‍অর্থনীতি ১ম পত্র • Rajshahi Board • রাজশাহী বোর্ড ২০১৬

‍অর্থনীতি ১ম পত্র প্রশ্ন

চাহিদা সমীকরণঃ D = ২০ – ২Pযোগানের সমীকরণ S = - ৪ +২P এখানে P = দাম, D = চাহিদার পরিমাণ, S = যোগানের পরিমাণ।

  1. ক)

    প্রান্তিক উপযোগ বলতে কী বোঝ?

    (1)
  2. খ)

    “দামের সাথে যোগানের পরিমাণের সম্পর্ক প্রত্যক্ষ বা সমমুখীন'-ধারণাটি বুঝিয়ে লেখ।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে উল্লিখিত চাহিদা সমীকরণ হতে চাহিদা রেখা অংকন করো।

    (3)
  4. ঘ)

    দাম যখন ৪ টাকা হয়, তখন উদ্দীপকের আলোকে বাজারে কী ধরনের প্রভাব পড়ে তা ব্যাখ্যা করো ।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    কোনো দ্রব্যের অতিরিক্ত এক একক ভোগের পরিবর্তনের ফলে মোট উপযোগের যে পরিবর্তন ঘটে, তাকে প্রান্তিক উপযোগ (Marginal Utility) বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    অন্যান্য অবস্থা অপরিবর্তিত থাকলে কোনো দ্রব্যের দাম বাড়লে তার যোগানের পরিমাণ বাড়ে এবং দাম কমলে যোগানের পরিমাণ কমে।

    বিক্রেতা বা উৎপাদনকারীর মূল লক্ষ্য থাকে মুনাফা সর্বোচ্চকরণ। দ্রব্যের দাম বৃদ্ধি পেলে বিক্রয়লব্ধ মুনাফার সম্ভাবনা বেড়ে যায়, ফলে উৎপাদক বাজারে বেশি পরিমাণ দ্রব্য সরবরাহ করে। বিপরীতভাবে দাম কমে গেলে মুনাফা কমে যাওয়ার আশঙ্কায় যোগান হ্রাস পায়। দাম এবং যোগানের পরিমাণের এই একই দিকে পরিবর্তনের প্রবণতার কারণেই এদের মধ্যে প্রত্যক্ষ বা সম্মুখী (positive/direct) সম্পর্ক বিদ্যমান।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে প্রদত্ত চাহিদা সমীকরণটি হলো:
    D=২০−২PD = ২০ - ২P

    এখানে, বিভিন্ন দামে চাহিদার পরিমাণ নির্ণয় করে একটি চাহিদা সূচি তৈরি করি:

    • যখন দাম P=১P = ১ টাকা, তখন D=২০−২(১)=১৮D = ২০ - ২(১) = ১৮ একক।
    • যখন দাম P=২P = ২ টাকা, তখন D=২০−২(২)=১৬D = ২০ - ২(২) = ১৬ একক।
    • যখন দাম P=৩P = ৩ টাকা, তখন D=২০−২(৩)=১৪D = ২০ - ২(৩) = ১৪ একক।

    চাহিদা সূচি:

    দাম (PP) (টাকা)চাহিদার পরিমাণ (DD) (একক)
    ১১৮
    ২১৬
    ৩১৪

    চাহিদা রেখা অঙ্কন ও ব্যাখ্যা:
    ভূমি অক্ষে চাহিদার পরিমাণ (DD) এবং লম্ব অক্ষে দ্রব্যের দাম (PP) পরিমাপ করি। সূচি অনুযায়ী, দাম ১ টাকা হলে চাহিদা ১৮ একক (বিন্দু aa); দাম বেড়ে ২ টাকা হলে চাহিদা কমে ১৬ একক (বিন্দু bb); এবং দাম বেড়ে ৩ টাকা হলে চাহিদা কমে ১৪ একক (বিন্দু cc)। এখন aa, bb, ও cc বিন্দুগুলো যোগ করে একটি নিম্নগামী রেখা পাওয়া যায়, যা হলো নির্ণেয় চাহিদা রেখা (DD′DD')। রেখাটি বাম থেকে ডানে নিম্নগামী, যা দাম ও চাহিদার বিপরীতমুখী সম্পর্ক প্রকাশ করে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের সমীকরণদ্বয় হলো:
    চাহিদা সমীকরণ: D=২০−২PD = ২০ - ২P
    যোগান সমীকরণ: S=−৪+২PS = -৪ + ২P

    দাম যখন P=৪P = ৪ টাকা হয়, তখন:
    চাহিদার পরিমাণ, D=২০−২(৪)=২০−৮=১২D = ২০ - ২(৪) = ২০ - ৮ = ১২ একক।
    যোগানের পরিমাণ, S=−৪+২(৪)=−৪+৮=৪S = -৪ + ২(৪) = -৪ + ৮ = ৪ একক।

    এখানে দেখা যাচ্ছে যে, ৪৪ টাকা দামে চাহিদার পরিমাণ (১২১২ একক) যোগানের পরিমাণের (৪৪ একক) চেয়ে বেশি, অর্থাৎ D>SD > S।
    ফলে বাজারে অতিরিক্ত চাহিদা (Excess Demand) বা ঘাটতি সৃষ্টি হয়, যার পরিমাণ হলো (১২−৪১২ - ৪) = ৮৮ একক।

    বাজারে প্রভাব:
    ১. দ্রব্যের ঘাটতি: বাজারে ক্রেতাদের চাহিদার তুলনায় যোগান কম থাকায় ক্রেতারা তাদের কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ দ্রব্য ক্রয় করতে পারবে না।
    ২. দাম বৃদ্ধির চাপ: বাজারে দ্রব্যের ঘাটতি বা অতিরিক্ত চাহিদা থাকার কারণে ক্রেতাদের মধ্যে প্রতিযোগিতা শুরু হবে, যার ফলে দ্রব্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী হবে এবং দাম বৃদ্ধির প্রবণতা দেখা দেবে।
    ৩. ভারসাম্য অর্জন: দাম বৃদ্ধি পেয়ে যতক্ষণ না পর্যন্ত ভারসাম্য দাম (P=৬P = ৬ টাকা, যেখানে D=S=৮D = S = ৮ একক) এ পৌঁছাবে, ততক্ষণ দাম বাড়তে থাকবে।

    অতএব, দাম ৪ টাকা হলে বাজারে দ্রব্যের তীব্র ঘাটতি দেখা দেবে এবং দাম বৃদ্ধির চাপ সৃষ্টি হবে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন