পদার্থ বিজ্ঞান ১ম পত্র • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০১৬

পদার্থ বিজ্ঞান ১ম পত্র প্রশ্ন

কোনো একদিন রাজশাহীর তাপমাত্রা 35 °C এবং আপেক্ষিক আর্দ্রতা 50%। একই সময়ে কক্সবাজারে স্থাপিত একটি হাইগ্রোমিটারের শুষ্ক থার্মোমিটারের পাঠ 35. °C এবং আর্দ্র থার্মোমিটারের পাঠ 30 °C। 35 °C তাপমাত্রায় গ্লেইসারের উৎপাদক এর মান 1.60। 26°C, 28°C এবং 35 °C তাপমাত্রায় । সম্পৃক্ত জলীয়বাষ্পের চাপ যথাক্রমে 25.21, 28.35 এবং 42.16 mm পারদ।

  1. ক)

    স্থিতিস্থাপক গুণাঙ্ক কাকে বলে?

    (1)
  2. খ)

    সব দোলক সরল দোলক নয়- ব্যাখ্যা কর।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপক অনুসারে কক্সবাজারে শিশিরাঙ্ক নির্ণয় কর।

    (3)
  4. ঘ)

    একই তাপমাত্রা হওয়া সত্ত্বেও রাজশাহীর চেয়ে কক্সবাজারে কোনো ব্যক্তির অধিক অস্বস্তি অনুভব করার কারণ কী- গাণিতিক বিশ্লেষণপূর্বক মতামত দাও।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    স্থিতিস্থাপক সীমার মধ্যে কোনো বস্তুর পীড়ন ও বিকৃতির অনুপাত একটি ধ্রুব সংখ্যা। এই ধ্রুব সংখ্যাকে বস্তুটির উপাদানের স্থিতিস্থাপক গুণাঙ্ক বা স্থিতিস্থাপক মাত্রা বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    একটি ভারী আয়তনহীন বস্তু বা কণা যদি অপ্রসার্য, নমনীয় এবং ভারহীন সুতার সাহায্যে কোনো দৃঢ় অবলম্বন থেকে ঝুলে স্বাধীনভাবে দুলতে পারে, তবে তাকে আদর্শ সরল দোলক বলা হয়। কিন্তু বাস্তবক্ষেত্রে যেসব দোলক ব্যবহার করা হয়, তাদের বব পুরোপুরি বিন্দু বা আয়তনহীন এবং ভরহীন নয় এবং সুতাও সম্পূর্ণ ভারহীন বা অপ্রসার্য নয়। এছাড়া একটি সরল দোলককে সরল স্পন্দন সম্পন্ন হতে হলে এর কৌণিক বিস্তার 4∘4^\circ-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে হয়। যদি কৌণিক বিস্তার 4∘4^\circ-এর চেয়ে বেশি হয় তবে এর গতি আর সরল রৈখিক সরল ছন্দিত স্পন্দন থাকে না। এজন্য ব্যবহারিক সকল দোলকই দোলক হলেও আদর্শ সরল দোলক নয়। তাই বলা যায়, সব দোলক সরল দোলক নয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    দেওয়া আছে,\nকক্সবাজারে শুষ্ক বাল্ব থার্মোমিটারের পাঠ, θ1=35∘C\theta_1 = 35^\circ\text{C}\nআর্দ্র বাল্ব থার্মোমিটারের পাঠ, θ2=30∘C\theta_2 = 30^\circ\text{C}\n35∘C35^\circ\text{C} তাপমাত্রায় গ্লেইসারের উৎপাদক, G=1.60G = 1.60\n\nকক্সবাজারের শিশিরাঙ্ক θ\theta হলে গ্লেইসারের সূত্রানুসারে,\nθ=θ1−G(θ1−θ2)\theta = \theta_1 - G(\theta_1 - \theta_2)\n⇒θ=35−1.60×(35−30)\Rightarrow \theta = 35 - 1.60 \times (35 - 30)\n⇒θ=35−1.60×5\Rightarrow \theta = 35 - 1.60 \times 5\n⇒θ=35−8=27∘C\Rightarrow \theta = 35 - 8 = 27^\circ\text{C}\n\nঅতএব, উদ্দীপক অনুসারে কক্সবাজারে শিশিরাঙ্ক 27∘C27^\circ\text{C}।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    কোনো স্থানে কোনো ব্যক্তির অস্বস্তি মূলত বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতার ওপর নির্ভর করে। আপেক্ষিক আর্দ্রতা বেশি হলে শরীর থেকে ঘাম সহজে বাষ্পীভূত হতে পারে না, ফলে ব্যক্তি বেশি অস্বস্তি অনুভব করেন।\n\nউদ্দীপক অনুযায়ী:\nরাজশাহীতে:\nতাপমাত্রা = 35∘C35^\circ\text{C}\nআপেক্ষিক আর্দ্রতা, R1=50%R_1 = 50\%\n\nকক্সবাজারে:\nবায়ুর তাপমাত্রা, θ=35∘C\theta = 35^\circ\text{C}\n'গ' হতে পাই, শিশিরাঙ্ক = 27∘C27^\circ\text{C}\n35∘C35^\circ\text{C} তাপমাত্রায় সম্পৃক্ত জলীয়বাষ্প চাপ, F=42.16 mm (Hg)F = 42.16\text{ mm (Hg)}\n\n26∘C26^\circ\text{C} ও 28∘C28^\circ\text{C} তাপমাত্রায় সম্পৃক্ত বাষ্পচাপ যথাক্রমে 25.21 mm25.21\text{ mm} এবং 28.35 mm28.35\text{ mm}।\nসুতরাং, (28−26)=2∘C(28 - 26) = 2^\circ\text{C} তাপমাত্রা বৃদ্ধির জন্য চাপ বৃদ্ধি = (28.35−25.21) mm=3.14 mm(28.35 - 25.21)\text{ mm} = 3.14\text{ mm}\n1∘C1^\circ\text{C} বৃদ্ধির জন্য চাপ বৃদ্ধি = 3.142=1.57 mm\frac{3.14}{2} = 1.57\text{ mm}\nঅতএব, শিশিরাঙ্ক 27∘C27^\circ\text{C}-এ সম্পৃক্ত জলীয়বাষ্প চাপ (ff) হবে:\nf=25.21+1.57=26.78 mm (Hg)f = 25.21 + 1.57 = 26.78\text{ mm (Hg)}\n\nসুতরাং, কক্সবাজারের আপেক্ষিক আর্দ্রতা,\nR2=fF×100%=26.7842.16×100%≈63.52%R_2 = \frac{f}{F} \times 100\% = \frac{26.78}{42.16} \times 100\% \approx 63.52\%\n\nদেখা যাচ্ছে যে, উভয় স্থানে তাপমাত্রা একই (35∘C35^\circ\text{C}) হওয়া সত্ত্বেও কক্সবাজারের আপেক্ষিক আর্দ্রতা (63.52%63.52\%) রাজশাহীর আপেক্ষিক আর্দ্রতা (50%50\%) অপেক্ষা বেশি। আপেক্ষিক আর্দ্রতা বেশি থাকার কারণে কক্সবাজারে শরীরের ঘামের বাষ্পায়ন হার কম হবে এবং শীতলীকরণ প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হবে। ফলে একই তাপমাত্রায় রাজশাহীর চেয়ে কক্সবাজারে কোনো ব্যক্তি অধিক অস্বস্তি অনুভব করবেন।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন