পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Dhaka Board • ঢাকা বোর্ড ২০১৯
পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন
মি. নিবিড় একটি স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের প্রধান। উক্ত প্রতিষ্ঠানে মোট ১৩ জন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি রয়েছেন।
- ক)(1)
স্থানীয় সরকার কী?
- খ)(2)
পৌরসভার গঠন বর্ণনা করো।
- গ)(3)
উদ্দীপকে মি. নিবিড়ের প্রতিষ্ঠানের কার্যাবলি সংক্ষেপে লেখো।
- ঘ)(4)
স্থানীয় নেতৃত্বের বিকাশে প্রতিষ্ঠানটির গুরুত্ব মূল্যায়ন করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
স্থানীয় সরকার হলো কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীনে স্থানীয় পর্যায়ের সমস্যা সমাধান ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য গঠিত নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকার শাসনব্যবস্থা।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
পৌরসভা বাংলাদেশের শহর এলাকার একটি স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান। পৌরসভা একজন মেয়র, ওয়ার্ডভিত্তিক নির্বাচিত নির্দিষ্ট সংখ্যক কাউন্সিলর এবং সংরক্ষিত আসনের নারী কাউন্সিলরদের নিয়ে গঠিত হয়। পৌর এলাকাকে আয়তন ও জনসংখ্যার ভিত্তিতে বিভিন্ন ওয়ার্ডে ভাগ করা হয়। পৌরসভার মেয়াদ কার্যভার গ্রহণের তারিখ থেকে ৫ বছর।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে মোট ১৩ জন নির্বাচিত প্রতিনিধি (১ জন চেয়ারম্যান, ৯টি ওয়ার্ডের ৯ জন সাধারণ সদস্য এবং ৩ জন সংরক্ষিত নারী সদস্য) নিয়ে গঠিত প্রতিষ্ঠানটি হলো 'ইউনিয়ন পরিষদ'। মি. নিবিড় হলেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান।
ইউনিয়ন পরিষদের প্রধান প্রধান কার্যাবলি হলো:
১. প্রশাসনিক ও বিচারিক কাজ: শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা, চৌকিদার-দফাদারদের তদারকি এবং গ্রাম আদালতের মাধ্যমে ছোটখাটো বিরোধের মীমাংসা করা।
২. উন্নয়নমূলক কাজ: রাস্তাঘাট, কালভার্ট, সাঁকো নির্মাণ ও সংস্কার এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা।
৩. জনস্বাস্থ্য ও সেবা: বিশুদ্ধ পানির জন্য নলকূপ স্থাপন, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমে সহায়তা এবং স্যানিটেশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।
৪. সামাজিক নিরাপত্তা ও সচেতনতা: ভিজিডি, ভিজিএফসহ সরকারি ত্রাণ ও ভাতা বিতরণ এবং জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন করা। - ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
স্থানীয় নেতৃত্বের বিকাশে ইউনিয়ন পরিষদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং তাৎপর্যপূর্ণ।
১. তৃণমূল পর্যায়ে নেতৃত্ব সৃষ্টি: ইউনিয়ন পরিষদ হলো গ্রামীণ পর্যায়ে রাজনীতির সূতিকাগার। সাধারণ মানুষ এখান থেকেই নির্বাচনে অংশ নিয়ে নেতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে এবং নিজেদের পরিচালনা ও সাংগঠনিক দক্ষতার বিকাশ ঘটায়।
২. নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন: ইউনিয়ন পরিষদে তিনটি সংরক্ষিত নারী সদস্য পদ থাকায় নারীরা প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হয়ে নীতি-নির্ধারণে অংশ নিচ্ছে, যা গ্রামীণ নারী নেতৃত্ব বিকাশে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে।
৩. রাজনৈতিক সচেতনতা ও নাগরিক প্রশিক্ষণ: স্থানীয় নির্বাচনগুলোতে প্রচার-প্রচারণা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাধ্যমে সাধারণ নাগরিক ও প্রার্থীদের রাজনৈতিক জ্ঞান, অধিকার ও দায়িত্ববোধ বৃদ্ধি পায়।
৪. জাতীয় নেতৃত্বের ভিত্তি স্থাপন: ইউনিয়ন পর্যায়ের সফল চেয়ারম্যান ও সদস্যরা পরবর্তীতে উপজেলা বা জাতীয় পর্যায়ে নির্বাচনে অংশ নিয়ে জাতীয় নেতা হিসেবে আবির্ভূত হওয়ার সুযোগ পান।
সুতরাং, তৃণমূল পর্যায়ে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা ও যোগ্য নেতৃত্ব তৈরিতে ইউনিয়ন পরিষদ একটি কার্যকর প্রাতিষ্ঠানিক মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও