যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র • Chattogram Board • চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২২

যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র প্রশ্ন

কিছু মানুষ হয় দার্শনিক। অভিজিৎ ব্যানার্জি একজন দার্শনিক ও অর্থনীতিবিদ। তিনি ১৯৬১ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ভারতের মুম্বাইতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বিচক্ষণ ও মিতভাষী।

  1. ক)

    লক্ষণ কী?

    (1)
  2. খ)

    বিধেয় ও বিধেয়ক এক নয় কেন?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের শেষের দুই বাক্যে যে বিধেয়কের উল্লেখ করা হয়েছে তা ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকের প্রথম বাক্যের উদ্দেশ্য ও বিধেয় পদের যে সম্পর্ক তা পাঠ্যপুস্তকের আলোকে বিশ্লেষণ করো মতামত দাও।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    যে গুণ বা গুণাবলি কোনো শ্রেণির আসন্নতম জাতি থেকে তার অন্যান্য উপজাতিগুলোকে আলাদা বা পৃথক করে, তাকে লক্ষণ বা ব্যবচ্ছেদক লক্ষণ (Differentia) বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    বিধেয় হলো একটি যুক্তিবাক্যের অন্তর্গত এমন একটি পদ, যা উদ্দেশ্য পদ সম্পর্কে কিছু স্বীকার বা অস্বীকার করে। পক্ষান্তরে, বিধেয়ক হলো সদর্থক যুক্তিবাক্যে উদ্দেশ্য ও বিধেয়ের পারস্পরিক সম্পর্কের একটি রূপ বা প্রকারভেদ। প্রতিটি যুক্তিবাক্যেই বিধেয় থাকে, কিন্তু বিধেয়ক কেবল দুটি সার্বিক পদের সদর্থক সম্পর্কের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। এছাড়া বিধেয় একটি ব্যাকরণিক ও যুক্তিবিদ্যার মৌলিক অংশ হলেও বিধেয়ক হলো কেবল পদের মধ্যকার সম্পর্কের শ্রেণিবিভাগ (যেমন: জাতি, উপজাতি, লক্ষণ ইত্যাদি)। তাই বিধেয় ও বিধেয়ক এক নয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের শেষের দুই বাক্যে বিধেয়কের 'উপলক্ষণ' ও 'অবা Cantor লক্ষণ' (বা লক্ষণ বহির্ভূত গুণ)-এর উল্লেখ করা হয়েছে।\n'তিনি বিচক্ষণ ও মিতভাষী'—এই গুণগুলো মানুষের মৌলিক অপরিহার্য গুণ না হলেও ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। যুক্তিবিদ্যায় লক্ষণ থেকে নিঃসৃত গুণকে উপলক্ষণ এবং লক্ষণবহির্ভূত অথচ বিদ্যমান গুণকে অবান্তর লক্ষণ বলে।\nঅভিজিৎ ব্যানার্জির জন্ম তারিখ (১৯৬১ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি) ও জন্মস্থান (মুম্বাই) হলো ব্যক্তিগত অবান্তর লক্ষণ (অবিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ), কারণ এটি কখনোই পরিবর্তন করা যায় না। অপরদিকে তাঁর 'বিচক্ষণ' ও 'মিতভাষী' হওয়া হলো অর্জিত বা বিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ/উপলক্ষণ, যা তাঁর ব্যক্তিত্বের বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে। সুতরাং বাক্যদ্বয়ে প্রধানত অবান্তর লক্ষণের প্রতিফলন দেখা যায়।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের প্রথম বাক্যটি হলো: 'কিছু মানুষ হয় দার্শনিক'। এটি একটি 'I' যুক্তিবাক্য (বিশেষ সদর্থক)।\nএখানে উদ্দেশ্য পদ 'মানুষ' এবং বিধেয় পদ 'দার্শনিক'। যুক্তিবিদ্যার নিয়ম অনুসারে, কোনো শ্রেণির একটি অংশ যখন অন্য কোনো শ্রেণির অংশ হয়, তখন তাদের মধ্যে আংশিক অন্তর্ভুক্তির সম্পর্ক বিদ্যমান থাকে। বিধেয়কের দৃষ্টিকোণ থেকে, 'দার্শনিক' পদটি মানুষ জাতির ক্ষেত্রে কোনো আবশ্যিক বা জাত্যর্থের অংশ নয়; এটি একটি 'বিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ'। সকল মানুষ দার্শনিক নয়, কেবল কিছু মানুষ বিশেষ গুণের অধিকারী হয়ে দার্শনিক হন।\nঅতএব, বাক্যটিতে উদ্দেশ্য ও বিধেয়ের সম্পর্কটি হলো আংশিক সদর্থক সম্বন্ধ, যেখানে বিধেয় পদটি উদ্দেশ্য পদের সম্পূর্ণ ব্যপ্তিকে ধারণ করে না এবং এটি মানুষ ধারণার সাথে অনিবার্যভাবে যুক্ত নয়, বরং এক প্রকার অবান্তর লক্ষণীয় সম্পর্ক স্থাপন করে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন