পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Dhaka Board • ঢাকা বোর্ড ২০১৭
পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন
নির্বাচন প্রতিনিধি বাছাইয়ের উত্তম পন্থা। বাংলাদেশে নিয়মিত স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এখানে প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পদ্ধতি ভিন্ন। স্থানীয় ও জাতীয় নির্বাচনসমূহে বাংলাদেশের জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দেয়।
- ক)(1)
দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন কত সালে অনুষ্ঠিত হয়?
- খ)(2)
নির্বাচকমণ্ডলী বলতে কী বোঝ?
- গ)(3)
উদ্দীপকে উল্লেল্লখিত বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থার বৈশিষ্ট্যসমূহ উল্লেখ করো।
- ঘ)(4)
বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থায় নাগরিকদের ভূমিকা আলোচনা করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
কোনো গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে যেসব নাগরিকের ভোটাধিকার থাকে এবং যারা আইনগতভাবে ভোট প্রদানের যোগ্য, তাদের সমষ্টিকে একত্রে নির্বাচকমণ্ডলী (Electorate) বলে। গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় সরকার গঠনের জন্য আইনসভার সদস্য এবং জনপ্রতিনিধি নির্বাচনে নির্বাচকমণ্ডলী মুখ্য ভূমিকা পালন করে।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে উল্লিখিত তথ্যের আলোকে বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থার প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ নিম্নরূপ:
১. সার্বজনীন প্রাপ্তবয়স্কের ভোটাধিকার: বাংলাদেশের সংবিধানে বর্ণ, ধর্ম, জাতি বা লিঙ্গ নির্বিশেষে ১৮ বছর বা তদূর্ধ্ব সকল যোগ্য নাগরিকের জন্য ভোটাধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে।
২. প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ নির্বাচন: জাতীয় সংসদের ৩০০টি আসনের সদস্য এবং স্থানীয় সরকারের প্রতিনিধিরা জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হন। অন্যদিকে, রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্যগণ পরোক্ষ পদ্ধতিতে (সংসদ সদস্যদের ভোটে) নির্বাচিত হন।
৩. স্বাধীন নির্বাচন কমিশন: নির্বাচন অনুষ্ঠানের দায়িত্ব একটি সাংবিধানিক ও স্বাধীন নির্বাচন কমিশনের ওপর ন্যস্ত।
৪. একক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকা: প্রতিটি নির্বাচনী এলাকা থেকে একক প্রতিনিধি নির্বাচিত করার ব্যবস্থা বিদ্যমান, যেখানে সর্বোচ্চ ভোটপ্রাপ্ত প্রার্থী বিজয়ী ঘোষিত হন।
৫. নিয়মিত নির্বাচন: নির্দিষ্ট মেয়াদ (সাধারণত ৫ বছর) শেষে নিয়মিতভাবে স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। - ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় এবং বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থায় নাগরিকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অপরিহার্য।
প্রথমত, উপযুক্ত প্রতিনিধি নির্বাচন: বাংলাদেশের জনগণ সার্বজনীন প্রাপ্তবয়স্কের ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে জাতীয় সংসদ ও স্থানীয় সরকারে নিজেদের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত করে। এর মাধ্যমেই গণতান্ত্রিক সরকারের বৈধতা প্রতিষ্ঠিত হয়।
দ্বিতীয়ত, সরকার গঠন ও ক্ষমতার নিয়ন্ত্রণ: সংবিধান অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ। নাগরিকরা নির্বাচনের মাধ্যমে সৎ, যোগ্য ও দেশপ্রেমিক প্রার্থীদের ক্ষমতায় পাঠাতে পারে এবং ব্যর্থ বা দুর্নীতিগ্রস্ত প্রতিনিধিদের প্রত্যাখ্যান করে ক্ষমতার রদবদল ঘটাতে পারে।
তৃতীয়ত, সচেতনতা ও সততা প্রদর্শন: যোগ্য প্রার্থী বাছাইয়ে প্রার্থীদের সততা, যোগ্যতা ও অতীত কর্মকাণ্ড যাচাই করে প্রভাবমুক্ত হয়ে নির্ভীকভাবে ভোট প্রদান করা নাগরিকের নৈতিক দায়িত্ব। কালো টাকা বা পেশিশক্তির প্রভাব প্রতিরোধে নাগরিকদের ভূমিকা জরুরি।
চতুর্থত, প্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণ: ভোটার হওয়ার পাশাপাশি যোগ্য নাগরিকরা সরাসরি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে দেশের নীতিনির্ধারণে নেতৃত্ব দিতে পারেন।
পরিশেষে, নাগরিকরা স্বতঃস্ফূর্ত ও সচেতনভাবে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করলেই দেশের নির্বাচন ব্যবস্থা অর্থবহ ও সুশাসন নিশ্চিত সম্ভব হয়।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও