‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Sylhet Board • সিলেট বোর্ড ২০২৫

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন

সর্বোত্তম অনুমানভিত্তিক উত্তর — আনুষ্ঠানিক উত্তর নয়: মূল তথ্য বা উত্তরে অস্পষ্টতা/অসম্পূর্ণতা রয়েছে। প্রদত্ত উত্তরটি নিশ্চিত নয়; যাচাই করে ব্যবহার করো।

Question

  1. ক)

    'ঋণ সালিশী বোর্ড' কী?

    (1)
  2. খ)

    মওলানা ভাসানীকে কেন মজলুম জননেতা বলা হয়? ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে 'ক' চিত্রে কোন ব্যক্তিত্বকে ইঙ্গিত করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের পটভূমি তৈরিতে উদ্দীপকে উল্লিখিত 'খ' ব্যক্তিত্বেরভূমিকা মূল্যায়ন করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।

    স্পষ্ট অনুমান: মূল প্রশ্নে উদ্দীপকের চিত্র দুটি ('ক' ও 'খ') সরবরাহ করা হয়নি। | পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্রের সংশ্লিষ্ট অধ্যায় ও প্রচলিত প্রশ্নরীতির আলোকে ধরে নেওয়া হয়েছে যে, 'ক' চিত্রে হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী এবং 'খ' চিত্রে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চিত্র উপস্থিত ছিল। | যদি উদ্দীপকে ভিন্ন কোনো নেতা (যেমন শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক বা অন্য কেউ) চিত্রায়িত হয়ে থাকেন, তবে চরিত্রভেদে সংশ্লিষ্ট ব্যাখ্যা ও মূল্যায়নের তথ্য পরিবর্তনযোগ্য। | Assumed target words (not original markings): চিত্র 'ক': হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী, চিত্র 'খ': বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান

    বাংলার দরিদ্র কৃষকদের মহাজনি ঋণের করাল গ্রাস থেকে মুক্তি দেওয়ার লক্ষ্যে ১৯৩৬ সালে 'বঙ্গীয় কৃষি খাতক আইন' প্রণয়নের মাধ্যমে শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক যে মধ্যস্থতাকারী সালিশি আদালত বা পরিষদ প্রতিষ্ঠা করেন, তাকে 'ঋণ সালিশী বোর্ড' বলা হয়।

  2. খ)

    AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।

    স্পষ্ট অনুমান: মূল প্রশ্নে উদ্দীপকের চিত্র দুটি ('ক' ও 'খ') সরবরাহ করা হয়নি। | পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্রের সংশ্লিষ্ট অধ্যায় ও প্রচলিত প্রশ্নরীতির আলোকে ধরে নেওয়া হয়েছে যে, 'ক' চিত্রে হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী এবং 'খ' চিত্রে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চিত্র উপস্থিত ছিল। | যদি উদ্দীপকে ভিন্ন কোনো নেতা (যেমন শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক বা অন্য কেউ) চিত্রায়িত হয়ে থাকেন, তবে চরিত্রভেদে সংশ্লিষ্ট ব্যাখ্যা ও মূল্যায়নের তথ্য পরিবর্তনযোগ্য। | Assumed target words (not original markings): চিত্র 'ক': হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী, চিত্র 'খ': বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান

    মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী আজীবন শোষিত, বঞ্চিত, নিপীড়িত ও নিঃস্ব মেহনতি কৃষক-শ্রমিক-মজুরের অধিকার আদায়ের জন্য আপসহীন সংগ্রাম করেছেন বলে তাঁকে 'মজলুম জননেতা' বলা হয়।

    তিনি কোনো রাষ্ট্রীয় পদ বা ক্ষমতার মোহ করেননি; বরং ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন, আসামের নিপীড়নমূলক 'লাইন প্রথা' উচ্ছেদ আন্দোলন, জমিদারি ব্যবস্থার অবসান এবং পরবর্তীতে পাকিস্তানি স্বৈরশাসকদের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের দাবি নিয়ে রাজপথে সরব ছিলেন। শোষিত ও মজলুম জনতার প্রতি তাঁর নিঃস্বার্থ ভালোবাসা ও আজীবন ত্যাগের কারণেই জনগণ তাঁকে শ্রদ্ধার সাথে 'মজলুম জননেতা' উপাধিতে ভূষিত করেছে।

  3. গ)

    AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।

    স্পষ্ট অনুমান: মূল প্রশ্নে উদ্দীপকের চিত্র দুটি ('ক' ও 'খ') সরবরাহ করা হয়নি। | পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্রের সংশ্লিষ্ট অধ্যায় ও প্রচলিত প্রশ্নরীতির আলোকে ধরে নেওয়া হয়েছে যে, 'ক' চিত্রে হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী এবং 'খ' চিত্রে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চিত্র উপস্থিত ছিল। | যদি উদ্দীপকে ভিন্ন কোনো নেতা (যেমন শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক বা অন্য কেউ) চিত্রায়িত হয়ে থাকেন, তবে চরিত্রভেদে সংশ্লিষ্ট ব্যাখ্যা ও মূল্যায়নের তথ্য পরিবর্তনযোগ্য। | Assumed target words (not original markings): চিত্র 'ক': হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী, চিত্র 'খ': বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান

    [অনুমান: উদ্দীপকের 'ক' চিত্রে হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দীর ছবি দেওয়া হয়েছে]

    উদ্দীপকের 'ক' চিত্রে প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ ও 'গণতন্ত্রের মানসপুত্র' হিসেবে খ্যাত হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দীকে ইঙ্গিত করা হয়েছে।

    হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী ছিলেন উপমহাদেশ ও তৎকালীন পাকিস্তানের সংসদীয় গণতান্ত্রিক রাজনীতির অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব। তিনি ১৯৪৬ সালের নির্বাচনে অবিভক্ত বাংলায় মুসলিম লীগকে ঐতিহাসিক বিজয়ে নেতৃত্ব দেন এবং মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে পাকিস্তানের সূচনালগ্নে তিনি বিরোধী রাজনীতির বিকাশ ঘটাতে আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এবং ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে অন্যতম প্রধান স্থপতি ছিলেন। নিয়মতান্ত্রিক গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, আইনের শাসন ও সাংবিধানিক অধিকার আদায়ে তিনি ছিলেন আপসহীন। অতএব, সংসদীয় গণতন্ত্র ও রাজনৈতিক অধিকার আদায়ের ঐতিহ্যের প্রেক্ষাপটে 'ক' চিত্রে হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দীকে নির্দেশ করা হয়েছে।

  4. ঘ)

    AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।

    স্পষ্ট অনুমান: মূল প্রশ্নে উদ্দীপকের চিত্র দুটি ('ক' ও 'খ') সরবরাহ করা হয়নি। | পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্রের সংশ্লিষ্ট অধ্যায় ও প্রচলিত প্রশ্নরীতির আলোকে ধরে নেওয়া হয়েছে যে, 'ক' চিত্রে হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী এবং 'খ' চিত্রে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চিত্র উপস্থিত ছিল। | যদি উদ্দীপকে ভিন্ন কোনো নেতা (যেমন শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক বা অন্য কেউ) চিত্রায়িত হয়ে থাকেন, তবে চরিত্রভেদে সংশ্লিষ্ট ব্যাখ্যা ও মূল্যায়নের তথ্য পরিবর্তনযোগ্য। | Assumed target words (not original markings): চিত্র 'ক': হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী, চিত্র 'খ': বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান

    [অনুমান: উদ্দীপকের 'খ' চিত্রে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি দেওয়া হয়েছে]

    বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রেক্ষাপট ও ভিত্তি নির্মাণে উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত 'খ' ব্যক্তিত্ব—জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভূমিকা ছিল কেন্দ্রীয় ও অবিসংবাদিত।

    বাঙালি জাতীয়তাবাদের উন্মেষ থেকে শুরু করে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রতিটি ধাপে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্ব ছিল দিকনির্দেশক। নিম্নে তাঁর ভূমিকার মূল্যায়ন করা হলো:
    ১. ভাষা আন্দোলন ও যুক্তফ্রন্ট: ১৯৪৮ থেকে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে তিনি রাজপথের সংগঠক ছিলেন। ১৯৫৪-এর যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন ও পরবর্তী সময়ে প্রাদেশিক সরকার পরিচালনায় যুবনেতা হিসেবে তিনি বাঙালিকে সংগঠিত করেন।
    ২. ঐতিহাসিক ছয় দফা (১৯৬৬): ১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু উত্থাপন করেন বাঙালির মুক্তির সনদ ঐতিহাসিক 'ছয় দফা কর্মসূচি', যা পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন দাবিকে স্বাধীনতা আন্দোলনের দিকে মোড় ঘুরিয়ে দেয়।
    ৩. গণঅভ্যুত্থান ও জাতীয় জাগরণ: আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় তাঁকে প্রধান আসামি করা হলে ১৯৬৯ সালে তীব্র গণঅভ্যুত্থানের সৃষ্টি হয় এবং জনগণ তাঁকে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধিতে ভূষিত করে অবিসংবাদিত নেতা হিসেবে বরণ করে নেয়।
    ৪. ১৯৭০-এর নির্বাচন ও একাত্তরের ডাক: ১৯৭০-এর সাধারণ নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে বাঙালি জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের সাংবিধানিক ভিত্তি দেয়। পরবর্তীতে ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণে তাঁর বজ্রকণ্ঠে স্বাধীনতার ডাক এবং ২৬শে মার্চের প্রথম প্রহরে আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা ঘোষণার মধ্য দিয়ে চূড়ান্ত মুক্তিযুদ্ধ সূচিত হয়।

    সুতরাং, এ কথা নিশ্চিতভাবে বলা যায় যে, বাঙালি জাতিকে দীর্ঘ শোষণ থেকে মুক্ত করে স্বাধিকার থেকে স্বাধীনতা সংগ্রামের চূড়ান্ত পটভূমি তৈরিতে 'খ' ব্যক্তিত্ব তথা বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্ব ছিল একক এবং অনস্বীকার্য।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন