ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র • Dhaka Board • ঢাকা বোর্ড ২০১৬

ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র প্রশ্ন

মাহী সাত জন উদ্যোক্তা নিয়ে পদ্মা লি. নামে একটি যৌথ মূলধনী কোম্পানি গঠন করে। কোম্পানির স্মারকলিপিতে ২০ কোটি টাকা মূলধনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যা ১,০০০ টাকা মূল্যের সাধারণ শেয়ারে বিভক্ত। কোম্পানি গঠনের পাঁচ বছর পর মেঘনা লি. কোম্পানি পদ্মা লি. কোম্পানির ৫৫% শেয়ার কিনে নেয়। ফলে মেঘনা কোং পদ্মা লি. কোম্পানির অধিকাংশ পরিচালক নিয়োগের ক্ষমতা লাভ করে।

  1. ক)

    পাবলিক লি. কোম্পানির ন্যূনতম পরিচালক সংখ্যা কত?

    (1)
  2. খ)

    কোম্পানি সংগঠন কীভাবে মূলধন গঠনে ভূমিকা রাখে?

    (2)
  3. গ)

    সূত্রের সাহায্যে পদ্মা লি. কোম্পানির বর্তমান শেয়ারসংখ্যা নির্ণয় করো।

    (3)
  4. ঘ)

    পদ্মা লি. কোম্পানি ও মেঘনা লি. কোম্পানির মধ্যে পার্থক্য বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    বাংলাদেশে প্রচলিত ১৯৯৪ সালের কোম্পানি আইন অনুযায়ী পাবলিক লিমিটেড কোম্পানির ন্যূনতম পরিচালক সংখ্যা ৩ (তিন) জন।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    কোম্পানি সংগঠন সমাজের ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সঞ্চয়কে সাধারণ শেয়ার ও ঋণপত্র বিক্রয়ের মাধ্যমে একত্রিত করে বৃহৎ মূলধন তহবিল গঠন করে। কোম্পানির সীমিত দায়, সহজ শেয়ার হস্তান্তরযোগ্যতা এবং আকর্ষণীয় লভ্যাংশের সুযোগ থাকায় জনগণ সঞ্চিত অর্থ বিনিয়োগে উৎসাহিত হয়, যা দেশের সামগ্রিক মূলধন গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    পদ্মা লি.-এর অনুমোদিত মোট শেয়ারসংখ্যা নির্ণয়ের সূত্র হলো:
    শেয়ারসংখ্যা = মোট অনুমোদিত মূলধন ÷ প্রতিটি শেয়ারের অভিহিত মূল্য

    উদ্দীপকের তথ্য অনুযায়ী:
    পদ্মা লি.-এর মোট মূলধন = ২০ কোটি টাকা = ২০,০০,০০,০০০ টাকা
    প্রতিটি শেয়ারের মূল্য = ১,০০০ টাকা

    অতএব, পদ্মা লি.-এর বর্তমান শেয়ারসংখ্যা = ২০,০০,০০,০০০ ÷ ১,০০০ = ২,০০,০০০ (দুই লক্ষ) টি।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে উল্লিখিত পদ্মা লি. হলো একটি 'অধীনস্থ বা সাবসিডিয়ারি কোম্পানি' এবং মেঘনা লি. হলো একটি 'হোল্ডিং বা নিয়ন্ত্রণকারী কোম্পানি'। এদের মধ্যে মৌলিক পার্থক্যগুলো নিচে বিশ্লেষণ করা হলো:

    ১. সংজ্ঞাগত পার্থক্য: যে কোম্পানির ৫০%-এর অধিক শেয়ার বা ভোটাধিকার অন্য কোনো কোম্পানি নিয়ন্ত্রণ করে, তাকে সাবসিডিয়ারি কোম্পানি (পদ্মা লি.) বলে। পক্ষান্তরে, যে কোম্পানি অন্য কোনো কোম্পানির ৫০%-এর অধিক শেয়ার ধারণ বা অধিকাংশ পরিচালক নিয়োগের ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ করে, তাকে হোল্ডিং কোম্পানি (মেঘনা লি.) বলে।
    ২. শেয়ার ধারণ: পদ্মা লি.-এর মোট শেয়ারের ৫৫% শেয়ার মেঘনা লি.-এর মালিকানায় রয়েছে। ফলে পদ্মা লি. হলো নিয়ন্ত্রিত এবং মেঘনা লি. হলো নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান।
    ৩. পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা: মেঘনা লি. পদ্মা লি.-এর অধিকাংশ পরিচালক নিয়োগের আইনগত ক্ষমতা অর্জন করায় পদ্মা লি.-এর পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত গ্রহণে মেঘনা লি.-এর সরাসরি প্রভাব ও চূড়ান্ত নিয়ন্ত্রণ বজায় থাকে।
    ৪. স্বাধীন সত্তা: আইনগত দৃষ্টিতে উভয়েই পৃথক কৃত্রিম ব্যক্তিসত্তার অধিকারী হলেও কৌশলগত ও নীতিগত সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে সাবসিডিয়ারি কোম্পানি হিসেবে পদ্মা লি. হোল্ডিং কোম্পানি মেঘনা লি.-এর সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভরশীল।

    সুতরাং, শেয়ারের মালিকানা এবং পরিচালনার নিয়ন্ত্রণের দিক থেকে পদ্মা লি. ও মেঘনা লি.-এর মধ্যে সাবসিডিয়ারি ও হোল্ডিং কোম্পানির সম্পর্কভিত্তিক সুস্পষ্ট পার্থক্য বিদ্যমান।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন