‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Sylhet Board • সিলেট বোর্ড ২০১৯

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন

সহনের বাবা বাজার থেকে একটি রুই মাছ এবং কিছু আপেল কিনে এনে রান্নাঘরে রাখেন। হঠাৎ সহনের নানার অসুখের কথা শুনে তারা সপরিবারে নানা বাড়ি যায়। কিন্তু মাছ ও আপেল ফ্রিজে রাখা হয়নি। তিন দিন পর বাড়ি ফিরে এসে সহন দেখে মাছ ও আপেল পঁচেনি ।

  1. ক)

    AIDS-এর পূর্ণরূপ কী?

    (1)
  2. খ)

    জলবায়ু পরিবর্তন বলতে কী বুঝ?

    (2)
  3. গ)

    সহনের বাবা কর্তৃক ক্রয়কৃত মাছ ও আপেল না পঁচার কারণ ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে উল্লেখিত সমস্যা সমাধানে তোমার সুপারিশ কী ? মতামত দাও।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    AIDS-এর পূর্ণরূপ হলো Acquired Immune Deficiency Syndrome.

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    জলবায়ু পরিবর্তন বলতে কোনো অঞ্চল বা সমগ্র পৃথিবীর আবহাওয়ার উপাদানসমূহের (যেমন: তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত, আর্দ্রতা ও বায়ুর চাপ) দীর্ঘমেয়াদি (সাধারণত ৩০-৪০ বছর বা তার বেশি সময় ধরে) পরিবর্তনকে বোঝায়। মানুষের ক্ষতিকর কর্মকাণ্ড যেমন নির্বিচারে বন উজাড় ও জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর ফলে গ্রিনহাউস গ্যাসের মাত্রা বৃদ্ধি পেয়ে বৈশ্বিক উষ্ণতা বাড়ছে, যা জলবায়ু পরিবর্তনের মূল কারণ।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে সহনের বাবা কর্তৃক ক্রয়কৃত মাছ ও আপেল না পঁচার মূল কারণ হলো এগুলোতে মানবদেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ 'ফরমালিন' বা অন্যান্য রাসায়নিক প্রিজারভেটিভের ব্যবহার। সাধারণত মাছ ও ফলমূল স্বাভাবিক তাপমাত্রায় তিন দিন রেখে দিলে তাতে ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ ঘটে এবং সেগুলো পচে যাওয়ার কথা। কিন্তু অসাধু ব্যবসায়ীরা পচন রোধ করে খাদ্যদ্রব্য দীর্ঘস্থায়ী ও সতেজ দেখানোর জন্য বিষাক্ত রাসায়নিক প্রয়োগ করে। ফলে স্বাভাবিক জৈবিক পচন প্রক্রিয়া ব্যাহত হয় এবং তিন দিন ফ্রিজে না রেখেও মাছ ও আপেল পচেনি।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে খাদ্যে ভেজাল ও বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ (যেমন ফরমালিন) ব্যবহারের মারাত্মক সামাজিক ও স্বাস্থ্যগত সমস্যার চিত্র প্রতিফলিত হয়েছে। এই সমস্যা সমাধানে আমার সুপারিশসমূহ নিম্নে তুলে ধরা হলো:
    ১. কঠোর আইন প্রণয়ন ও প্রয়োগ: খাদ্যে রাসায়নিক প্রয়োগকারী অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অর্থদণ্ডের ব্যবস্থা করা।
    ২. নিয়মিত তদারকি ও পরীক্ষণ: বাজার, আড়ত ও আমদানি পয়েন্টগুলোতে নিয়মিত খাদ্য পরীক্ষার মাধ্যমে ক্ষতিকর রাসায়নিকের উপস্থিতি শনাক্তকরণ ও পণ্য ধ্বংস করা।
    ৩. বিকল্প নিরাপদ সংরক্ষণের ব্যবস্থা: ক্ষতিকারক রাসায়নিকের পরিবর্তে পর্যাপ্ত কোল্ড স্টোরেজ বা আধুনিক নিরাপদ সংরক্ষণাগারের সুবিধা গড়ে তোলা।
    ৪. গণসচেতনতা তৈরি: নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে ব্যবসায়ী ও সাধারণ ভোক্তাদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
    পরিশেষে, সরকার ও জনগণের সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমেই খাদ্যে ভেজাল সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন