ভূগোল ১ম পত্র • পৃথিবীর গঠন • Combined Board • ঢাকা, কুমিল্লা, যশোর, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৪
ভূগোল ১ম পত্র প্রশ্ন
- ক)(1)
সমভূমি কাকে বলে?
- খ)(2)
নদীর উৎপত্তি কীভাবে হয়? ব্যাখ্যা কর।
- গ)(3)
উদ্দীপকে উল্লিখিত 'খ' ভূমিরূপের বর্ণনা দাও।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকে উল্লিখিত 'ক' ভূমিরূপের গঠন প্রক্রিয়া বিশ্লেষণ কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
সমুদ্রপৃষ্ঠের সমতলে বা সামান্য উঁচুতে অবস্থিত মৃদু ঢালবিশিষ্ট সুবিস্তৃত স্থলভাগকে সমভূমি বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
সাধারণত কোনো পর্বত, মালভূমি, হ্রদ বা হিমবাহ থেকে উৎপন্ন স্বাভাবিক জলধারা যখন ভূমির ঢাল বেয়ে নিচে নেমে কোনো সাগর, হ্রদ বা অন্য কোনো জলধারে পতিত হয়, তখন নদীর উৎপত্তি ঘটে। প্রধানত বরফগলা পানি, বৃষ্টির পানি বা প্রস্রবণের পানি নির্দিষ্ট প্রাকৃতিক খাতে প্রবাহিত হয়ে একত্রিত হয়ে নদীর সৃষ্টি করে।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে উল্লিখিত 'খ' চিত্রটি হলো হিমবাহের ক্ষয়কার্যের ফলে সৃষ্ট 'U' আকৃতির উপত্যকা (বা ঝুলন্ত উপত্যকা/হিমদ্রোণী)।
বর্ণনা:
পার্বত্য অঞ্চলের পূর্বের নদী উপত্যকা দিয়ে যখন হিমবাহ প্রবাহিত হয়, তখন হিমবাহের প্রবল পার্শ্বক্ষয় ও নিম্নক্ষয়ের কারণে উপত্যকাটি প্রশস্ত এবং খাড়া পার্শ্ববিশিষ্ট হয়ে গভীর হতে থাকে। হিমবাহের ঘর্ষণ ও অবঘর্ষণের ফলে উপত্যকার তলদেশ সমতল এবং দুই পাশের দেয়াল খাড়া ঢালযুক্ত হয়ে দেখতে ইংরেজি 'U' অক্ষরের মতো রূপ ধারণ করে। একে হিমদ্রোণী বা U-আকৃতির উপত্যকা বলা হয়। পরবর্তী সময়ে হিমবাহ গলে গেলে এটি বরফমুক্ত হয়ে সুস্পষ্ট U-আকৃতির উপত্যকা হিসেবে দৃশ্যমান হয়। - ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে উল্লিখিত 'ক' ভূমিরূপটি হলো নদী দ্বারা সৃষ্ট 'অশ্বক্ষুরাকৃতি হ্রদ' (Oxbow lake)।
গঠন প্রক্রিয়া:
১. নদীর আঁকাবাঁকা গতি: সমভূমি বা নিম্নগতিতে নদীর স্রোতের বেগ কমে যাওয়ার কারণে নদী সোজাপথে প্রবাহিত না হয়ে অত্যন্ত আঁকাবাঁকা পথ (Miyander) তৈরি করে প্রবাহিত হয়।
২. ক্ষয় ও অবক্ষেপণ: নদীর বাঁকের উত্তল অংশে পলি জমা বা অবক্ষেপণ হতে থাকে এবং অবতল অংশে তীব্র স্রোতের কারণে ক্ষয়সাধন চলতে থাকে।
৩. বাঁকের মধ্যবর্তী অংশ সরু হওয়া: অবিরাম ক্ষয় ও অবক্ষেপণের ফলে বাঁকের দুই প্রান্তের মধ্যবর্তী স্থলভাগ ক্রমশ সরু হয়ে আসে।
৪. সোজা পথে প্রবাহ ও হ্রদ সৃষ্টি: বর্ষাকালে বা তীব্র বন্যায় অতিরিক্ত পানির চাপে নদী তার বাঁকানো অংশ পরিত্যাগ করে সোজা পথে প্রবাহিত হতে শুরু করে। ফলে পরিত্যক্ত বাঁকটি নদী থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং সেখানে পলি জমে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে।পরিত্যক্ত এই জলভাগটি দেখতে ঘোড়ার খুরের মতো হওয়ায় একে 'অশ্বক্ষুরাকৃতি হ্রদ' বলা হয়। উদ্দীপকের 'ক' চিত্রটিতে এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সৃষ্ট অশ্বক্ষুরাকৃতি হ্রদ নির্দেশ করা হয়েছে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও