ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র • Chattogram Board • চট্টগ্রাম বোর্ড ২০১৬

ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র প্রশ্ন

জনাব কাশেম একজন স্বনামধন্য লেখক। সম্প্রতি তার লেখা নিবন্ধিত একটি বই বাজারে পাঠকদের মাঝে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। বইয়ের ঘাটতি দেখে মি. আলম তার প্রকাশনা থেকে জনাব কাশেমকে না জানিয়ে বইটি পুনঃপ্রকাশ করে বাজারে ছাড়েন। এতে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত হন এবং মি. আলমের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

  1. ক)

    BIMSTEC কী?

    (1)
  2. খ)

    EU কেন গঠন করা হয়েছিল? ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    মি. আলম বাংলাদেশে প্রচলিত কোন ব্যবসায়িক আইন লঙ্ঘন করেন? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    জনাব কাশেম কি দেওয়ানি আইনের মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ পাবেন? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি প্রদর্শন করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    BIMSTEC হলো বঙ্গোপসাগর অঞ্চলের দেশগুলোর সমন্বয়ে গঠিত একটি আঞ্চলিক অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা সংস্থা (Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Cooperation)।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, বাণিজ্য সহজীকরণ এবং একক বাজার সৃষ্টির লক্ষ্যে EU (European Union) গঠন করা হয়েছিল।

    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপীয় দেশগুলো নিজেদের অভ্যন্তরীণ সীমানা শুল্কমুক্তকরণ, অভিন্ন মুদ্রা ব্যবস্থা প্রবর্তন এবং সামগ্রিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংহতি জোরদার করতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন গঠন করে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    মি. আলম বাংলাদেশে প্রচলিত 'কপিরাইট আইন, ২০০০' (সংশোধিত ২০০৫) লঙ্ঘন করেছেন।

    কপিরাইট হলো সাহিত্য, শিল্প বা বুদ্ধিবৃত্তিক কাজের স্রষ্টার তাঁর সৃষ্টির ওপর আইনগত একচ্ছত্র অধিকার। প্রণেতার অনুমতি ব্যতীত তাঁর কোনো কর্মের পুনঃপ্রকাশ, মুদ্রণ বা বাণিজ্যিক ব্যবহার কপিরাইট আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ।

    উদ্দীপকে জনাব কাশেমের নিবন্ধিত বইটির ব্যাপক চাহিদা দেখে মি. আলম লেখকের কোনো রূপ পূর্বানুমতি ছাড়াই প্রকাশনা থেকে বইটি পুনঃপ্রকাশ করেন। লেখকের অনুমতি ব্যতিরেকে বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ বাণিজ্যিক স্বার্থে ব্যবহার করায় মি. আলম দেশের কপিরাইট আইন প্রত্যক্ষভাবে লঙ্ঘন করেছেন।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    হ্যাঁ, জনাব কাশেম দেওয়ানি আইনের মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ পাবেন; নিম্নে এর সপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করা হলো:

    বাংলাদেশে প্রচলিত কপিরাইট আইনের আওতায় কোনো ব্যক্তি অন্যের স্বত্বাধিকার লঙ্ঘন করলে ক্ষতিগ্রস্ত স্বত্বাধিকারী দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় প্রতিকার পেতে পারেন। কপিরাইট আইনের দেওয়ানি প্রতিকার সংক্রান্ত বিধান অনুযায়ী, অধিকার লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা জারির পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণ ও মুনাফার হিসাব প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন।

    উদ্দীপকে জনাব কাশেমের নিবন্ধিত বইটি মি. আলম অননুমোদিতভাবে প্রকাশ করায় জনাব কাশেম আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং মি. আলমের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। যেহেতু কাশেম সাহেব একজন নিবন্ধিত স্বত্বাধিকারী, তাই দেওয়ানি আদালতের মাধ্যমে তিনি মি. আলমের অনুমোদনহীন বিক্রয়লব্ধ আয় বাজেয়াপ্তকরণ এবং তার সৃষ্ট আর্থিক ক্ষতির সমপরিমাণ ক্ষতিপূরণ পাওয়ার আইনগত পূর্ণ অধিকার রাখেন।

    অতএব, যথাযথ প্রমাণসাপেক্ষে দেওয়ানি আদালতের মাধ্যমে জনাব কাশেমের ক্ষতিপূরণ প্রাপ্তি আইনসম্মত ও নিশ্চিত।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন