যুক্তিবিদ্যা ২য় পত্র • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০২১

যুক্তিবিদ্যা ২য় পত্র প্রশ্ন

কাদের সাহেব বিদেশ থেকে দীর্ঘদিন পর গ্রামের বাড়ি আসেন। গ্রামের বাড়িতে এসে তিনি দেখতে পান তাদের গ্রামে নারী শিক্ষার হার একেবারে কম। তিনি এ বিষয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর সিদ্ধান্ত দেন যে, এ অঞ্চলে নারী শিক্ষা অভাবের প্রধান কারণ তাদের বাল্যবিবাহ।

  1. ক)

    সংকট উত্তরক দৃষ্টান্ত কী?

    (1)
  2. খ)

    পরীক্ষণাত্মক সমর্থন কত প্রকার?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে কাদের সাহেবের বক্তব্যটি প্রকল্পের কোন স্তরের অন্তর্ভুক্ত? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে উল্লেখিত সমস্যা সম্পর্কে সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য প্রকল্পের কোন কোন স্তর অনুসরণ করতে হবে? বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    যে নির্ণায়ক বা চরম দৃষ্টান্তের সাহায্যে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রকল্পগুলোর মধ্য থেকে একটিকে সত্য প্রমাণ করে বাকিগুলোকে বাতিল করা যায়, তাকে সংকট-উত্তরক দৃষ্টান্ত (Crucial Instance) বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    পরীক্ষণাত্মক সমর্থন মূলত দুই প্রকার: প্রত্যক্ষ সমর্থন এবং পরোক্ষ সমর্থন। যখন কোনো প্রকল্প থেকে অনুমিত সিদ্ধান্ত সরাসরি পরীক্ষণ বা পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে বাস্তব ঘটনার সাথে মিলে যায়, তখন তাকে প্রত্যক্ষ সমর্থন বলে; আর যখন কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রকল্প খণ্ডনের মাধ্যমে বা অন্য কোনো প্রমাণিত সত্যের সমর্থনে কোনো প্রকল্প গৃহীত হয়, তখন তাকে পরোক্ষ সমর্থন বলে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে কাদের সাহেবের বক্তব্যটি প্রকল্পের 'যাচাইকরণ' বা 'প্রকল্প প্রমাণীকরণ' স্তরের অন্তর্ভুক্ত।
    প্রকল্প গঠনের চারটি স্তর রয়েছে: ১. ঘটনা নিরীক্ষণ, ২. প্রাথমিক অনুমান গঠন, ৩. সিদ্ধান্ত গ্রহণ/অবরোহ এবং ৪. যাচাইকরণ বা পরীক্ষণ। উদ্দীপকে কাদের সাহেব গ্রামে নারী শিক্ষার হার কম দেখে শুধু অনুমান করেননি, বরং এ বিষয়ে 'পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর' নিশ্চিত সিদ্ধান্ত দিয়েছেন যে বাল্যবিবাহই এর প্রধান কারণ। তথ্য-উপাত্ত যাচাই ও নিরীক্ষণের মাধ্যমে অনুমিত কারণকে সত্য বলে প্রমাণ করার এই প্রক্রিয়াটি প্রকল্পের যাচাইকরণ স্তরের নির্দেশক।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে উল্লেখিত সমস্যা সম্পর্কে সঠিক ও বৈজ্ঞানিক সিদ্ধান্তে উপনীত হতে হলে প্রকল্পের চারটি স্তরই ধারাবাহিকভাবে অনুসরণ করতে হবে:
    ১. ঘটনা নিরীক্ষণ: প্রথমে গ্রামে নারী শিক্ষার হার কম হওয়ার প্রকৃত অবস্থাটি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ ও উপাত্ত সংগ্রহ করতে হবে।
    ২. প্রাথমিক অনুমান গঠন: সমস্যার সম্ভাব্য কারণ হিসেবে বাল্যবিবাহ, দারিদ্র্য, সচেতনতার অভাব ইত্যাদি বিভিন্ন বিকল্প প্রকল্প সাময়িকভাবে গঠন করতে হবে।
    ৩. সিদ্ধান্ত অবরোহ: গঠিত অনুমানসমূহ সত্য হলে সমাজে কী কী বাস্তব ফলাফল দেখা যাওয়ার কথা, অবরোহ পদ্ধতিতে তা অনুমান করতে হবে।
    ৪. যাচাইকরণ ও প্রমাণ: মাঠপর্যায়ের নিরীক্ষণ বা বাস্তব তথ্যের সাথে মিলিয়ে দেখতে হবে যে বাল্যবিবাহই নারী শিক্ষা হ্রাসের একমাত্র বা প্রধান কারণ কি না। যদি সংগৃহীত তথ্য ও প্রমাণের সাথে অনুমানটি পুরোপুরি মিলে যায় এবং বিকল্প প্রকল্পগুলো বাতিল হয়, তবেই একটি চূড়ান্ত ও নির্ভরযোগ্য সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন