পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০২৫
পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন
মি. 'দীপ্ত' একজন জনপ্রিয় রাজনৈতিক নেতা। তাঁর বুদ্ধিমত্তা, দূরদৃষ্টি, উদারতা, ব্যক্তিত্ব প্রভৃতি অতি সহজেই জনগণকে আকৃষ্ট করতে পারে। সত্য ও সুন্দরের পূজারী হিসেবে জনগণ তাঁকে অন্ধভাবে বিশ্বাস করেন। বিশেষ করে তাঁর বক্তব্য জনগণকে নতুন চেতনায় উজ্জীবিত ও ভীষণভাবে অনুপ্রাণিত করে।
- ক)(1)
দেশপ্রেম কী?
- খ)(2)
বহুদলীয় ব্যবস্থা বলতে কী বোঝায়?
- গ)(3)
উদ্দীপকে বর্ণিত মি. দীপ্ত'র নেতৃত্বের ধরন ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
সুশাসন নিশ্চিতকরণে উদ্দীপকে বর্ণিত মি. দীপ্ত'র নেতৃত্বের ভূমিকা বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
নিজের দেশের প্রতি গভীর ভালোবাসা, শ্রদ্ধা এবং আত্মত্যাগের মনোভাবকে দেশপ্রেম বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
যে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় রাষ্ট্রে দুইয়ের অধিক রাজনৈতিক দল সক্রিয় থাকে এবং দলগুলো স্বাধীনভাবে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারে, তাকে বহুদলীয় ব্যবস্থা বলে। এ ব্যবস্থায় একাধিক দলের মধ্যে ক্ষমতার প্রতিযোগিতা বিদ্যমান থাকে, যেমন—বাংলাদেশ ও ভারত।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে বর্ণিত মি. দীপ্ত'র নেতৃত্ব হলো 'সম্মোহনী নেতৃত্ব' (Charismatic Leadership)।
সম্মোহনী নেতৃত্ব এমন এক ধরনের নেতৃত্ব, যেখানে নেতার অসাধারণ গুণাবলি, অসামান্য বাগ্মিতা ও জাদুকরী ব্যক্তিত্বের কারণে জনগণ তাঁর প্রতি অন্ধ আনুগত্য প্রকাশ করে এবং স্বতঃস্ফূর্তভাবে উদ্বুদ্ধ হয়। উদ্দীপকে উল্লেখ আছে যে, মি. দীপ্ত'র বুদ্ধিমত্তা, দূরদৃষ্টি, উদারতা ও ব্যক্তিত্ব জনগণকে আকৃষ্ট করে এবং তাঁর বক্তব্য জনগণকে নতুন চেতনায় উজ্জীবিত করে। মানুষ তাঁকে অন্ধভাবে বিশ্বাস করে। এসব বৈশিষ্ট্য রাষ্ট্রবিজ্ঞানে সম্মোহনী নেতৃত্বের প্রত্যক্ষ বহিঃপ্রকাশ।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
সুশাসন নিশ্চিতকরণে উদ্দীপকে বর্ণিত মি. দীপ্ত'র সম্মোহনী নেতৃত্বের ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
সুশাসনের মূল স্তম্ভগুলো হলো আইনের শাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং জনগণের অংশগ্রহণ। একজন সম্মোহনী নেতা সুশাসন প্রতিষ্ঠায় নিম্নলিখিত ভূমিকা রাখতে পারেন:
১. জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধি: নেতা তাঁর অনন্য ব্যক্তিত্বের শক্তিতে জনগণকে যেকোনো উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও জাতীয় সংস্কারে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত করতে পারেন।
২. নৈতিক মূল্যবোধ জাগ্রত করা: জনগণের কাছে নেতা অনুকরণীয় হওয়ায় তাঁর সততা ও সত্যনিষ্ঠা সমাজে দুর্নীতি ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে গণজাগরণ সৃষ্টি করে।
৩. রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা অর্জন: জাতীয় সংকটকালে সম্মোহনী নেতা দূরদর্শী সিদ্ধান্তের মাধ্যমে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে পারেন, যা স্থিতিশীল সুশাসনের পূর্বশর্ত।
অতএব, এ ধরনের দূরদর্শী ও আদর্শ নেতৃত্ব সুশাসন প্রতিষ্ঠার পথকে মসৃণ ও বেগবান করে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও