উৎপাদন ব্যাবস্থাপনা ও বিপণন ১ম পত্র • Dhaka Board • ঢাকা বোর্ড ২০২৩
উৎপাদন ব্যাবস্থাপনা ও বিপণন ১ম পত্র প্রশ্ন
গাজীপুরে মি. জিসানের গার্মেন্টস কারখানায় ১০০ জন দক্ষ শ্রমিক কর্মরত। শ্রমিকেরা কাটিং, সুইং, প্যাকিং এবং ফরমায়েশ অনুযায়ী পণ্য ডেলিভারি দেওয়ার সহজ সকল কাজ দক্ষতার সাথে সম্পন্ন করেন। পন্যের মান ভালো হওয়ায় ক্রেতার সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে তিনি নিবন্ধিত এবং চিরন্তন অস্তিত্ব বিশিষ্ট ব্যবসায় সংগঠন প্রতিষ্ঠা করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
- ক)(1)
মানসিক শ্রম কি?
- খ)(2)
"ভূমির যোগান সীমাবদ্ধ"- ব্যাখ্যা কর।
- গ)(3)
মি.জিসান প্রাথমিক পর্যায়ে উৎপাদনের কোন উপকরণ ব্যবহার করেছে ব্যাখ্যা কর?
- ঘ)(4)
সংগঠনের ধরন উল্লেখপূর্বক মি. জিসানের সিদ্ধান্তের যথার্থতা মূল্যায়ন কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
মানুষের বুদ্ধি, চিন্তা-ভাবনা, মেধা ও বিচার-বিশ্লেষণের মাধ্যমে অর্থ উপার্জনের উদ্দেশ্যে যে শারীরিক পরিশ্রমবিহীন বা নামমাত্র শারীরিক পরিশ্রমে শ্রম ব্যয় করা হয়, তাকে মানসিক শ্রম বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
প্রকৃতির মুক্ত দান হওয়ায় ভূমির মোট পরিমাণ সম্পূর্ণ নির্দিষ্ট এবং এর যোগান মানুষের ইচ্ছামতো বাড়ানো বা কমানো যায় না, তাই ভূমির যোগান সীমাবদ্ধ। মানুষের চেষ্টা বা চাহিদা বৃদ্ধি সত্ত্বেও ভূমির ভৌগোলিক সীমানা বা মূল প্রাকৃতিক উৎস সম্প্রসারণ করা অসম্ভব। ফলে ভূমির যোগান রেখা লম্ব অক্ষের সমান্তরাল বা সম্পূর্ণ অস্থিতিস্থাপক হয়ে থাকে।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে মি. জিসান প্রাথমিক পর্যায়ে উৎপাদনের 'শ্রম' উপকরণটি গুরুত্ব সহকারে ব্যবহার করেছেন।
উৎপাদন কাজে মানুষের শারীরিক ও মানসিক যে প্রচেষ্টা অর্থ উপার্জনের উদ্দেশ্যে নিয়োজিত হয়, তাকে শ্রম বলে। শ্রম উৎপাদনের একটি জীবন্ত ও সক্রিয় উপকরণ।
উদ্দীপকে দেখা যায়, মি. জিসানের গার্মেন্টস কারখানায় ১০০ জন দক্ষ শ্রমিক কর্মরত আছেন। এই শ্রমিকেরা কাটিং, সুইং, প্যাকিং এবং ফরমায়েশ অনুযায়ী পণ্য ডেলিভারির মতো কাজগুলো দক্ষতার সাথে ও সুশৃঙ্খল শ্রমবিভাগের মাধ্যমে সম্পন্ন করেন। মানুষের এই শারীরিক ও মানসিক কর্মপ্রচেষ্টার মাধ্যমেই কারখানাটির উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। সুতরাং, মি. জিসান তাঁর প্রতিষ্ঠানে উৎপাদনের মৌলিক উপকরণ হিসেবে 'শ্রম' ব্যবহার করেছেন।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
মি. জিসান যে নতুন ধরনের সংগঠন প্রতিষ্ঠা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তা হলো 'যৌথ মূলধনী কোম্পানি' বা কোম্পানি সংগঠন। তাঁর এই সিদ্ধান্তটি অত্যন্ত দূরদর্শী, সময়োপযোগী ও যথার্থ।
আইন দ্বারা সৃষ্ট, কৃত্রিম ব্যক্তিসত্তা ও চিরন্তন অস্তিত্ব বিশিষ্ট এবং সীমিত দায়ের ব্যবসায় সংগঠনকে যৌথ মূলধনী কোম্পানি বলে।
উদ্দীপকে মি. জিসানের গার্মেন্টস পণ্যের মান ভালো হওয়ায় ক্রেতার সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। কারখানার চাহিদা ও উৎপাদনের পরিধি বৃদ্ধির কারণে অধিক মূলধন, ঝুঁকি বণ্টন এবং স্থায়িত্বের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। তাই তিনি একটি নিবন্ধিত ও চিরন্তন অস্তিত্বসম্পন্ন সংগঠন গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেন।
একটি একক বা অনিবন্ধিত ব্যবসায়ীর পক্ষে বড় আকারের মূলধন যোগান ও দীর্ঘমেয়াদি সম্প্রসারণ ধরে রাখা কঠিন। কিন্তু কোম্পানি গঠন করলে শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে বিপুল মূলধন সংগ্রহ করা যায় এবং চিরন্তন অস্তিত্বের কারণে মালিকের মৃত্যু বা পরিবর্তনে ব্যবসায়ের বিলোপ ঘটে না। ফলে কারখানার ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা, ঝুঁকি বণ্টন এবং সুনাম বজায় রেখে ব্যবসায় সম্প্রসারণের জন্য মি. জিসানের গৃহীত যৌথ মূলধনী কোম্পানি গঠনের সিদ্ধান্তটি সম্পূর্ণ যুক্তিসঙ্গত ও যথার্থ।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও