অর্থনীতি ১ম পত্র • Sylhet Board • সিলেট বোর্ড ২০১৭
অর্থনীতি ১ম পত্র প্রশ্ন
অর্থের যোগান ও দামস্তর সম্পর্কিত তথ্য নিম্নের ছকে দেয়া হলো:-

- ক)(1)
বাণিজ্যিক ব্যাংক কাকে বলে?
- খ)(2)
কেন্দ্রীয় ব্যাংককে ঋণের শেষ আশ্রয়স্থল বলা হয় কেন?
- গ)(3)
উদ্দীপকের আলোকে দামস্তর ও অর্থের যোগানের মধ্যে সম্পর্ক চিত্রের সাহায্যে ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
অর্থের যোগান ১০০ কোটি টাকা হতে ২০০ কোটি টাকায় বৃদ্ধি পেলে অর্থের মূল্যের ওপর কী প্রভাব পড়বে? ব্যাখ্যা করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে জনগণের নিকট থেকে আমানত গ্রহণ এবং ঋণ প্রদানসহ অন্যান্য ব্যাংকিং কার্যাবলি সম্পাদনকারী আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে বাণিজ্যিক ব্যাংক বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
তালিকাবদ্ধ বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো যখন তীব্র আর্থিক সংকটে পড়ে এবং অন্য কোনো উৎস থেকে ঋণ সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয়, তখন কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাদের সাহায্যে এগিয়ে আসে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক উপযুক্ত জামানত বা প্রথম শ্রেণির বিল বাট্টাকরণের মাধ্যমে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে ঋণ প্রদান করে সম্ভাব্য দেউলিয়াত্ব থেকে রক্ষা করে। এই কারণে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে ঋণের শেষ আশ্রয়স্থল (Lender of the last resort) বলা হয়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে অর্থের যোগান (M) এবং দামস্তরের (P) মধ্যকার প্রত্যক্ষ ও সমানুপাতিক সম্পর্ক প্রদর্শিত হয়েছে।
চিত্রাঙ্কন ও ব্যাখ্যা:
চিত্রে ভূমি অক্ষে অর্থের যোগান (M) এবং লম্ব অক্ষে দামস্তর (P) নির্দেশ করা হলো।- যখন অর্থের যোগান ১০০ কোটি টাকা, তখন দামস্তর ৫ টাকা। এই সংযোগ বিন্দু হলো A।
- অর্থের যোগান বেড়ে ২০০ কোটি টাকা হলে দামস্তর বেড়ে দাঁড়ায় ১০ টাকা (বিন্দু B)।
- অর্থের যোগান আরও বেড়ে ৩০০ কোটি টাকা হলে দামস্তর বেড়ে দাঁড়ায় ১৫ টাকা (বিন্দু C)।
A, B ও C বিন্দুগুলো যোগ করে ডানদিকে ঊর্ধ্বগামী একটি সরলরেখা (P = f(M)) পাওয়া যায়। এই রেখাটি নির্দেশ করে যে অন্যান্য অবস্থা অপরিবর্তিত থাকলে অর্থের যোগান যে হারে বৃদ্ধি পায়, দামস্তরও ঠিক একই হারে বৃদ্ধি পায়। অর্থাৎ অর্থের যোগান ও দামস্তরের মধ্যে প্রত্যক্ষ বা সমমুখী সমানুপাতিক সম্পর্ক বিদ্যমান।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের তথ্য অনুযায়ী, অর্থের যোগান ১০০ কোটি টাকা হতে ২০০ কোটি টাকায় বৃদ্ধি পেলে অর্থের মূল্য অর্ধেকে নেমে আসবে (বা ৫০% হ্রাস পাবে)।
অর্থের মূল্য () বলতে অর্থের ক্রয়ক্ষমতাকে বোঝায়। দামস্তর () এবং অর্থের মূল্যের মধ্যে বিপরীত সম্পর্ক বিদ্যমান। গাণিতিকভাবে,
উদ্দীপক অনুসারে:
১. যখন অর্থের যোগান কোটি টাকা, তখন দামস্তর টাকা।
অতএব, প্রাথমিক অর্থের মূল্য,
২. অর্থের যোগান বেড়ে যখন কোটি টাকা (দ্বিগুণ) হয়, তখন দামস্তর বেড়ে হয় টাকা (দ্বিগুণ)।
অতএব, পরিবর্তিত অর্থের মূল্য,
দেখা যাচ্ছে যে, অর্থের যোগান দ্বিগুণ (১০০ কোটি থেকে ২০০ কোটি টাকা) হওয়ার ফলে দামস্তর দ্বিগুণ (৫ টাকা থেকে ১০ টাকা) বৃদ্ধি পেয়েছে এবং অর্থের মূল্য থেকে কমে অর্থাৎ পূর্বের মূল্যের অর্ধেকে পরিণত হয়েছে।
সুতরাং, আরভিং ফিশারের অর্থের পরিমাণ তত্ত্বের মূল বক্তব্য অনুযায়ী অন্যান্য অবস্থা স্থির থাকলে অর্থের যোগান যে হারে বাড়ে, দামস্তরও সে হারে বাড়ে এবং অর্থের মূল্য বিপরীত অনুপাতে হ্রাস পায়—উদ্দীপকের তথ্যেও তা স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও