‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Sylhet Board • সিলেট বোর্ড ২০১৭

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন

মিরার বাবা একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান। তিনি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত হন। তার এ প্রতিষ্ঠান প্রজাতন্ত্রের ১ম ও ২য় শ্রেণির কর্মে নিয়োগের জন্য প্রার্থী বাছাই করে। এছাড়া এ প্রতিষ্ঠান প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তাদের পদোন্নতি, বদলি ও প্রেষণে নিয়োগ সংক্রান্ত কাজও করে থাকে। প্রতিষ্ঠানের সদস্যবৃন্দ সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের ন্যায় সমমর্যাদার অধিকারী।

  1. ক)

    ইভটিজিং কাকে বলে?

    (1)
  2. খ)

    গণমাধ্যমের স্বাধীনতা কীভাবে দুর্নীতি রোধ করে?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে উল্লেখিত সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন প্রতিষ্ঠানের মিল আছে?- ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    দক্ষ ও সৎ প্রশাসন গড়ে তোলার জন্য উক্ত প্রতিষ্ঠানের গুরুত্ব অপরিসীম- বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    পথচলতি নারী বা বালিকাদের লক্ষ্য করে অশালীন মন্তব্য করা, কটূক্তি করা, ইঙ্গিত দেওয়া বা অশোভন অঙ্গভঙ্গি করার মাধ্যমে উত্ত্যক্ত করাকে ইভটিজিং বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ক্ষমতার অপব্যবহার ও অনিয়ম প্রকাশ করে দুর্নীতি রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। স্বাধীন গণমাধ্যম তথ্য অনুসন্ধান ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার মাধ্যমে সমাজের প্রভাবশালী ব্যক্তি বা সরকারি কর্মকর্তাদের দুর্নীতি জনসমক্ষে তুলে ধরে, যা জনমত গড়ে তোলে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে বাধ্য করে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে উল্লেখিত সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের সাথে আমার পাঠ্যবইয়ের 'বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন' (Bangladesh Public Service Commission - BPSC)-এর মিল রয়েছে।

    সংবিধান অনুযায়ী বিপিএসসি একটি স্বায়ত্তশাসিত সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। এর চেয়ারম্যান ও অন্যান্য সদস্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হন এবং সদস্যদের পদমর্যাদা সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের সমতুল্য সুরক্ষাপ্রাপ্ত। বিপিএসসির মূল কাজ হলো প্রজাতন্ত্রের কর্মে (১ম ও ২য় শ্রেণির গেজেটেড পদে) মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে উপযুক্ত প্রার্থী বাছাই ও নিয়োগের সুপারিশ করা এবং পদোন্নতি, বদলি ও প্রেষণ বিষয়ে সরকারকে পরামর্শ প্রদান করা।

    উদ্দীপকের মিরার বাবার প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্ব ও কার্যপরিধি হুবহু বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের সাংবিধানিক দায়িত্বের সাথে মিলে যায়।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    দক্ষ ও সৎ প্রশাসন গড়ে তোলার জন্য বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (বিপিএসসি)-এর মতো প্রতিষ্ঠানের গুরুত্ব অনস্বীকার্য।

    একটি রাষ্ট্রের সার্বিক উন্নয়ন ও সুশাসন নিশ্চিত করতে যোগ্য, মেধাবী এবং সৎ আমলাতন্ত্র প্রয়োজন। সরকারি কর্ম কমিশন উন্মুক্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার (যেমন- বিসিএস পরীক্ষা) মাধ্যমে মেধার ভিত্তিতে উপযুক্ত প্রার্থীদের সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে বাছাই করে। এতে কোনো প্রকার স্বজনপ্রীতি বা রাজনৈতিক প্রভাব ছাড়া স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় দক্ষ জনবল প্রশাসনে অন্তর্ভুক্ত হয়।

    এছাড়া, পদোন্নতি, বদলি এবং শৃঙ্খলামূলক বিষয়ে কমিশন বস্তুনিষ্ঠ পরামর্শ প্রদান করে কর্মকর্তাদের পেশাগত মানদণ্ড ও সততা নিশ্চিত করতে সাহায্য করে। যদি এ ধরনের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান দুর্বল হয়ে পড়ে, তবে অযোগ্য ও দুর্নীতিপরায়ণ ব্যক্তিরা প্রশাসনে প্রবেশ করে সুশাসন ব্যাহত করতে পারে।

    সুতরাং, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা নির্বাচন এবং তাদের কার্যপরিচালনার মান নিশ্চিত করে একটি গতিশীল, সৎ ও জনবান্ধব প্রশাসন প্রতিষ্ঠায় সরকারি কর্ম কমিশনের ভূমিকা অপরিহার্য।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন