‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • সরকার কাঠামো ও সরকারের অঙ্গসমূহ • আনন্দ মোহন কলেজ, ময়মনসিংহ • আনন্দ মোহন কলেজ, ময়মনসিংহ টেস্ট পরীক্ষা ২০২৩

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন

ক. রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্য | খ. রাষ্ট্রের বৈশিস্ট্যে
১. মন্ত্রিসভা প্রকৃত শাসক | ১. রাষ্ট্রপতি প্রকৃত শাসক
২. মন্ত্রিসভা আইনসভার নিকট দায়ী থাকে। | ২. রাষ্ট্রপতি আইনসভার নিকট দায়ী থাকেনা।
৩. প্রধানমন্ত্রি আইনসভার সদস্য। | ৩. রাষ্ট্রপতি আইনসভার সদস্য নন।

  1. ক)

    গণভোট কী?

    (1)
  2. খ)

    রাষ্ট্র বলতে কী বোঝায়?

    (2)
  3. গ)

    ক. রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান এরূপ রাষ্ট্রের শাসনবিভাগের কার্যাবলী ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    ক. ও খ. রাষ্ট্রের মধ্যে কোনটি উত্তম সরকার ব্যবস্থা?- তোমার উত্তরের স্বপক্ষে যুক্তি দাও।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    কোনো গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় বা নীতিগত বিষয়ে জনগণের প্রত্যক্ষ মতামত বা রায় গ্রহণের পদ্ধতিকে গণভোট (Referendum) বলা হয়।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    রাষ্ট্র হলো নির্দিষ্ট ভূখণ্ডে বসবাসকারী এমন এক স্থায়ী জনসমষ্টি, যা সুসংগঠিত সরকার দ্বারা পরিচালিত এবং যা বহিঃশক্তির নিয়ন্ত্রণ থেকে মুক্ত বা সার্বভৌম। অধ্যাপক গার্নারের মতে, রাষ্ট্র হতে হলে নির্দিষ্ট ভূখণ্ড, জনসমষ্টি, সরকার এবং সার্বভৌমত্ব—এই চারটি মৌলিক উপাদান অবশ্যই থাকতে হবে। এর মধ্যে সার্বভৌমত্ব রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ও চূড়ান্ত ক্ষমতা।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে 'ক' রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্যে মন্ত্রিসভা প্রকৃত শাসক, আইনসভার নিকট দায়ী এবং প্রধানমন্ত্রী আইনসভার সদস্য—এসব বৈশিষ্ট্য সংসদীয় বা মন্ত্রিসভা-শাসিত সরকার ব্যবস্থার পরিচায়ক।

    সংসদীয় শাসনব্যবস্থায় শাসনবিভাগের প্রধান কার্যাবলি নিম্নরূপ:
    ১. প্রশাসনিক নীতি নির্ধারণ ও পরিচালনা: প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রিসভা দেশের অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সার্বিক শাসন পরিচালনা করেন।
    ২. আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত কাজ: শাসনবিভাগের সদস্যগণ আইনসভার সদস্য হওয়ায় তাঁরা গুরুত্বপূর্ণ সরকারি বিল বা আইন প্রস্তাব উত্থাপন ও পাসে নেতৃত্ব দেন।
    ৩. আর্থিক কার্যাবলি: মন্ত্রিসভা দেশের জাতীয় বাজেট প্রণয়ন করে এবং আইনসভার অনুমোদন নিয়ে তা বাস্তবায়ন করে।
    ৪. পররাষ্ট্রীয় কার্যাবলি: অন্য রাষ্ট্রের সাথে চুক্তি সম্পাদন, কূটনৈতিক সম্পর্ক রক্ষা এবং আন্তর্জাতিক বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ শাসনবিভাগই করে থাকে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের 'ক' রাষ্ট্র সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা এবং 'খ' রাষ্ট্র রাষ্ট্রপতি-শাসিত সরকার ব্যবস্থাকে নির্দেশ করে। তাত্ত্বিক ও প্রায়োগিক দৃষ্টিকোণ থেকে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থাকে সাধারণত অধিকতর উত্তম সরকার ব্যবস্থা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

    এর স্বপক্ষে যুক্তিগুলো হলো:
    ১. জবাবদিহিতা ও দায়িত্বশীলতা: সংসদীয় ব্যবস্থায় মন্ত্রিসভা আইনসভার নিকট দায়ী থাকে। আইনসভায় প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে সরকার প্রতিনিয়ত জবাবদিহি করতে বাধ্য থাকে, যা রাষ্ট্রপতি-শাসিত ব্যবস্থায় অনুপস্থিত।
    ২. স্বৈরাচার রোধ: রাষ্ট্রপতি-শাসিত সরকারে রাষ্ট্রপতি নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য প্রায় অপরিবর্তনীয় ক্ষমতার অধিকারী হন, ফলে অনেক সময় স্বৈরাচারী রূপ নিতে পারে। অন্যদিকে সংসদীয় পদ্ধতিতে অনাস্থা প্রস্তাবের মাধ্যমে মন্ত্রিসভার পতন ঘটানো যায়।
    ৩. শাসন ও আইন বিভাগের সমন্বয়: সংসদীয় ব্যবস্থায় শাসন ও আইন বিভাগের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকায় আইনের দ্রুত প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন সহজ হয়।

    সুতরাং, দায়িত্বশীলতা, গণতান্ত্রিক চেতনা এবং স্বৈরাচারমুক্ত জবাবদিহিমূলক শাসন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সংসদীয় বা 'ক' রাষ্ট্রের সরকার ব্যবস্থা অধিকতর উত্তম।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন