যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র • Barishal Board • বরিশাল বোর্ড ২০২১
যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র প্রশ্ন
সর্বোত্তম অনুমানভিত্তিক উত্তর — আনুষ্ঠানিক উত্তর নয়: মূল তথ্য বা উত্তরে অস্পষ্টতা/অসম্পূর্ণতা রয়েছে। প্রদত্ত উত্তরটি নিশ্চিত নয়; যাচাই করে ব্যবহার করো।
আবদুল্লাহ স্যার যুক্তিবিদ্যার ক্লাসে শিক্ষার্থীদের বললেন, “যুক্তিবিদ্যা নির্দিষ্ট বিষয় সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট, সুশৃঙ্খল ও সুসংবদ্ধ জ্ঞান দিয়ে থাকে।” শিক্ষার্থী তাপস বললো, “এটি আমাদের জ্ঞানকে বাস্তব জীবনে কাজে লাগানোর কৌশলও শিক্ষা দেয়।”
- ক)(1)
যুক্তিবিদ্যার জনক কে?
- খ)(2)
যুক্তিবিদ্যাকে আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান বলা হয় কেন?
- গ)(3)
যুক্তিবিদ্যাকে আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান বলা হয় কেন?
- ঘ)(4)
আবদুল্লাহ স্যার ও তাপসের বক্তব্যে যুক্তিবিদ্যার যে স্বরূপ ফুটে উঠেছে তার যৌক্তিকতা বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।
স্পষ্ট অনুমান: বরিশাল বোর্ড ২০২১-এর সৃজনশীল প্রশ্ন অনুযায়ী (গ) অংশটি একটি প্রয়োগমূলক প্রশ্ন, যা মুদ্রণপ্রমাদবশত (খ) প্রশ্নের পুনরাবৃত্তি হয়েছে। | (gha) অংশে উভয়ের বক্তব্যের যৌক্তিকতা থাকায় (ga) অংশে তাপসের বক্তব্য (কলা সম্পর্কিত) অথবা আবদুল্লাহ স্যারের বক্তব্য (বিজ্ঞান সম্পর্কিত) চাওয়া হয়েছিল বলে ধরা হয়েছে এবং সবচেয়ে মানসম্মত বিকল্প হিসেবে তাপসের বক্তব্যের ভিত্তিতে সমাধান দেওয়া হয়েছে।
যুক্তিবিদ্যার জনক হলেন গ্রিক দার্শনিক এরিস্টটল।
- খ)
AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।
স্পষ্ট অনুমান: বরিশাল বোর্ড ২০২১-এর সৃজনশীল প্রশ্ন অনুযায়ী (গ) অংশটি একটি প্রয়োগমূলক প্রশ্ন, যা মুদ্রণপ্রমাদবশত (খ) প্রশ্নের পুনরাবৃত্তি হয়েছে। | (gha) অংশে উভয়ের বক্তব্যের যৌক্তিকতা থাকায় (ga) অংশে তাপসের বক্তব্য (কলা সম্পর্কিত) অথবা আবদুল্লাহ স্যারের বক্তব্য (বিজ্ঞান সম্পর্কিত) চাওয়া হয়েছিল বলে ধরা হয়েছে এবং সবচেয়ে মানসম্মত বিকল্প হিসেবে তাপসের বক্তব্যের ভিত্তিতে সমাধান দেওয়া হয়েছে।
যুক্তিবিদ্যা একটি পরম আদর্শকে সামনে রেখে সঠিক চিন্তার নিয়মাবলি প্রণয়ন ও মূল্যায়ন করে বলে একে আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান বলা হয়।
বিজ্ঞান দুই প্রকার: বিষয়নিষ্ঠ ও আদর্শনিষ্ঠ। বিষয়নিষ্ঠ বিজ্ঞান কোনো বিষয়ের বাস্তব রূপ যেমন আছে কেবল তারই বর্ণনা দেয়। কিন্তু যুক্তিবিদ্যা কেবল চিন্তার প্রক্রিয়া বর্ণনা করে না; বরং সত্য অর্জন ও মিথ্যা বর্জনের আদর্শকে সামনে রেখে চিন্তার বৈধতা ও অবৈধতা নির্ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় নিয়মাবলি প্রণয়ন করে। সত্যের এই পরম আদর্শকে অনুসরণ করার কারণেই যুক্তিবিদ্যাকে আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান বলা হয়।
- গ)
AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।
স্পষ্ট অনুমান: বরিশাল বোর্ড ২০২১-এর সৃজনশীল প্রশ্ন অনুযায়ী (গ) অংশটি একটি প্রয়োগমূলক প্রশ্ন, যা মুদ্রণপ্রমাদবশত (খ) প্রশ্নের পুনরাবৃত্তি হয়েছে। | (gha) অংশে উভয়ের বক্তব্যের যৌক্তিকতা থাকায় (ga) অংশে তাপসের বক্তব্য (কলা সম্পর্কিত) অথবা আবদুল্লাহ স্যারের বক্তব্য (বিজ্ঞান সম্পর্কিত) চাওয়া হয়েছিল বলে ধরা হয়েছে এবং সবচেয়ে মানসম্মত বিকল্প হিসেবে তাপসের বক্তব্যের ভিত্তিতে সমাধান দেওয়া হয়েছে।
[মুদ্রণপ্রমাদ সংশোধন সাপেক্ষে পুনর্গঠিত প্রশ্ন: উদ্দীপকে তাপসের বক্তব্যে যুক্তিবিদ্যার কোন দিকটির প্রতিফলন ঘটেছে? ব্যাখ্যা করো।]
উদ্দীপকে তাপসের বক্তব্যে যুক্তিবিদ্যার 'কলা' (Art) রূপটির প্রতিফলন ঘটেছে।
যে বিদ্যা কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য সাধনের জন্য তাত্ত্বিক জ্ঞানকে বাস্তব ক্ষেত্রে সুচারুভাবে প্রয়োগ করার নিয়ম ও কৌশল শিক্ষা দেয়, তাকে কলা বা কলাবিদ্যা বলে। যুক্তিবিদ্যা কেবল চিন্তার সাধারণ নিয়মাবলি প্রণয়ন করে ক্ষান্ত হয় না, বরং সেই নিয়মগুলোকে বাস্তব চিন্তার ক্ষেত্রে যথাযথভাবে প্রয়োগ করে সত্য আবিষ্কার এবং ভ্রান্তি বা কুযুক্তি পরিহার করার ব্যবহারিক কৌশল শেখায়।
উদ্দীপকে তাপস বলেছে, “এটি আমাদের জ্ঞানকে বাস্তব জীবনে কাজে লাগানোর কৌশলও শিক্ষা দেয়।” তাপসের এই বক্তব্যটি যুক্তিবিদ্যার ব্যবহারিক বা প্রায়োগিক দিক, অর্থাৎ কলাবিদ্যার সংজ্ঞার সাথে হুবহু মিলে যায়। কারণ যুক্তিবিদ্যা বাস্তব জীবনে সঠিক যুক্তি গঠন ও তাত্ত্বিক নিয়ম প্রয়োগের ব্যবহারিক দীক্ষা দেয়। সুতরাং, তাপসের বক্তব্যে যুক্তিবিদ্যার কলা রূপটিই প্রতিফলিত হয়েছে।
- ঘ)
AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।
স্পষ্ট অনুমান: বরিশাল বোর্ড ২০২১-এর সৃজনশীল প্রশ্ন অনুযায়ী (গ) অংশটি একটি প্রয়োগমূলক প্রশ্ন, যা মুদ্রণপ্রমাদবশত (খ) প্রশ্নের পুনরাবৃত্তি হয়েছে। | (gha) অংশে উভয়ের বক্তব্যের যৌক্তিকতা থাকায় (ga) অংশে তাপসের বক্তব্য (কলা সম্পর্কিত) অথবা আবদুল্লাহ স্যারের বক্তব্য (বিজ্ঞান সম্পর্কিত) চাওয়া হয়েছিল বলে ধরা হয়েছে এবং সবচেয়ে মানসম্মত বিকল্প হিসেবে তাপসের বক্তব্যের ভিত্তিতে সমাধান দেওয়া হয়েছে।
উদ্দীপকে আবদুল্লাহ স্যার ও তাপসের বক্তব্যে যুক্তিবিদ্যার যথাক্রমে 'বিজ্ঞান' ও 'কলা' রূপটি ফুটে উঠেছে, যা অত্যন্ত যৌক্তিক ও যথার্থ।
আবদুল্লাহ স্যারের বক্তব্য ("যুক্তিবিদ্যা নির্দিষ্ট বিষয় সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট, সুশৃঙ্খল ও সুসংবদ্ধ জ্ঞান দিয়ে থাকে") যুক্তিবিদ্যার বিজ্ঞান রূপকে নির্দেশ করে। বিজ্ঞান হলো কোনো নির্দিষ্ট বিষয় সম্পর্কে সুশৃঙ্খল ও প্রমাণভিত্তিক সাধারণ জ্ঞান। যুক্তিবিদ্যাও চিন্তার মৌলিক নিয়ম, অনুমান ও তার সহায়ক প্রক্রিয়া সম্পর্কে নিয়মাবদ্ধ ও সুশৃঙ্খল তাত্ত্বিক জ্ঞান প্রদান করে। তাই যুক্তিবিদ্যা নিঃসন্দেহে একটি বিজ্ঞান।
অন্যদিকে, তাপসের বক্তব্য ("এটি আমাদের জ্ঞানকে বাস্তব জীবনে কাজে লাগানোর কৌশলও শিক্ষা দেয়") যুক্তিবিদ্যার কলা রূপকে নির্দেশ করে। কলাবিদ্যা তাত্ত্বিক জ্ঞানকে বাস্তব ক্ষেত্রে প্রয়োগের কৌশল শিক্ষা দেয়। যুক্তিবিদ্যাও যুক্তির নিয়মগুলোকে বাস্তব জীবনে সত্য নির্ণয় ও অসত্য পরিহারের কাজে কীভাবে প্রয়োগ করতে হয় তা শেখায়।
যুক্তিবিদদের মধ্যে কেউ কেউ যুক্তিবিদ্যাকে কেবল বিজ্ঞান (যেমন- হ্যামিল্টন, ম্যানসেল) এবং কেউ কেউ কেবল কলা (যেমন- অলড্রিচ) হিসেবে দেখলেও যুক্তিবিদ মিল, হোয়েটলি ও কার্ভেথ রিড যুক্তিবিদ্যাকে যুগপৎ বিজ্ঞান ও কলা উভয় রূপেই স্বীকৃতি দিয়েছেন। যুক্তিবিদ্যা একদিকে যেমন সঠিক চিন্তার নিয়মাবলির তাত্ত্বিক জ্ঞান দেয় (বিজ্ঞান), অন্যদিকে তেমনি বাস্তব ক্ষেত্রে সেই নিয়মাবলির সফল প্রয়োগের কৌশল শেখায় (কলা)। অতএব, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর যৌথ বক্তব্যে যুক্তিবিদ্যার এই পূর্ণাঙ্গ ও দ্বৈত স্বরূপটির যথার্থ ও যৌক্তিক প্রতিফলন ঘটেছে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও