অর্থনীতি ২য় পত্র • Rajshahi Board • রাজশাহী বোর্ড ২০২১

অর্থনীতি ২য় পত্র প্রশ্ন

দেশের শিল্প কলকারখানা গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকার EPZ গঠন, শিল্প ঋণ প্রদান, বিদ্যুৎ সরবরাহ, কারিগরি জ্ঞান প্রসারসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। ফলে তৈরি পোশাক, ওষুধ, প্লাস্টিক সামগ্রীসহ বহুপণ্য বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে।

  1. ক)

    বৈদেশিক সাহায্য কী?

    (1)
  2. খ)

    আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংঘটিত হয় কেন?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে উল্লিখিত কর্মসূচি রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণে কীরূপ ভূমিকা পালন করছে?

    (3)
  4. ঘ)

    দেশের রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণে আর কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে? বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    এক দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন বা সংকট মোকাবেলার জন্য অন্য কোনো দেশ বা আন্তর্জাতিক সংস্থা কর্তৃক সহজ শর্তে প্রদত্ত অনুদান, ঋণ বা কারিগরি সহায়তাকে বৈদেশিক সাহায্য বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    বিভিন্ন দেশের মধ্যে প্রাকৃতিক সম্পদের অসম বণ্টন, উৎপাদন খরচের তারতম্য এবং বিশেষায়নের পার্থক্যের কারণে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংঘটিত হয়। কোনো দেশই তার প্রয়োজনীয় সকল দ্রব্য কম খরচে বা সুবিধাজনকভাবে একা উৎপাদন করতে পারে না। ফলে তুলনামূলক কম খরচে উৎপাদিত পণ্য রপ্তানি এবং তুলনামূলক বেশি খরচে উৎপাদিত পণ্য আমদানি করার মাধ্যমে জাতীয় কল্যাণ বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংঘটিত হয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে উল্লিখিত পদক্ষেপসমূহ দেশে শিল্প উৎপাদন বৃদ্ধি ও রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণে অত্যন্ত প্রত্যক্ষ ও ইতিবাচক ভূমিকা পালন করছে।

    সরকার কর্তৃক রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (EPZ) গঠন করায় বিদেশি ও স্থানীয় বিনিয়োগকারীরা কর অবকাশ, শুল্কমুক্ত কাঁচামাল আমদানিসহ নানাবিধ সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছে, যা রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠাকে ত্বরান্বিত করেছে। এছাড়া শিল্প ঋণ প্রদান উদ্যোক্তাদের মূলধন সংকট দূর করছে এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ কারখানার নিরবচ্ছিন্ন উৎপাদন নিশ্চিত করছে। কারিগরি জ্ঞানের প্রসার শ্রমিকদের উৎপাদনশীলতা ও পণ্যের গুণগত মান বাড়িয়েছে। এসব অবকাঠামোগত ও নীতিগত সহায়তার ফলে দেশে তৈরি পোশাক, ওষুধ ও প্লাস্টিক সামগ্রীর মতো বৈচিত্র্যময় পণ্য আন্তর্জাতিক মানে উৎপাদিত হচ্ছে এবং বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    দেশের রপ্তানি বাণিজ্যকে আরো শক্তিশালী ও টেকসই করতে উদ্দীপকে বর্ণিত পদক্ষেপের পাশাপাশি নিম্নোক্ত ব্যবস্থাগুলো গ্রহণ করা আবশ্যক:

    ১. রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণ: একক পণ্যের (যেমন- তৈরি পোশাক) ওপর নির্ভরতা কমিয়ে চামড়াজাত পণ্য, পাটজাত পণ্য, সফটওয়্যার ও কৃষিজাত প্রক্রিয়াজাত পণ্যের রপ্তানি সম্প্রসারণ করা।
    ২. নতুন বাজার অনুসন্ধান: উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপের বাইরে আফ্রিকা, ল্যাটিন আমেরিকা ও এশিয়ার সম্ভাবনাময় দেশগুলোতে বাণিজ্যিক সম্পর্ক গড়ে তোলা।
    ৩. বন্দর ও লজিস্টিকস আধুনিকায়ন: চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দরসহ স্থলবন্দরগুলোর পণ্য খালাস ও ছাড়করণ প্রক্রিয়া দ্রুত এবং স্বয়ংক্রিয় করা।
    ৪. মান নিয়ন্ত্রণ ও সার্টিফিকেশন: আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন টেস্টিং ল্যাব ও সার্টিফিকেশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করে পণ্যের গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি করা।
    ৫. দ্বিপাক্ষিক ও মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA): বিভিন্ন উন্নয়নশীল ও উন্নত দেশের সাথে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার নিশ্চিতে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করা।

    পরিশেষে বলা যায়, কেবল অভ্যন্তরীণ উৎপাদন সুবিধাই নয়, আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও লজিস্টিকস ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটিয়ে দীর্ঘমেয়াদি কৌশল গ্রহণ করলে রপ্তানি বাণিজ্য বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন