যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০২৩

যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র প্রশ্ন

  1. ক)

    অবান্তর লক্ষণ কত প্রকার?

    (1)
  2. খ)

    বিধেয় এবং বিধেয়কের দুটি পার্থক্য লেখ।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের 'A' চিহ্নিত স্থানে কোনটি বসবে? ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকের 'জীব' এবং 'মানুষ' এই দুটোর পারস্পরিক সম্পর্ক মূল্যায়ন কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    অবান্তর লক্ষণ চার প্রকার (ব্যক্তিগত অবিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ, ব্যক্তিগত বিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ, শ্রেণিগত অবিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ এবং শ্রেণিগত বিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ)।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    বিধেয় এবং বিধেয়কের মধ্যে দুটি প্রধান পার্থক্য হলো:
    ১. বিধেয় হলো একটি যুক্তিবাক্যের অপরিহার্য অংশ বা পদ যা উদ্দেশ্য সম্পর্কে কিছু স্বীকার বা অস্বীকার করে। পক্ষান্তরে, বিধেয়ক হলো সদর্থক যুক্তিবাক্যে উদ্দেশ্য ও বিধেয় পদের মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্কের নাম।
    ২. সকল যুক্তিবাক্যেই (সদর্থক ও নঞর্থক) বিধেয় থাকে, কিন্তু বিধেয়ক কেবল সদর্থক যুক্তিবাক্যেই বিদ্যমান থাকে; নঞর্থক যুক্তিবাক্যে কোনো বিধেয়ক থাকে না।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের 'A' চিহ্নিত স্থানে 'বিধেয়ক' (Predicables) বসবে।

    যুক্তিবিদ পোরফিরির মতে বিধেয়ক পাঁচ প্রকার: জাতি (Genus), উপজাতি (Species), লক্ষণ বা বিভেদক লক্ষণ (Differentia), উপলক্ষণ (Proprium) এবং অবান্তর লক্ষণ (Accident)।

    উদ্দীপকের ছকে মানুষ পদের সাপেক্ষে বিধেয়কের এই পাঁচটি রূপই তুলে ধরা হয়েছে:
    ১. জীব - জাতি (Genus)
    ২. মানুষ - উপজাতি (Species)
    ৩. বুদ্ধিবৃত্তি - লক্ষণ বা বিভেদক লক্ষণ (Differentia)
    ৪. বিচারশক্তি - উপলক্ষণ (Proprium)
    ৫. আনন্দপ্রিয়তা - অবান্তর লক্ষণ (Accident)

    অতএব, এই পাঁচটি শ্রেণিবিভাগ একত্রে বিধেয়কের প্রকারভেদ নির্দেশ করায় 'A' চিহ্নিত স্থানে 'বিধেয়ক' বসবে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে উল্লিখিত 'জীব' এবং 'মানুষ' পদ দুটির মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্ক হলো যুক্তিবিদ্যার বিধেয়ক তত্ত্ব অনুযায়ী 'জাতি' (Genus) ও 'উপজাতি' (Species)-এর সম্পর্ক।

    যখন দুটি শ্রেণিবাচক পদ এমনভাবে সম্পর্কযুক্ত হয় যে একটির ব্যক্ত্যর্থ বা পরিধি বৃহত্তর এবং তা অন্য সংকীর্ণতর পদটিকে অন্তর্ভুক্ত করে, তখন বৃহত্তর শ্রেণিটিকে জাতি এবং ক্ষুদ্রতর শ্রেণিটিকে উপজাতি বলা হয়।

    ১. ব্যক্ত্যর্থের দিক থেকে তুলনা: 'জীব' পদের আওতায় মানুষ, পশু, পাখি, কীট-পতঙ্গ ইত্যাদি সব প্রাণীই অন্তর্ভুক্ত। অপরদিকে, 'মানুষ' পদটি কেবল জীবের একটি বিশেষ অংশকে নির্দেশ করে। ফলে 'জীব' পদের ব্যক্ত্যর্থ 'মানুষ' পদের চেয়ে বেশি। তাই 'মানুষ'-এর সাপেক্ষে 'জীব' হলো জাতি এবং 'জীব'-এর সাপেক্ষে 'মানুষ' হলো উপজাতি।

    ২. আপেক্ষিক সম্পর্ক: যুক্তিবিদ্যায় জাতি ও উপজাতির ধারণাটি আপেক্ষিক। কোনো পদ সর্বাবস্থায় কেবল জাতি বা কেবল উপজাতি থাকে না। তবে আলোচ্য উদ্দীপকে মানুষ পদটিকে কেন্দ্র করে জীবকে আসন্নতম জাতি (Proximate genus) হিসেবে নির্দেশ করা হয়েছে।

    সুতরাং, উদ্দীপকের 'জীব' এবং 'মানুষ' এই দুটোর পারস্পরিক সম্পর্ক মূলত বৃহত্তর ও ক্ষুদ্রতর শ্রেণির অর্থাৎ জাতি ও উপজাতির সম্পর্ক।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন