুষের অজ্ঞতাকে তুলে ধরে, যা কুসংস্কার বাড়ায়; আর দৃষ্টান্ত-২ পর্যবেক্ষণভিত্তিক যুক্তির প্রকাশ ঘটায়, যা প্রকৃত সত্য উদঘাটনে সাহায্য করে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও