যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র • Mymensingh Board • ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২২

যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র প্রশ্ন

উদাহরণ-১: সকল চতুর্ভূজ হয় চার বাহু দ্বারা বেষ্টিত ক্ষেত্র।উদাহরণ-২: সকল ঘোড়া হয় চতুষ্পদী প্রাণী।

  1. ক)

    যুক্তিবিদ্যার জনক কে?

    (1)
  2. খ)

    বিধেয়ক একটি সম্পর্কের নাম- বুঝিয়ে লেখো ।

    (2)
  3. গ)

    উদাহরণ-১ দ্বারা কোন ধরনের বিধেয়ককে নির্দেশ করে?ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদাহরণ-২ এর উদ্দেশ্য ও বিধেয় দ্বারা নির্দেশিত বিধেয়কের পারস্পরিক সম্পর্ক বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    যুক্তিবিদ্যার জনক হলেন প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক এরিস্টটল (Aristotle)।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    একটি সদর্থক যুক্তিবাক্যে উদ্দেশ্য পদ ও বিধেয় পদের মধ্যকার অর্থগত বা ধারণাগত যে সম্পর্ক বিদ্যমান থাকে, তাকে বিধেয়ক (Predicable) বলে। বিধেয়ক কোনো একক পদ নয়, বরং এটি উদ্দেশ্য ও বিধেয় পদের পারস্পরিক সম্পর্কের রূপ প্রকাশ করে। কোনো যুক্তিবাক্যে বিধেয় পদটি উদ্দেশ্য পদের সাথে কী সম্পর্কে অন্বিত—তা জাতি, উপজাতি, লক্ষণ, উপলক্ষণ নাকি অবান্তর লক্ষণ, তা নির্ধারণ করে বিধেয়ক। তাই বিধেয়ক একটি সম্পর্কের নাম।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদাহরণ-১: 'সকল চতুর্ভূজ হয় চার বাহু দ্বারা বেষ্টিত ক্ষেত্র।' বাক্যটি 'লক্ষণ' (Difference/Differentia) বা আসন্নতম জাতি ও লক্ষণ সমন্বিত সংজ্ঞা/লক্ষণ বিধেয়ককে নির্দেশ করে।
    যখন কোনো বিধেয় উদ্দেশ্য পদের অপরিহার্য বা আবশ্যিক গুণ (আসন্ন লক্ষণ) প্রকাশ করে, যা তাকে তার স্বজাতীয় অন্যান্য বিষয় থেকে পৃথক করে, তাকে লক্ষণ বলে। অথবা, কোনো পদের সম্পূর্ণ যাত্যর্থ বা মৌলিক গুণ প্রকাশকে সংজ্ঞার্থ বা লক্ষণ হিসেবে ধরা হয়। এখানে 'চতুর্ভূজ' উদ্দেশ্যের অপরিহার্য সংজ্ঞার্থিক লক্ষণ হলো 'চার বাহু দ্বারা বেষ্টিত ক্ষেত্র'। বিধেয় পদটি উদ্দেশ্য পদের মৌলিক ও অপরিহার্য বৈশিষ্ট্যকে সম্পূর্ণভাবে নির্দেশ করায় এটি লক্ষণ বিধেয়ক।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদাহরণ-২: 'সকল ঘোড়া হয় চতুষ্পদী প্রাণী।'
    এখানে উদ্দেশ্য পদ হলো 'ঘোড়া' এবং বিধেয় পদ হলো 'চতুষ্পদী প্রাণী'। এদের পারস্পরিক সম্পর্ক বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বিধেয়কটি এখানে 'উপলক্ষণে'র রূপ প্রকাশ করে।
    ঘোড়ার অপরিহার্য মৌলিক গুণ (যাত্যর্থ) হলো 'জীববৃত্তি' ও এর বিশেষ প্রজাতিগত বৈশিষ্ট্য। 'চতুষ্পদী' হওয়া ঘোড়ার মৌলিক যাত্যর্থের অংশ না হলেও এটি তার মূল সত্তা বা গঠন থেকে অনিবার্যভাবে নিঃসৃত একটি লক্ষণ। যেসব গুণ কোনো পদের সরাসরি যাত্যর্থ নয়, কিন্তু যাত্যর্থ থেকে অনিবার্যভাবে নিঃসৃত হয়, তাকে 'উপলক্ষণ' (Proprium) বলে। ঘোড়ার গঠনগত বৈশিষ্ট্যের কারণে চার পা থাকা অনিবার্য।
    আবার অন্য দৃষ্টিকোণ থেকে, প্রাণী জগতে 'চতুষ্পদী প্রাণী' একটি ব্যাপকতর শ্রেণি (জাতি), যার অন্তর্ভুক্ত একটি বিশেষ শ্রেণি হলো 'ঘোড়া' (উপজাতি)। এ ক্ষেত্রে উদ্দেশ্য (ঘোড়া) হলো উপজাতি এবং বিধেয় (চতুষ্পদী প্রাণী) হলো তার একটি বৃহত্তর শ্রেণি বা উপলক্ষণভিত্তিক গুণ। সুতরাং, উদ্দেশ্য ও বিধেয় পদের মধ্যে উপলক্ষণমূলক বিধেয়ক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন