‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Dhaka Board • ঢাকা বোর্ড ২০১৯

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন

দক্ষিণ এশিয়ার ৮টি দেশ নিয়ে একটি আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা গঠিত।

  1. ক)

    'OIC'র পূর্ণরূপ কী?

    (1)
  2. খ)

    বাংলাদেশের দুটি বৈদেশিক নীতি বর্ণনা করো।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে যে আঞ্চলিক সংস্থার কথা বলা হয়েছে তার উদ্দেশ্যাবলি বর্ণনা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    আঞ্চলিক সহযোগিতা ও শান্তি রক্ষায় উত্ত সংস্থাটির গুরুত্ব তুলে ধরো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    OIC-এর পূর্ণরূপ হলো Organisation of Islamic Cooperation (সংস্থার পূর্বনাম ছিল Organisation of the Islamic Conference)।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    বাংলাদেশের সংবিধানের ২৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বৈদেশিক নীতির দুটি মূল নীতি হলো:
    ১. "সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারও সাথে শত্রুতা নয়" (Friendship to all, malice towards none) নীতি অনুসরণ করে বিশ্বের সকল রাষ্ট্রের সাথে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বজায় রাখা।
    ২. সার্বভৌম সমতা, অন্যান্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তির নীতি মেনে চলা।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে দক্ষিণ এশিয়ার ৮টি দেশ নিয়ে গঠিত আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা 'সার্ক' (SAARC - South Asian Association for Regional Cooperation)-এর কথা বলা হয়েছে।
    সার্ক সনদের ১ম ধারা অনুযায়ী এর প্রধান উদ্দেশ্যাবলি হলো:
    ১. দক্ষিণ এশিয়ার জনগণের কল্যাণ সাধন ও তাদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন করা।
    ২. অঞ্চলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, সামাজিক অগ্রগতি এবং সাংস্কৃতিক বিকাশ ত্বরান্বিত করা।
    ৩. দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সমষ্টিগত আত্মনির্ভরশীলতা বৃদ্ধি ও দৃঢ় করা।
    ৪. পারস্পরিক বিশ্বাস, সমঝোতা এবং পরস্পরের সমস্যা মূল্যায়নে অবদান রাখা।
    ৫. অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, প্রযুক্তিগত এবং বৈজ্ঞানিক ক্ষেত্রে সক্রিয় সহযোগিতা ও পারস্পরিক সহায়তা জোরদার করা।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক সহযোগিতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় সার্কের ভূমিকা অপরিসীম। ১৯৮৫ সালে গঠিত এ সংস্থাটি ভৌগোলিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
    ১. বিরোধ নিরসনে সংলাপের সুযোগ: সার্কভুক্ত সদস্য রাষ্ট্রগুলোর (বিশেষ করে ভারত ও পাকিস্তান) মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী দ্বন্দ্বের মধ্যেও সার্ক শীর্ষ সম্মেলনের পার্শ্ববৈঠকে শীর্ষ নেতারা দ্বিপক্ষীয় বিষয় নিয়ে আলোচনার প্ল্যাটফর্ম পান।
    ২. অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও বাণিজ্য বৃদ্ধি: সার্কের আওতায় সাফটা (SAFTA) চুক্তির মাধ্যমে শুল্কমুক্ত ও অবাধ বাণিজ্য প্রসারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা আঞ্চলিক অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা বাড়াতে সহায়ক।
    ৩. সাধারণ সমস্যার যৌথ মোকাবিলা: সন্ত্রাসবাদ দমন, মানবপাচার প্রতিরোধ, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে 'সার্ক খাদ্য ব্যাংক' প্রতিষ্ঠা এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
    ৪. শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন: দক্ষিণ এশীয় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ের মাধ্যমে সদস্য দেশগুলোর জনগণের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ ও পারস্পরিক আস্থা গড়ে উঠেছে।
    পরিশেষে, কিছু দ্বিপক্ষীয় রাজনৈতিক টানাপোড়েনের কারণে এর কার্যকারিতা বাধাগ্রস্ত হলেও দক্ষিণ এশিয়ায় স্থায়ী শান্তি ও সহযোগিতার ক্ষেত্র বিনির্মাণে সার্কের গুরুত্ব অপরিসীম।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন