ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র • Sylhet Board • সিলেট বোর্ড ২০১৬

ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র প্রশ্ন

জনাব করিম ডাচ-বাংলা ব্যাংকের একজন সিনিয়র অফিসার। ব্যাংকটি লেজার বুকের পরিবর্তে কম্পিউটারে গ্রাহকদের হিসাবের লেনদেন সংরক্ষণ করে। তথ্য আদান-প্রদানের চিঠির পরিবর্তে মোবাইল ফোন, ই-মেইল ইত্যাদি ব্যবহার করে। গ্রাহকগণ কার্ড ব্যবহার করে ব্যাংকে না গিয়ে যেকোনো বুথ থেকে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা টাকা তুলতে পারে।

  1. ক)

    তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি কী?

    (1)
  2. খ)

    মোবাইল ব্যাংকিং বলতে কী বোঝায়?

    (2)
  3. গ)

    ডাচ-বাংলা ব্যাংকে কোন ধরনের ব্যাংকিং পদ্ধতি চালু আছে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারে ব্যাংকিং লেনদেনকে সহজ করে দিয়েছে— উদ্দীপকের আলোকে মূল্যায়ন করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    তথ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াকরণ এবং আধুনিক যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে তা দ্রুত ও নির্ভুলভাবে আদান-প্রদান করার সামগ্রিক প্রযুক্তিকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT) বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    মোবাইল ব্যাংকিং হলো এমন একটি ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং ব্যবস্থা, যেখানে গ্রাহক কোনো ব্যাংকিং শাখায় সশরীরে উপস্থিত না হয়ে মোবাইল ফোন ও নেটওয়ার্ক সংযোগ ব্যবহার করে লেনদেন সম্পাদন করতে পারেন।

    এর মাধ্যমে গ্রাহক যেকোনো সময় যেকোনো স্থান থেকে হিসাবের ব্যালেন্স অনুসন্ধান, অর্থ স্থানান্তর, বিল পরিশোধ, টাকা জমা ও উত্তোলন ইত্যাদি ব্যাংকিং সেবা তাৎক্ষণিকভাবে উপভোগ করতে পারেন। যেমন: বিকাশ, রকেট ইত্যাদি।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে ডাচ-বাংলা ব্যাংকে ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং বা অনলাইন/ডিজিটাল ব্যাংকিং পদ্ধতি চালু আছে।

    কম্পিউটার, ইন্টারনেট ও আধুনিক যোগাযোগ প্রযুক্তির সহায়তায় ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম পরিচালনা এবং গ্রাহকদের দ্রুত, সহজ ও নিরবচ্ছিন্ন ব্যাংকিং সেবা প্রদান করার পদ্ধতিকে ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং (E-Banking) বলা হয়।

    উদ্দীপকে দেখা যায়, ডাচ-বাংলা ব্যাংক সনাতন লেজার বুকের পরিবর্তে কম্পিউটারে হিসাবের লেনদেন সংরক্ষণ করে এবং ডাক যোগাযোগের পরিবর্তে ই-মেইল ও মোবাইল ফোন ব্যবহার করে। এ ছাড়া ব্যাংকটি এটিএম বুথ ও কার্ডের মাধ্যমে গ্রাহকদের ২৪ ঘণ্টা টাকা উত্তোলনের সুবিধা দিচ্ছে। এসব কার্যক্রম তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার বাস্তব রূপ।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার ব্যাংকিং লেনদেনকে দ্রুত, সহজ, নির্ভরযোগ্য ও গ্রাহকবান্ধব করে তুলেছে— উদ্দীপকের তথ্যের আলোকে উক্তিটি যথার্থ ও মূল্যায়নযোগ্য।

    ঐতিহ্যবাহী ব্যাংকিং পদ্ধতিতে গ্রাহককে টাকা জমা বা তোলার জন্য নির্দিষ্ট সময়ে ব্যাংকের শাখায় উপস্থিত হতে হতো এবং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হতো। হিসাব সংরক্ষণেও প্রচুর সময় ও কাগজের অপচয় হতো এবং ভুলের সম্ভাবনা থাকত। কিন্তু আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সংযোজনে ব্যাংকিং জগতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধিত হয়েছে।

    উদ্দীপকে উল্লেখিত ব্যাংকটিতে কম্পিউটারের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে লেনদেনের হিসাব সংরক্ষিত হচ্ছে, ফলে তথ্য যাচাই-বাছাই ও ব্যবস্থাপনা দ্রুততর হয়েছে। মোবাইল ও ই-মেইল ব্যবহারের মাধ্যমে অতি দ্রুত যোগাযোগের তথ্য পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে। সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড এবং এটিএম বুথের ব্যবহার, যার মাধ্যমে গ্রাহক ব্যাংকের কর্মঘণ্টার ওপর নির্ভর না করে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা যেকোনো সময় টাকা তুলতে পারছেন। এতে গ্রাহকের সময় ও শ্রমের উল্লেখযোগ্য সাশ্রয় হচ্ছে এবং ব্যাংকের পরিচালন দক্ষতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

    অতএব, উদ্দীপকের সামগ্রিক বিবরণ স্পষ্ট করে যে, তথ্যপ্রযুক্তির প্রয়োগে ব্যাংকিং লেনদেনের জটিলতা দূর হয়ে তা অত্যন্ত সহজ, নিরাপদ ও গতিশীল হয়েছে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন