অর্থনীতি ২য় পত্র • Mymensingh Board • ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২১

অর্থনীতি ২য় পত্র প্রশ্ন

বিদ্যুৎ উৎপাদনে বর্তমান সরকার ইতোমধ্যে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছে। সরকারি ও বেসরকারি যৌথ উদ্যোগে বর্তমান সরকার বৃহৎ বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করে দেশের বিদ্যুতের চাহিদা পূরণ করতে সমর্থ হয়েছে। ফলে নাগরিক জীবনে স্বস্তি এবং উৎপাদন ক্ষেত্রে কর্মচাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে।

  1. ক)

    শিল্প কী?

    (1)
  2. খ)

    ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কীভাবে দেশের সুষম উন্নয়ন ঘটায়?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে সরকারের শিল্পনীতির কোন দিকটির প্রতিফলন ঘটেছে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে উল্লিখিত সরকারি নীতির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    কারখানাভিত্তিক ব্যবস্থায় কাঁচামাল বা প্রাথমিক দ্রব্যকে শ্রম ও যন্ত্রপাতির সাহায্যে প্রক্রিয়াজাত করে অধিকতর উপযোগী চূড়ান্ত দ্রব্যে রূপান্তর করার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে শিল্প বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প দেশের প্রতিটি অঞ্চলে, এমনকি প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলেও সহজে ও অল্প পুঁজিতে গড়ে তোলা যায়, যা আঞ্চলিক অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করতে সহায়তা করে। এ ধরনের শিল্পে স্থানীয় কাঁচামাল এবং পরিবারের সদস্যদের শ্রম কাজে লাগানো যায়, ফলে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতির চাকা সচল হয় এবং সার্বিকভাবে দেশের সুষম উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে সরকারের শিল্পনীতির 'সরকারি ও বেসরকারি অংশীদারিত্ব' (Public-Private Partnership - PPP) এবং 'অবকাঠামোগত খাতের উন্নয়ন' দিকটির প্রতিফলন ঘটেছে।

    বৃহৎ শিল্প স্থাপনা ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য বিপুল পরিমাণ মূলধন, প্রযুক্তি এবং দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের প্রয়োজন হয়, যা কেবল সরকারের একক তহবিলের ওপর চাপ তৈরি করে। জাতীয় শিল্পনীতিতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও যোগাযোগ খাতের মতো মৌলিক অবকাঠামো উন্নয়নে বেসরকারি খাতের মূলধন ও দক্ষতাকে অন্তর্ভুক্ত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। উদ্দীপকে সরকার যৌথ উদ্যোগে (সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ে) বৃহৎ বিদ্যুৎকেন্দ্র গড়ে তুলে জাতীয় চাহিদা পূরণ করেছে, যা আধুনিক শিল্পনীতির পিপিপি মডেলের বাস্তবায়ন নির্দেশ করে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে সরকারি-বেসরকারি যৌথ উদ্যোগে বিদ্যুৎ অবকাঠামো গড়ে তোলার নীতিটি জাতীয় অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত যথার্থ ও সময়োপযোগী।

    একটি দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি হলো নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ। সরকারি একা এ বিপুল ব্যয়ভার বহন করা কঠিন হওয়ায় বেসরকারি খাতকে সংযুক্ত করার সিদ্ধান্তটি যৌক্তিক হয়েছে। এর ইতিবাচক ফলাফলগুলো হলো:

    ১. শিল্পোৎপাদন বৃদ্ধি: পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ সরবরাহের ফলে কলকারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে না, ফলে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পেয়ে অর্থনৈতিক কর্মচাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।
    ২. বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ: বিদ্যুৎ সংকটের সমাধান হওয়ায় দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধি পেয়েছে।
    ৩. নাগরিক জীবনের মানোন্নয়ন: সাধারণ জনগণের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়েছে এবং স্বস্তি ফিরে এসেছে।

    সুতরাং, যৌথ উদ্যোগে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়িয়ে অর্থনৈতিক ভিত্তি সুদৃঢ় করার সরকারি নীতিটি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ যথার্থ ভূমিকা রেখেছে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন