‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০২১

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন

  1. ক)

    বাংলাদেশের রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি কয়টি?

    (1)
  2. খ)

    ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের দুটি কারণ লেখ।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে উল্লিখিত সংবিধানটি তোমার পাঠ্য বইয়ের কোন সংবিধানের সাথে সম্পৃক্ত? ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে উল্লিখিত বৈশিষ্ট্য ছাড়াও উক্ত সংবিধানে আর কী কী বৈশিষ্ট্য আছে? বর্ণনা কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    বাংলাদেশের রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি ৪টি (জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা)।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের দুটি প্রধান কারণ হলো:
    ১. আইয়ুব খানের স্বৈরশাসন ও শোষণ-পীড়ন: তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের দীর্ঘ সামরিক ও স্বৈরতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা এবং পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের ওপর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক শোষণ তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছিল।
    ২. আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ বাঙালি নেতৃবৃন্দ ও সামরিক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা 'আগরতলা মামলা' দায়ের এবং তাঁদের মুক্তির দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ছাত্রসমাজের ১১ দফা ও ঐতিহাসিক ৬ দফা আন্দোলন তীব্র গণআন্দোলনে রূপ নেয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে উল্লিখিত সংবিধানটি আমার পাঠ্যবইয়ে বর্ণিত ১৯৭২ সালের স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধানের সাথে সম্পৃক্ত।

    উদ্দীপকের ছকে 'ক' রাষ্ট্রের সংবিধানের তিনটি বৈশিষ্ট্য নির্দেশ করা হয়েছে: লিখিত ও দুষ্পরিবর্তনীয়, রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি এবং মৌলিক অধিকার। ১৯৭২ সালে প্রণীত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান একটি লিখিত দলিল এবং এটি দুষ্পরিবর্তনীয়, যার যেকোনো সংশোধনের জন্য জাতীয় সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্তত দুই-তৃতীয়াংশ ভোটের প্রয়োজন হয়।

    এছাড়া ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানে রাষ্ট্র পরিচালনার চারটি মূলনীতি (জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা) এবং তৃতীয় ভাগে নাগরিকদের মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়েছে। উদ্দীপকের উল্লিখিত বৈশিষ্ট্যগুলো প্রত্যক্ষভাবে ১৯৭২ সালের বাংলাদেশের সংবিধানের মূল চরিত্রের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তাই এটি নিঃসন্দেহে ১৯৭২ সালের বাংলাদেশের সংবিধানকেই নির্দেশ করে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে উল্লিখিত তিনটি বৈশিষ্ট্য (লিখিত ও দুষ্পরিবর্তনীয়, রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি এবং মৌলিক অধিকার) ছাড়াও ১৯৭২ সালের বাংলাদেশের সংবিধানে আরও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান রয়েছে। সেগুলো নিচে সংক্ষেপে বর্ণনা করা হলো:

    ১. প্রস্তাবনা: এই সংবিধানের শুরুতে একটি সুন্দর প্রস্তাবনা রয়েছে, যেখানে স্বাধীনতা সংগ্রামের পটভূমি ও সংবিধানের মূল লক্ষ্য বর্ণিত হয়েছে।
    ২. এককেন্দ্রিক শাসনব্যবস্থা: সংবিধানে বাংলাদেশকে একটি এককেন্দ্রিক রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে, যেখানে কোনো প্রাদেশিক সরকার নেই।
    ৩. সংসদীয় গণতন্ত্র: সংবিধানে মন্ত্রিপরিষদ শাসিত বা সংসদীয় পদ্ধতির সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়, যার প্রশাসনিক প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রপ্রধান হলেন রাষ্ট্রপতি।
    ৪. এক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা: আইনসভা হিসেবে 'জাতীয় সংসদ' প্রতিষ্ঠিত হয়, যা এক কক্ষবিশিষ্ট।
    ৫. সংবিধানের সর্বোচ্চতা: সংবিধানকে প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন হিসেবে স্থান দেওয়া হয়েছে; এর সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ অন্য কোনো আইন বাতিল বলে গণ্য হবে।
    ৬. বিচার বিভাগের স্বাধীনতা: বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক ও স্বাধীন হিসেবে কাজ করার বিধান রাখা হয়েছে।
    ৭. সার্বজনীন ভোটাধিকার: জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে ১৮ বছর বা তদূর্ধ্ব সব নাগরিকের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে।

    অতএব, ১৯৭২ সালের সংবিধান ছিল একটি প্রগতিশীল, গণতান্ত্রিক ও জনকল্যাণমুখী পূর্ণাঙ্গ দলিল, যাতে বহুবিধ অনন্য বৈশিষ্ট্য সন্নিবেশিত ছিল।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন