‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Chattogram Board • চট্টগ্রাম বোর্ড ২০১৭

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন

কর্মস্থলে যাওয়ার পথে দুর্ঘটনায় আহত হয় শফিক। তার অপারেশনের জন্য রক্তের প্রয়োজন। এই রক্ত দেয় তারই প্রবাসী বন্ধু সিয়াম। শফিক সুস্থ হয়ে ওঠে। কিন্তু কিছু দিন পর শফিকের ওজন কমে যাওয়া শুরু করে। দীর্ঘদিন ধরে পাতলা পায়খানা ও শুকনা কাঁশি হচ্ছে। সে ডাক্তারের শরণাপন্ন হলো এবং জানতে পারল যে, সে এক মরণ ব্যাধিতে আক্রান্ত।

  1. ক)

    জলবায়ু পরিবর্তন কাকে বলে?

    (1)
  2. খ)

    গ্রীন হাউজ ইফেক্ট কীভাবে জলবায়ুর পরিবর্তন করে ?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের শফিক কোন ধরনের মরণব্যাধিতে আক্রান্ত হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে উল্লিখিত শফিক যে মরণব্যাধিতে আক্রান্ত এর থেকে মুক্তির জন্য তুমি কী কী সুপারিশ করবে?

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    দীর্ঘ সময় ধরে (সাধারণত ৩০ থেকে ৩৫ বছর বা তার বেশি) কোনো অঞ্চলের বা সমগ্র পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত ও আবহাওয়ার অন্যান্য উপাদানের স্থায়ী ও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনকে জলবায়ু পরিবর্তন বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন, সিএফসি ইত্যাদি গ্রিনহাউস গ্যাসের পরিমাণ বৃদ্ধির ফলে এরা সূর্য থেকে আসা তাপকে আটকে রাখে এবং পুনরায় মহাশূন্যে ফিরে যেতে দেয় না। এর ফলে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়, যাকে বিশ্ব উষ্ণায়ন বলে। এই উষ্ণায়নের প্রভাবেই জলবায়ুর স্বাভাবিক চক্র ব্যাহত হয় এবং জলবায়ু পরিবর্তিত হয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের শফিক 'এইডস' (AIDS) নামক মরণব্যাধিতে আক্রান্ত হয়েছে।

    এইডস হলো এইচআইভি (Human Immunodeficiency Virus) দ্বারা সৃষ্ট একটি রোগ, যা মানবদেহের প্রাকৃতিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে ধীরে ধীরে ধ্বংস করে দেয়। এর লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে দ্রুত শরীরের ওজন হ্রাস পাওয়া, দীর্ঘদিন ধরে পাতলা পায়খানা ও শুকনো কাশি থাকা ইত্যাদি। উদ্দীপকে শফিক অপারেশনের সময় তার প্রবাসী বন্ধুর কাছ থেকে রক্ত গ্রহণ করার কিছুদিন পর এ ধরনের লক্ষণগুলোর সম্মুখীন হয় এবং জানতে পারে সে এক মরণব্যাধিতে আক্রান্ত। এইচআইভি সংক্রামিত রক্ত পরিসঞ্চালনের মাধ্যমেই শফিক এই রোগে আক্রান্ত হয়েছে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে উল্লিখিত শফিক যে এইডস রোগে আক্রান্ত হয়েছে, তা অত্যন্ত মারাত্মক এবং এর কোনো নিরাময়যোগ্য চিকিৎসা বা টিকা নেই। তবে এর বিস্তার রোধ ও মুক্তির জন্য নিম্নলিখিত সুপারিশসমূহ করা যেতে পারে:

    ১. নিরাপদ রক্ত পরিসঞ্চালন: রক্ত দেওয়ার পূর্বে রক্তদাতার রক্ত এইচআইভিমুক্ত কি না তা বাধ্যতামূলকভাবে পরীক্ষা (স্ক্রিনিং) করতে হবে।
    ২. নিরাপদ ইনজেকশন সিরিঞ্জ ব্যবহার: কোনো অবস্থাতেই অন্যের ব্যবহৃত সিরিঞ্জ ও সূচ পুনরায় ব্যবহার করা যাবে না; প্রতিবার ডিসপোজেবল সিরিঞ্জ ব্যবহার করতে হবে।
    ৩. ধর্মীয় ও সামাজিক অনুশাসন মেনে চলা: অনৈতিক ও অনিরাপদ শারীরিক সম্পর্ক থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকতে হবে।
    ৪. ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্টি: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম ও সামাজিক প্ল্যাটফর্মে এইডসের সংক্রমণ মাধ্যম এবং প্রতিকার সম্পর্কে সঠিক ধারণা ছড়িয়ে দিতে হবে।
    ৫. সংক্রামিতদের চিকিৎসার আওতায় আনা: আক্রান্তদের অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল থেরাপির (ART) মাধ্যমে ভাইরাল লোড নিয়ন্ত্রণে রেখে জীবনকাল বৃদ্ধি করা এবং অন্যকে সংক্রামিত করার ঝুঁকি হ্রাস করা।
    এসব প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা কঠোরভাবে অনুসরণের মাধ্যমেই এই মরণব্যাধি থেকে ব্যক্তি ও সমাজকে রক্ষা করা সম্ভব।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন