‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০২২

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন

একাদশ শ্রেণির একজন ছাত্র হুইল চেয়ারে বসে ক্লাস করে ও পরীক্ষা দেয়। জন্মগতভাবেই তার পায়ের আকৃতি ও গড়ন স্বাভাবিক মানুষের মতো দাঁড়িয়ে থাকার উপযোগী নয়। এরূপ প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রতি আমাদের মানবিক আচরণ করা উচিত।

  1. ক)

    AIDS এর ভাইরাসের নাম কী?

    (1)
  2. খ)

    দুর্নীতি বলতে কী বোঝায়?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে বর্ণিত শিক্ষার্থী কোন ধরনের সমস্যায় আক্রান্ত? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উক্ত বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য আমাদের করণীয়সমূহ বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    AIDS-এর ভাইরাসের নাম হলো HIV (Human Immunodeficiency Virus)।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    সাধারণ অর্থে দুর্নীতি বলতে নীতিবিরুদ্ধ বা নীতিভ্রষ্ট আচরণকে বোঝায়। সমাজবিজ্ঞান ও পৌরনীতির ভাষায়, ব্যক্তিগত বা ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে অর্পিত ক্ষমতার অপব্যবহার করাই হলো দুর্নীতি। ঘুষ গ্রহণ, স্বজনপ্রীতি, অর্থ আত্মসাৎ, দায়িত্বে অবহেলা ইত্যাদি দুর্নীতির অন্তর্ভুক্ত।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে বর্ণিত শিক্ষার্থী শারীরিক প্রতিবন্ধিতা সমস্যায় আক্রান্ত।

    কোনো ব্যক্তির শরীরের কোনো অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ আংশিক বা সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হলে বা স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা হারালে তাকে শারীরিক প্রতিবন্ধী বলা হয়। উদ্দীপকের একাদশ শ্রেণির ছাত্রটির পায়ের গড়ন ও আকৃতি জন্মগতভাবেই স্বাভাবিক মানুষের মতো দাঁড়িয়ে থাকার উপযোগী নয় এবং সে হুইল চেয়ার ব্যবহার করে চলাফেরা, ক্লাস ও পরীক্ষা দেয়। অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের অস্বাভাবিক গঠন বা অকার্যকারিতার কারণে এটি সুস্পষ্টভাবে শারীরিক প্রতিবন্ধিতার রূপ।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে বর্ণিত শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রতি আমাদের অনেক দায়িত্ব ও করণীয় রয়েছে, যা নিম্নে বিশ্লেষণ করা হলো:

    ১. মানবিক ও সহানুভূতিশীল দৃষ্টিভঙ্গি: প্রতিবন্ধীদের সমাজের বোঝা না ভেবে তাদের প্রতি সহমর্মিতা ও সমবেদনা প্রকাশ করতে হবে এবং মানবিক আচরণ করতে হবে।
    ২. বিশেষ শিক্ষা ও অনুকূল পরিবেশ: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তাদের যাতায়াতের জন্য র‍্যাম্প, সহায়ক লিফট ও বিশেষ বসার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
    ৩. কর্মসংস্থান ও স্বাবলম্বিতা: মেধা ও যোগ্যতানুযায়ী কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে এবং সরকারি ও বেসরকারি চাকরিতে নির্ধারিত কোটা বাস্তবায়ন করতে হবে।
    ৪. আইনি অধিকার নিশ্চিতকরণ: 'প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা আইন, ২০১৩' এর যথাযথ বাস্তবায়নের মাধ্যমে তাদের অধিকার রক্ষা করতে হবে।
    ৫. সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি: পরিবার ও সমাজে সচেতনতা তৈরি করে তাদের সকল ক্ষেত্রে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে।

    সুতরাং, উপযুক্ত পরিচর্যা, ভালোবাসা এবং রাষ্ট্রের সহযোগিতায় এই বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ব্যক্তিদের সমাজের মূলধারায় একীভূত করা আমাদের জাতীয় কর্তব্য।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন