যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র • Barishal Board • বরিশাল বোর্ড ২০২৪

যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র প্রশ্ন

শিক্ষার মান উন্নয়ন হলে কুসংস্কার হ্রাস পায়, আবার শিক্ষার মান হ্রাস - পেলে কুসংস্কার বৃদ্ধি পায়। তবে মাঝে এর ব্যতিক্রম ঘটে।

  1. ক)

    যুক্তিবাক্য কাকে বলে?

    (1)
  2. খ)

    সকল বাক্যকে যুক্তিবাক্য বলা যায় না কেন?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের সাথে পাঠ্যপুস্তকের কোন বিষয়ের সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে প্রতিফলিত বিষয়টির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    দুটি পদের মধ্যে কোনো সম্পর্কের বর্ণনা বা স্বীকৃতি বা অস্বীকৃতি জ্ঞাপনকারী বাক্যকে যুক্তিবাক্য বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    সকল বাক্যকে যুক্তিবাক্য বলা যায় না, কারণ ব্যাকরণে ইচ্ছা, আদেশ, উপদেশ, বিস্ময় বা প্রশ্নবোধক বাক্য থাকে যার সত্য বা মিথ্যা হওয়ার কোনো সম্ভাবনা থাকে না। কিন্তু যুক্তিবাক্য হতে হলে বাক্যটিতে উদ্দেশ্য ও বিধেয় পদের মাঝে একটি সংযোজক থাকতে হয় এবং বাক্যটিকে অবশ্যই সত্য বা মিথ্যা হওয়ার উপযোগী বিবৃতিমূলক বা বর্ণনামূলক বাক্য হতে হয়। তাই কেবল বর্ণনামূলক বাক্যই যুক্তিবাক্য হতে পারে, সকল সাধারণ বাক্য নয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের সাথে পাঠ্যপুস্তকের যুক্তিবিদ্যার সহপরিবর্তন পদ্ধতির (Method of Concomitant Variations) সাদৃশ্য রয়েছে। মিলের মতে, যখন একটি ঘটনা পরিবর্তিত হওয়ার সাথে সাথে অপর একটি ঘটনাও আনুপাতিকভাবে পরিবর্তিত হয় (হ্রাস বা বৃদ্ধি পায়), তখন ঘটনা দুটির মধ্যে একটি কারণ বা কার্যের বা কোনো কার্যকারণ সম্পর্ক থাকে। উদ্দীপকে দেখানো হয়েছে যে শিক্ষার মান উন্নয়ন (বৃদ্ধি) হলে কুসংস্কার হ্রাস পায় এবং শিক্ষার মান হ্রাস পেলে কুসংস্কার বৃদ্ধি পায়। এটি ঋণাত্মক বা ব্যস্তানুপাতিক সহপরিবর্তন পদ্ধতির রূপ নির্দেশ করে। তবে উদ্দীপকে মাঝে মাঝে ব্যতিক্রম ঘটার বিষয়টিও উল্লেখ রয়েছে, যা প্রমাণ করে এটি সহপরিবর্তন পদ্ধতির ধারণার সাথে সংগতিপূর্ণ।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে প্রতিফলিত বিষয়টি হলো মিলের পরীক্ষণমূলক পদ্ধতির অন্তর্ভুক্ত 'সহপরিবর্তন পদ্ধতি'। এ পদ্ধতিটির যথার্থতা ও সীমাবদ্ধতা বিশ্লেষণযোগ্য।\n\nসহপরিবর্তন পদ্ধতি পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষণ উভয় ক্ষেত্রেই অত্যন্ত কার্যকর। বিজ্ঞানের এমন কিছু ক্ষেত্র রয়েছে (যেমন- উত্তাপ ও পারদস্তম্ভের উচ্চতা, জোয়ার-ভাটার ওপর চাঁদের আকর্ষণ) যেখানে উপাদানকে সম্পূর্ণ বর্জন বা অপসারণ করা যায় না, সেখানে কেবল সহপরিবর্তন পদ্ধতিই কার্যকারণ সম্পর্ক আবিষ্কারের একমাত্র উপায়।\n\nতবে উদ্দীপকে যেমন বলা হয়েছে 'মাঝে এর ব্যতিক্রম ঘটে', তেমনি বাস্তব ক্ষেত্রে সহপরিবর্তন পদ্ধতির প্রয়োগ শতভাগ নির্ভুল নাও হতে পারে। শিক্ষার মান বৃদ্ধির সাথে কুসংস্কার হ্রাস পাওয়া একটি সাধারণ প্রবণতা হলেও এটি সার্বিক নয়; অনেক সময় উচ্চশিক্ষিত ব্যক্তিও কুসংস্কারে বিশ্বাসী হতে পারেন। এছাড়া দুটি বিষয়ের সহপরিবর্তন ঘটলেই একটি অপরটির কারণ নাও হতে পারে; তারা উভয়ে কোনো যৌথ কারণের কার্য হতে পারে (যেমন- রাত ও দিন)। সুতরাং, উদ্দীপকে প্রতিফলিত সহপরিবর্তন পদ্ধতিটি বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও কার্যকর হলেও সতর্কতার সাথে প্রয়োগ না করলে অনুপপত্তির জন্ম হতে পারে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন