যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র • Jashore Board • যশোর বোর্ড ২০২১

যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র প্রশ্ন

সর্বোত্তম অনুমানভিত্তিক উত্তর — আনুষ্ঠানিক উত্তর নয়: মূল তথ্য বা উত্তরে অস্পষ্টতা/অসম্পূর্ণতা রয়েছে। প্রদত্ত উত্তরটি নিশ্চিত নয়; যাচাই করে ব্যবহার করো।

রাকিব তার বন্ধু রাসেলকে বললো, “সকল রাজনীতিবিদ হন দেশপ্রেমিক।” রাকিবের কথা শুনে রাসেল বললো, “কোনো দুর্নীতিবাজ নয় দেশপ্রেমিক।” তাদের কথা শুনে মুশফিক বললো, “কিছু রাজনীতিবিদ হন দুর্নীতিবাজ।”

  1. ক)

    পদের ব্যাপ্যতা কাকে বলে?

    (1)
  2. খ)

    পদের ব্যাপ্যতা কাকে বলে?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে রাকিবের বক্তব্যে নির্দেশিত যুক্তিবাক্যটিতে পদের ব্যাপ্যতা দেখাও ।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে রাসেল ও মুশফিকের বক্তব্যে নির্দেশিত যুক্তিবাক্যে পদের ব্যাপ্যতায় কোনো পার্থক্য আছে কি? বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।

    স্পষ্ট অনুমান: প্রশ্নপত্রে 'ক' ও 'খ' অংশে একই প্রশ্ন টাইপ করা হয়েছে; ২ নম্বরের 'খ' অংশের জন্য এটিকে 'পদের ব্যাপ্যতা বলতে কী বোঝায়?' ধরে পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা প্রদান করা হয়েছে।

    কোনো যুক্তিবাক্যে উদ্দেশ্য বা বিধেয় পদ তার সমগ্র ব্যক্তর্থ নিয়ে ব্যবহৃত হয়েছে নাকি আংশিক ব্যক্তর্থ নিয়ে ব্যবহৃত হয়েছে, তা নির্ধারণ করার নিয়ম বা নীতিকে পদের ব্যাপ্যতা বলে।

  2. খ)

    AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।

    স্পষ্ট অনুমান: প্রশ্নপত্রে 'ক' ও 'খ' অংশে একই প্রশ্ন টাইপ করা হয়েছে; ২ নম্বরের 'খ' অংশের জন্য এটিকে 'পদের ব্যাপ্যতা বলতে কী বোঝায়?' ধরে পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা প্রদান করা হয়েছে।

    পদের ব্যাপ্যতা বলতে যুক্তিবাক্যের অন্তর্গত কোনো পদের সামগ্রিক ব্যক্তর্থের বিস্তার বা ব্যবহারকে বোঝায়।

    একটি যুক্তিবাক্যে উদ্দেশ্য বা বিধেয় পদ যখন তার সমগ্র ব্যক্তর্থকে (সমগ্র জাতিকে বা সকল সদস্যকে) প্রকাশ করে, তখন পদটিকে 'ব্যাপ্য পদ' বলে। আর যখন পদটি তার ব্যক্তর্থের কেবল একটি অংশকে প্রকাশ করে, তখন তাকে 'অব্যাপ্য পদ' বলে। যেমন— 'সকল মানুষ হয় মরণশীল' বাক্যে 'মানুষ' পদটি সমগ্র ব্যক্তর্থে ব্যবহৃত হওয়ায় ব্যাপ্য, কিন্তু 'মরণশীল' পদটি আংশিক ব্যক্তর্থে ব্যবহৃত হওয়ায় অব্যাপ্য।

  3. গ)

    AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।

    স্পষ্ট অনুমান: প্রশ্নপত্রে 'ক' ও 'খ' অংশে একই প্রশ্ন টাইপ করা হয়েছে; ২ নম্বরের 'খ' অংশের জন্য এটিকে 'পদের ব্যাপ্যতা বলতে কী বোঝায়?' ধরে পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা প্রদান করা হয়েছে।

    উদ্দীপকে রাকিবের বক্তব্যটি হলো: “সকল রাজনীতিবিদ হন দেশপ্রেমিক।” এটি একটি সার্বিক সদর্থক বা 'A' যুক্তিবাক্য।

    'A' যুক্তিবাক্যে উদ্দেশ্য পদটি সমগ্র ব্যক্তর্থ প্রকাশ করে, ফলে উদ্দেশ্য পদটি ব্যাপ্য হয়। পক্ষান্তরে, এর বিধেয় পদটি সামগ্রিক ব্যক্তর্থে নয়, বরং আংশিক ব্যক্তর্থে ব্যবহৃত হয়; ফলে বিধেয় পদটি অব্যাপ্য থাকে।

    উদ্দীপকের বাক্যটিতে উদ্দেশ্য পদ হলো 'রাজনীতিবিদ' এবং বিধেয় পদ হলো 'দেশপ্রেমিক'। এখানে সকল রাজনীতিবিদকে সামগ্রিকভাবে দেশপ্রেমিকের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, অর্থাৎ 'রাজনীতিবিদ' পদটি তার সমগ্র ব্যক্তর্থ নিয়ে ব্যবহৃত হওয়ায় তা ব্যাপ্য হয়েছে। কিন্তু 'দেশপ্রেমিক' শ্রেণির কেবল একটি অংশ (রাজনীতিবিদরা) এখানে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, অন্য সকল দেশপ্রেমিককে নয়। ফলে 'দেশপ্রেমিক' পদটির ব্যক্তর্থ আংশিকভাবে প্রকাশিত হওয়ায় তা অব্যাপ্য হয়েছে।

    অতএব, রাকিবের যুক্তিবাক্যটিতে উদ্দেশ্য পদ (রাজনীতিবিদ) ব্যাপ্য এবং বিধেয় পদ (দেশপ্রেমিক) অব্যাপ্য।

  4. ঘ)

    AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।

    স্পষ্ট অনুমান: প্রশ্নপত্রে 'ক' ও 'খ' অংশে একই প্রশ্ন টাইপ করা হয়েছে; ২ নম্বরের 'খ' অংশের জন্য এটিকে 'পদের ব্যাপ্যতা বলতে কী বোঝায়?' ধরে পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা প্রদান করা হয়েছে।

    হ্যাঁ, উদ্দীপকে রাসেল ও মুশফিকের বক্তব্যে নির্দেশিত যুক্তিবাক্যে পদের ব্যাপ্যতায় স্পষ্ট ও সম্পূর্ণ বিপরীতমুখী পার্থক্য রয়েছে।

    উদ্দীপকে রাসেলের বক্তব্যটি হলো: “কোনো দুর্নীতিবাজ নয় দেশপ্রেমিক।”
    এটি একটি সার্বিক নঞর্থক বা 'E' যুক্তিবাক্য। 'E' যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য ও বিধেয় উভয় পদই ব্যাপ্য হয়। এই বাক্যে উদ্দেশ্য পদ 'দুর্নীতিবাজ' এবং বিধেয় পদ 'দেশপ্রেমিক'। বাক্যটিতে সমগ্র 'দুর্নীতিবাজ' শ্রেণিকে সমগ্র 'দেশপ্রেমিক' শ্রেণি থেকে পুরোপুরি পৃথক করা হয়েছে। অর্থাৎ দুটি পদই তাদের সমগ্র ব্যক্তর্থ নিয়ে ব্যবহৃত হয়েছে। সুতরাং, রাসেলের বাক্যে উদ্দেশ্য ও বিধেয় উভয় পদই ব্যাপ্য।

    অন্যদিকে, মুশফিকের বক্তব্যটি হলো: “কিছু রাজনীতিবিদ হন দুর্নীতিবাজ।”
    এটি একটি বিশেষ সদর্থক বা 'I' যুক্তিবাক্য। 'I' যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য ও বিধেয় উভয় পদই অব্যাপ্য হয়। এখানে উদ্দেশ্য পদ 'রাজনীতিবিদ' এবং বিধেয় পদ 'দুর্নীতিবাজ'। বাক্যটিতে সকল রাজনীতিবিদকে নয়, বরং কিছু রাজনীতিবিদকে বোঝানো হয়েছে; আবার দুর্নীতিবাজদেরও সমগ্র ব্যক্তর্থকে নয়, কেবল একটি অংশকে নির্দেশ করা হয়েছে। অর্থাৎ কোনো পদই তার সমগ্র ব্যক্তর্থ প্রকাশ করেনি। ফলে মুশফিকের বাক্যে উদ্দেশ্য ও বিধেয় উভয় পদই অব্যাপ্য।

    সুতরাং দেখা যায়, রাসেলের বক্তব্য নির্দেশিত 'E' যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য ও বিধেয় উভয় পদই ব্যাপ্য; পক্ষান্তরে মুশফিকের বক্তব্য নির্দেশিত 'I' যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য ও বিধেয় উভয় পদই অব্যাপ্য। অতএব, তাদের উভয়ের বক্তব্যের পদের ব্যাপ্যতায় সম্পূর্ণ ভিন্নতা বা পার্থক্য বিদ্যমান।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন