যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র • Barishal Board • বরিশাল বোর্ড ২০২৫
যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র প্রশ্ন
চিত্র-১: বাংলাদেশ, হিমালয়, ইমরান। চিত্র-২: একটি কোম্পানিতে যোগ্যতা অনুসারে বিভিন্ন পদে আবেদনকারীর তথ্য নিম্নরূপ:
১ | ২ | ৩
পদের নাম | যোগ্যতা | আবেদনকারীর সংখ্যা
অফিসার | স্নাতক+সৎ+পরিশ্রমী | ৫০ জন
মাঠকর্মী | এইচএসসি+পরিশ্রমী | ৮০ জন
অফিস সহকারী | এইচএসসি | ১১০ জন
- ক)(1)
পদ কাকে বলে?
- খ)(2)
সহ-পদযোগ্য শব্দ বলতে কী বোঝ?
- গ)(3)
উদ্দীপকে চিত্র-১ এর পদগুলো জাত্যর্থক নাকি অজাত্যর্থক? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকে চিত্র-২ এর কলাম ২ এবং কলাম ৩ এর সম্পর্ক তোমার পাঠ্যবইয়ের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
যে শব্দ বা শব্দসমষ্টি কোনো যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য বা বিধেয় হিসেবে ব্যবহৃত হয় বা ব্যবহৃত হওয়ার যোগ্যতা রাখে, তাকে পদ বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
যেসব শব্দ নিজে নিজে কোনো যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য বা বিধেয় হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে না, কিন্তু পদযোগ্য শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে সেটিকে পদ হিসেবে ব্যবহারে সহায়তা করে, সেগুলোকে সহ-পদযোগ্য শব্দ বলে। যেমন: 'এবং', 'ও', 'অথবা', 'খুব', 'টি' ইত্যাদি।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের চিত্র-১ এর পদগুলো হলো 'বাংলাদেশ', 'হিমালয়' ও 'ইমরান'। এগুলো সবই অজাত্যর্থক পদ।
যে পদের কেবল ব্যক্ত্যর্থ (সংখ্যার দিক) থাকে কিন্তু কোনো জাত্যর্থ (আবশ্যিক গুণ) থাকে না, তাকে অজাত্যর্থক পদ বলে।
চিত্র-১ এর পদগুলো মূলত বিশিষ্ট নামবাচক পদ (Proper Names)। যুক্তিবিদ জন স্টুয়ার্ট মিলের মতে, বিশিষ্ট নামবাচক পদের কেবল ব্যক্ত্যর্থ বা নির্দিষ্ট বস্তুকে নির্দেশ করার ক্ষমতা থাকে, কোনো সাধারণ বা আবশ্যিক গুণ নির্দেশক জাত্যর্থ থাকে না। 'বাংলাদেশ' একটি নির্দিষ্ট দেশকে, 'হিমালয়' একটি নির্দিষ্ট পর্বতমালাকে এবং 'ইমরান' একজন নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে নির্দেশ করে। এদের কোনো সাধারণ বা মৌলিক গুণবাচক জাত্যর্থ না থাকায় এরা অজাত্যর্থক পদ। - ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের চিত্র-২ এর কলাম ২ (যোগ্যতা) এবং কলাম ৩ (আবেদনকারীর সংখ্যা) এর মধ্যে পদের ব্যক্ত্যর্থ ও জাত্যর্থের বিপরীতমুখী বা হ্রাস-বৃদ্ধির সম্পর্ক পরিলক্ষিত হয়।
যুক্তিবিদ্যায় পদের পরিমাণের দিককে ব্যক্ত্যর্থ এবং গুণের দিককে জাত্যর্থ বলে। ব্যক্ত্যর্থ ও জাত্যর্থের মধ্যকার নিয়ম হলো: জাত্যর্থ বাড়লে ব্যক্ত্যর্থ কমে, এবং জাত্যর্থ কমলে ব্যক্ত্যর্থ বাড়ে।
উদ্দীপকের ছকে:
১. অফিস সহকারী পদে যোগ্যতা শুধু 'এইচএসসি' (কম গুণ/জাত্যর্থ), ফলে আবেদনকারীর সংখ্যা ১১০ জন (বেশি ব্যক্ত্যর্থ)।
২. মাঠকর্মী পদে যোগ্যতা 'এইচএসসি+পরিশ্রমী' (গুণ বৃদ্ধি), ফলে আবেদনকারীর সংখ্যা কমে দাঁড়ায় ৮০ জন।
৩. অফিসার পদে যোগ্যতা 'স্নাতক+সৎ+পরিশ্রমী' (গুণ সর্বাধিক), ফলে আবেদনকারীর সংখ্যা সবচেয়ে কমে দাঁড়ায় ৫০ জন।দেখা যাচ্ছে, কলাম ২-এ গুণের (জাত্যর্থের) পরিমাণ যত বৃদ্ধি পেয়েছে, কলাম ৩-এ আবেদনকারীর সংখ্যা (ব্যক্ত্যর্থ) তত হ্রাস পেয়েছে। সুতরাং, এই সম্পর্কটি পদের 'জাত্যর্থ বাড়লে ব্যক্ত্যর্থ কমে এবং জাত্যর্থ কমলে ব্যক্ত্যর্থ বাড়ে' সংক্রান্ত নিয়মকে নিখুঁতভাবে নির্দেশ করে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও