যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র • Chattogram Board • চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২২
যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র প্রশ্ন
র্যামন ম্যাগসেসে, ২০২১ পুরস্কারপ্রাপ্ত বাংলাদেশের বিজ্ঞানী ড. ফেরদৌস কাদরী একজন গবেষক। সুসংবদ্ধ, সুশৃঙ্খল ও সুনিশ্চিত। জ্ঞান লাভের জন্য তিনি সারাজীবন প্রচেস্টা চালিয়েছেন। ব্যবহারিক জীবনে। গবেষণালব্ধ তথ্য সাধারণ মানুষের কল্যাণে প্রয়োগের কৌশলে সফল হয়েছেন। এতে সাধারণ মানুষের জীবন রক্ষা হয়েছে।
- ক)(1)
যুক্তিবিদ্যা কী?
- খ)(2)
যুক্তিবিদ্যা কেন আদর্শনিষ্ঠ বিদ্যা?
- গ)(3)
উদ্দীপকে নির্দেশিত বিষয়টি পাঠ্যপুস্তকের কোন বিষয়কে ইঙ্গিত করছে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকে নির্দেশিত বিষয়টির উপযোগিতা পাঠ্যপুস্তক অনুসারে মূল্যায়ন করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
যুক্তিবিদ্যা হলো সঠিক যুক্তিপদ্ধতি বা অনুমান এবং তার সহায়ক প্রক্রিয়া সংক্রান্ত বিদ্যা, যা সত্য অর্জন ও অসত্য বর্জনের লক্ষ্যে নিয়মাবলি নির্দেশ করে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
যে বিদ্যা কোনো আদর্শকে সামনে রেখে বিষয়বস্তুর মূল্যায়ন বা সত্যতা যাচাই করে, তাকে আদর্শনিষ্ঠ বিদ্যা বলে। যুক্তিবিদ্যা সত্যকে একটি পরম আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করে অবৈধ যুক্তি পরিহার এবং বৈধ যুক্তির সঠিক নিয়মাবলি প্রণয়ন করে। তাই যুক্তিবিদ্যাকে একটি আদর্শনিষ্ঠ বিদ্যা বলা হয়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে নির্দেশিত বিষয়টি পাঠ্যপুস্তকের যুক্তিবিদ্যার 'বিজ্ঞান' ও 'কলা' উভয় রূপের ধারণাকে নির্দেশ করছে, বিশেষ করে 'বিজ্ঞান ও কলার সমন্বয়' বিষয়টিকে ইঙ্গিত করছে।
বিজ্ঞান কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ের সুশৃঙ্খল ও সুনিশ্চিত জ্ঞান দান করে এবং কলা অর্জিত জ্ঞানকে বাস্তব বা ব্যবহারিক ক্ষেত্রে প্রয়োগের কৌশল শেখায়। উদ্দীপকে ড. ফেরদৌস কাদরী সারাজীবন সুসংবদ্ধ, সুশৃঙ্খল ও সুনিশ্চিত জ্ঞান লাভের প্রচেষ্টা চালিয়েছেন, যা বিজ্ঞানের স্বরূপ প্রকাশ করে। আবার তিনি তাঁর গবেষণালব্ধ জ্ঞানকে সাধারণ মানুষের কল্যাণে ব্যবহারিক জীবনে সফলভাবে প্রয়োগ করেছেন, যা কলার স্বরূপ প্রকাশ করে। সুতরাং, উদ্দীপকটি যুক্তিবিদ্যার বিজ্ঞান ও কলা উভয়ের সম্মিলিত রূপ বা ধারণাকে ইঙ্গিত করছে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে নির্দেশিত বিষয়টির (বিজ্ঞান ও কলা হিসেবে যুক্তিবিদ্যার সম্মিলন) উপযোগিতা মানবজীবনে অত্যন্ত ব্যাপক ও সুদূরপ্রসারী।
পাঠ্যপুস্তক অনুসারে, যুক্তিবিদ্যা শুধু তত্ত্বীয় জ্ঞান বা নিয়মাবলি দানকারী বিজ্ঞান নয়, বরং এটি সঠিক চিন্তনপদ্ধতিকে দৈনন্দিন জীবনের বিচার-বিশ্লেষণে প্রয়োগের একটি কলাবিদ্যাও বটে। এর উপযোগিতা নিম্নরূপ:
১. নির্ভুল চিন্তন: যুক্তিবিদ্যার তাত্ত্বিক জ্ঞান মানুষকে কুসংস্কার, অন্ধবিশ্বাস ও ভ্রান্ত ধারণা থেকে মুক্ত করে সঠিক এবং সুশৃঙ্খলভাবে চিন্তা করতে সহায়তা করে।
২. বাস্তব প্রয়োগ: কলাবিদ্যা হিসেবে যুক্তিবিদ্যার নিয়মাবলি বাস্তবে প্রয়োগ করার মাধ্যমে আমরা প্রাত্যহিক জীবনের বিভিন্ন জটিল যুক্তি ও তর্কের যৌক্তিকতা যাচাই করতে পারি।
৩. সিদ্ধান্ত গ্রহণ: ব্যবহারিক ক্ষেত্রে যুক্তিবিদ্যার কৌশল মানুষের বিচারবুদ্ধি শাণিত করে সঠিক ও বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত গ্রহণে পথ দেখায়, যেমনটি উদ্দীপকে বিজ্ঞানী কাদরীর গবেষণালব্ধ জ্ঞান মানুষের কল্যাণে ব্যবহৃত হয়েছে।অতএব, বিজ্ঞান ও কলার সমন্বিত রূপ হিসেবে যুক্তিবিদ্যার উপযোগিতা মানুষের ব্যক্তিগত, বুদ্ধিবৃত্তিক ও বাস্তব জীবনে অপরিহার্য।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও