বাংলা ২য় পত্র • Barishal Board • বরিশাল বোর্ড ২০১৬

বাংলা ২য় পত্র প্রশ্ন

1.

(ক) বাংলা উচ্চারণের যে কোনো পাঁচটি নিয়ম উদাহরণ লিখ।অথবা, (খ) যে কোনো পাঁচটি শব্দের প্রমিত উচ্চারণ লিখ:অধ্যক্ষ, আহ্বান, গ্রীষ্মকাল, পুনঃপুন, ষান্মাসিক, জ্ঞাত, স্বাগত, সংগ্রহ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা

AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।

(ক) বাংলা উচ্চারণের পাঁচটি নিয়ম উদাহরণসহ নিচে দেওয়া হলো:

১. আদ্য 'অ'-এর সংবৃত উচ্চারণ: শব্দের শুরুতে 'অ' (স্বাধীন কিংবা ব্যঞ্জনান্তর্গত) থাকলে এবং তার ঠিক পরেই যদি হ্রস্ব 'ই', দীর্ঘ 'ঈ', হ্রস্ব 'উ' কিংবা দীর্ঘ 'ঊ' (বা এদের কারচিহ্ন) থাকে, তবে সেই 'অ'-এর উচ্চারণ সাধারণত সংবৃত বা 'ও'-কারের মতো হয়। যেমন: অতি [ওতি], নদী [নোদি]।

২. য-ফলাযুক্ত আদ্য 'অ': শব্দের আদ্য 'অ'-এর পরবর্তী বর্ণে য-ফলা যুক্ত থাকলে সে 'অ'-এর উচ্চারণ সাধারণত 'ও'-কারের মতো হয়। যেমন: অন্য [ওন্‌নো], কন্যা [কোন্না]।

৩. 'ক্ষ' ও 'জ্ঞ' পরবর্তী আদ্য 'অ': শব্দের প্রথম বর্ণের 'অ'-এর পর 'ক্ষ' (ক্+ষ্) কিংবা 'জ্ঞ' (জ্+ঞ) থাকলে সেই 'অ'-এর উচ্চারণ সাধারণত 'ও'-কারের মতো হয়। যেমন: অক্ষ [ওক্খো], যজ্ঞ [জোগ্‌গোঁ]।

৪. পদা Silas / যুক্ত ব-ফলা: শব্দের মধ্যে কিংবা শেষে অবস্থিত কোনো ব্যঞ্জনে 'ব-ফলা' যুক্ত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যঞ্জনটির দ্বিত্ব উচ্চারণ হয়। যেমন: বিশ্ব [বিশ্শো], অশ্ব [অশ্শো]।

৫. শব্দমধ্য ও অন্ত্য ম-ফলা: শব্দের মাঝে বা শেষে ম-ফলা যুক্ত হলে সেই ব্যঞ্জনবর্ণটির দ্বিত্ব উচ্চারণ হয় এবং শেষ বর্ণটিতে কিছুটা অনুনাসিক বা নাসিক্যভাব (ঁ) প্রকাশ পায়। যেমন: পদ্ম [পদ্‌দোঁ], ভস্ম [ভশ্শোঁ]।

অথবা,

(খ) প্রদত্ত শব্দগুলোর প্রমিত উচ্চারণ:

১. অধ্যক্ষ = ওদ্‌ধোক্‌খো
২. আহ্বান = আওভান্
৩. গ্রীষ্মকাল = গ্রিশ্শোকাল্
৪. পুনঃপুন = পুনোপুনো
৫. ষান্মাসিক = শান্‌মাশিক্
৬. জ্ঞাত = গ্যাঁতো
৭. স্বাগত = শাগতো
৮. সংগ্রহ = শোঙ্‌গ্রোহো

(পরীক্ষায় যেকোনো পাঁচটি প্রশ্নের উত্তর প্রদান করতে হবে)

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন