অর্থনীতি ১ম পত্র • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০১৯
অর্থনীতি ১ম পত্র প্রশ্ন
বিহিত মুদ্রার পরিমাণ (M) | ১০০
বিহিত মুদ্রার প্রচলন গতি (V) | ৪
ঋণপত্রের পরিমাণ (M′) \left.\mathrm{M}^{\prime}\right) | ৫০
ঋণপত্রের প্রচলন গতি (V') | ২
লেনদেনের পরিমাণ(T) (\mathrm{T}) | ১০০
- ক)(1)
অনলাইন ব্যাংকিং কী?
- খ)(2)
রিজার্ভের হার পরিবর্তনের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কীভাবে ঋণ নিয়ন্ত্রণ করে? বুঝিয়ে লেখ।
- গ)(3)
উদ্দীপক হতে ফিশারের বিনিময় সমীকরণের সাহায্যে অর্থের মূল্য (Vm)V_{m}) নির্ণয় করো ।
- ঘ)(4)
M ও M'-এর মান দ্বিগুণ করলে ফিশারের অর্থের পরিমাণ তত্ত্বটি তুমি কীভাবে প্রমাণ করতে পার?
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
ইন্টারনেটের মাধ্যমে ঘরে বসে ব্যাংকের গ্রাহকদের বিভিন্ন ব্যাংকিং সেবা (যেমন- অর্থ স্থানান্তর, বিল পরিশোধ, ব্যালেন্স অনুসন্ধান ইত্যাদি) গ্রহণ করার পদ্ধতিকে অনলাইন ব্যাংকিং বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে তালিকাভুক্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে তাদের মোট আমানতের একটি নির্দিষ্ট অংশ বাধ্যতামূলকভাবে জমা রাখতে হয়, একে আইনগত বা বিধিবদ্ধ রিজার্ভের হার বলে। বাজারে ঋণের পরিমাণ অতিরিক্ত বেড়ে মুদ্রাস্ফীতি দেখা দিলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভের অনুপাত বৃদ্ধি করে, ফলে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ঋণদান ক্ষমতা হ্রাস পায় এবং ঋণের পরিমাণ কমে। বিপরীতভাবে, অর্থনীতিতে মন্দাভাব বা ঋণের সংকোচন দেখা দিলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভের হার হ্রাস করে বাণিজ্যিক ব্যাংকের ঋণদান ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এভাবে রিজার্ভের হার পরিবর্তনের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাজারে ঋণের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে প্রদত্ত মানসমূহ:
বিহিত মুদ্রার পরিমাণ () = ১০০
বিহিত মুদ্রার প্রচলন গতি () = ৪
ঋণপত্রের পরিমাণ () = ৫০
ঋণপত্রের প্রচলন গতি () = ২
লেনদেনের পরিমাণ () = ১০০ফিশারের সম্প্রসারিত বিনিময় সমীকরণ হলো:
এখানে, দামস্তর () নির্ণয়ের সূত্র:
মান বসিয়ে পাই,
অর্থের মূল্য () হলো দামস্তরের বিপরীতানুপাতিক:
অতএব, ফিশারের সমীকরণ অনুসারে অর্থের মূল্য () হলো ০.২ বা ।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
ফিশারের অর্থের পরিমাণ তত্ত্ব অনুসারে, অন্যান্য অবস্থা অপরিবর্তিত থাকলে অর্থের যোগান যে হারে পরিবর্তিত হয়, দামস্তরও সমহারে বৃদ্ধি পায় এবং অর্থের মূল্য সমহারে হ্রাস পায়।
উদ্দীপক অনুসারে, প্রাথমিক অবস্থায়:
দামস্তর এবং অর্থের মূল্যএখন, বিহিত মুদ্রার পরিমাণ () এবং ঋণপত্রের পরিমাণ () দ্বিগুণ করা হলে:
নতুন
নতুন
অন্যান্য উপাদান অপরিবর্তিত থাকে, অর্থাৎ , এবং ।নতুন দামস্তর ():
দেখা যাচ্ছে, অর্থের যোগান দ্বিগুণ করার ফলে দামস্তর ৫ থেকে দ্বিগুণ হয়ে ১০ হয়েছে।
এখন নতুন অর্থের মূল্য ():
এখানে দেখা যায়, প্রাথমিক অর্থের মূল্য থেকে হ্রাস পেয়ে অর্ধেকের সমান অর্থাৎ হয়েছে।
সুতরাং, অর্থের পরিমাণ দ্বিগুণ করায় দামস্তর দ্বিগুণ হয়েছে এবং অর্থের মূল্য অর্ধেক হয়ে গেছে, যা ফিশারের অর্থের পরিমাণ তত্ত্বের বক্তব্যকে পুরোপুরি সমর্থন ও প্রমাণ করে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও