ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র • Barishal Board • বরিশাল বোর্ড ২০১৬

ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র প্রশ্ন

জনাব দুলাল মিঞা দুলালী টেক্সটাইল মিলের প্রধান নির্বাহী হিসেবে ঢাকা থেকে বদলী হয়ে আসেন। একটি বিভাগের পরিবর্তন অন্য বিভাগের সাথে সম্পর্কযুক্ত। এটি বিবেচনা না করে তিনি গণবদল করেন। ফলে বিভিন্ন বিভাগের দক্ষ ও অদক্ষ কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। তিন মাসের মধ্যে উৎপাদন হ্রাস পায়।

  1. ক)

    সমন্বয় সাধন কী?

    (1)
  2. খ)

    স্বেচ্ছামূলক সমন্বয় বলতে কী বোঝায়?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে বর্ণিত মি. দুলাল মিঞা বদলীর ক্ষেত্রে সমন্বয়ের কোন নীতি লঙ্ঘন করেছেন? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    দুলালী টেক্সটাইল মিলের স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনতে করণীয় কী আলোচনা করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    প্রতিষ্ঠানের অভিন্ন লক্ষ্য অর্জনের জন্য বিভিন্ন ব্যক্তি, দল বা বিভাগের কার্যাবলিকে সুসংহত, ঐক্যবদ্ধ ও সামঞ্জস্যপূর্ণ করার প্রক্রিয়াকে সমন্বয় সাধন বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    কোনো প্রকার আনুষ্ঠানিক নির্দেশ বা বাধ্যবাধকতা ব্যতিরেকে প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সহযোগিতার ভিত্তিতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে যে সমন্বয় সাধিত হয়, তাকে স্বেচ্ছামূলক সমন্বয় বলে। এতে কর্মীদের পারস্পরিক সম্পর্ক ও সহযোগিতার মনোভাব বৃদ্ধি পায়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে বর্ণিত মি. দুলাল মিঞা বদলির ক্ষেত্রে সমন্বয়ের 'ভারসাম্যের নীতি' লঙ্ঘন করেছেন।

    সমন্বয়ের ভারসাম্যের নীতি অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি বিভাগ, উপ-বিভাগ এবং কর্মীদের মধ্যকার কাজের পরিমাণ, দায়িত্ব ও দক্ষতার মধ্যে যথাযথ সমতা ও সামঞ্জস্য থাকা প্রয়োজন। একটি বিভাগের পরিবর্তন অন্য বিভাগকে কীভাবে প্রভাবিত করবে, তা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হয়।

    উদ্দীপকে জনাব দুলাল মিঞা একটি বিভাগের পরিবর্তন অন্য বিভাগের সাথে সম্পর্কিত—এই বিষয়টি আমলে না নিয়েই নির্বিচারে গণবদল করেন। এর ফলে বিভিন্ন বিভাগের ভারসাম্য বিনষ্ট হয়, দক্ষ-অদক্ষ কর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয় এবং উৎপাদন মারাত্মকভাবে হ্রাস পায়। সুতরাং, তিনি সমন্বয়ের ভারসাম্যের নীতি লঙ্ঘন করেছেন।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    দুলালী টেক্সটাইল মিলের স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনতে ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষকে অবিলম্বে গৃহীত গণবদল সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনা করে সঠিক সমন্বয় ও সুষ্ঠু কর্মপরিবেশ তৈরি করতে হবে।

    উদ্দীপকে দেখা যায়, অবিবেচনাপ্রসূত গণবদলের কারণে দক্ষ ও অদক্ষ কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ জন্ম নেয় এবং উৎপাদন কমে যায়। স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনতে করণীয়সমূহ নিম্নরূপ:
    ১. বদলি আদেশ পুনর্বিবেচনা: প্রতিটি বিভাগের কাজের ধরন এবং কর্মীদের ব্যক্তিগত দক্ষতা বিবেচনা করে সঠিক ব্যক্তিকে সঠিক কাজে পুনর্বহাল করা।
    ২. কার্যকরী যোগাযোগ স্থাপন: কর্মীদের সাথে উন্মুক্ত আলোচনা ও মতবিনিময় করে তাদের ক্ষোভের কারণ জানা এবং তা নিরসনের উদ্যোগ নেওয়া।
    ৩. ভারসাম্যের নীতি প্রয়োগ: একটি বিভাগের কাজের সাথে অন্য বিভাগের সমন্বয় সাধন করে সামগ্রিক কাজের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনা।
    ৪. কর্মীদের আস্থা বৃদ্ধি: কর্মীদের ওপর কোনো সিদ্ধান্ত চাপিয়ে না দিয়ে তাদের আশ্বস্ত করা এবং কাজের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধির জন্য প্রেষণামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

    অতএব, উল্লেখিত পদক্ষেপগুলো দ্রুত কার্যকর করার মাধ্যমেই প্রতিষ্ঠানে কাজের স্বাভাবিক গতি ও উৎপাদনশীলতা ফিরিয়ে আনা সম্ভব।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন