অর্থনীতি ২য় পত্র • Chattogram Board • চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২২

অর্থনীতি ২য় পত্র প্রশ্ন

২০১৮-২০১৯ এবং ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে উল্লেখযোগ্য কিছু প্রাথমিক ও শিল্পজাত পণ্যের আমদানি ও রপ্তানি তালিকা নিম্নের দেওয়া হলো:

  1. ক)

    প্রকল্প সাহায্য কী?

    (1)
  2. খ)

    “বিশ্বায়ন প্রযুক্তির বিকাশ ঘটায়”—ব্যাখ্যা কর।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপক থেকে আমদানি ও রপ্তানি পণ্যের তালিকা তৈরি কর।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকের তথ্যের আলোকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের পরিবর্তনের ধারা বিশ্লেষণ কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    কোনো নির্দিষ্ট উন্নয়ন প্রকল্প বা অবকাঠামোগত কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে শর্তাধীনে বা শর্তহীনভাবে যে বৈদেশিক সাহায্য বা ঋণ পাওয়া যায়, তাকে প্রকল্প সাহায্য বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    বিশ্বায়ন হলো সমগ্র বিশ্বকে একটি একক বাজারে পরিণত করার প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের মধ্যে তথ্য, মূলধন, জ্ঞান এবং পণ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত হয়।

    বিশ্বায়নের ফলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে টিকে থাকার জন্য উন্নত ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের প্রতিযোগিতা সৃষ্টি হয়। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির দ্রুত প্রসার, বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর মাধ্যমে আধুনিক যন্ত্রপাতির স্থানান্তর এবং বৈশ্বিক গবেষণার বিনিময় অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোতে সহজে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে দেশগুলো স্থানীয় উৎপাদনশীলতা ও গুণগত মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রযুক্তি গ্রহণ ও বিকাশ ঘটাতে সক্ষম হয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে প্রদত্ত দ্রব্যসমূহকে বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের প্রকৃতি অনুযায়ী আমদানি পণ্য ও রপ্তানি পণ্যে বিভক্ত করে নিচে তালিকা তৈরি করা হলো:

    ১. আমদানি পণ্যের তালিকা:
    (ক) মূলধনী যন্ত্রপাতি
    (খ) গম
    (গ) তেল বীজ
    (ঘ) ক্লিঙ্কার

    ২. রপ্তানি পণ্যের তালিকা:
    (ক) তৈরি পোশাক
    (খ) নিটওয়্যার
    (গ) পাটজাত দ্রব্য
    (ঘ) হিমায়িত খাদ্য

    বাংলাদেশে সাধারণত খাদ্যশস্য ও শিল্পের কাঁচামাল এবং মূলধনী যন্ত্রপাতি বিদেশ থেকে আমদানি করা হয় এবং তৈরি পোশাক, নিটওয়্যার, পাটজাত দ্রব্য ও হিমায়িত খাদ্য বিদেশে রপ্তানি করা হয়।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে ২০১৮-২০১৯ এবং ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের কিছু প্রধান পণ্যের আমদানি ও রপ্তানি মূল্যের (মিলিয়ন মার্কিন ডলারে) পরিবর্তন তুলে ধরা হয়েছে।

    ১. রপ্তানি পণ্যের পরিবর্তনের ধারা:

    • তৈরি পোশাক: ২০১৮-১৯ অর্থবছরে রপ্তানি ছিল ১৭,২৪৫ মিলিয়ন ডলার, যা ২০১৯-২০ অর্থবছরে হ্রাস পেয়ে ১৪,০৪০ মিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।
    • নিটওয়্যার: ১৬,৮৮৯ মিলিয়ন ডলার থেকে কমে ১৩,৯০৮ মিলিয়ন ডলারে নেমে আসে।
    • হিমায়িত খাদ্য: ৫০০ মিলিয়ন ডলার থেকে কমে ৪৫৬ মিলিয়ন ডলার হয়।
    • পাটজাত দ্রব্য: তবে এ খাতে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে; ৭০৪ মিলিয়ন ডলার থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৭৫২ মিলিয়ন ডলার হয়েছে।
      সার্বিকভাবে তৈরি পোশাক ও নিটওয়্যারের মতো প্রধান খাতে আন্তর্জাতিক চাহিদা ও কভিড-১৯ পরিস্থিতির কারণে রপ্তানি আয়ে নিম্নমুখী প্রবণতা লক্ষ করা যায়।

    ২. আমদানি পণ্যের পরিবর্তনের ধারা:

    • মূলধনী যন্ত্রপাতি: ২০১৮-১৯ অর্থবছরে আমদানি ছিল ৪,৫১৩ মিলিয়ন ডলার, যা ২০১৯-২০ অর্থবছরে কমে ৩,৫৮১ মিলিয়ন ডলার হয়েছে (অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে শ্লথগতির ইঙ্গিত)।
    • ক্লিঙ্কার: ৯৯৩ মিলিয়ন ডলার থেকে কমে ৮৭৯ মিলিয়ন ডলারে নেমেছে।
    • তবে ভোগ্য ও খাদ্যদ্রব্য যেমন গম (১,৪৩৭ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ১,৬৫১ মিলিয়ন ডলার) এবং তেল বীজ (৭৯৬ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ১,১৮৩ মিলিয়ন ডলার)-এর আমদানি উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।

    বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, আলোচ্য সময়ে বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যে সামগ্রিকভাবে মন্দা বা সংকোচনের প্রবণতা ছিল (পাটজাত দ্রব্য ব্যতীত)। অপরদিকে, শিল্পোৎপাদন সংশ্লিষ্ট মূলধনী পণ্য আমদানিতে সংকোচন এলেও নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী আমদানিতে প্রবৃদ্ধি বজায় ছিল।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন