বিজ্ঞান • Rajshahi Board • রাজশাহী বোর্ড ২০২৫
বিজ্ঞান প্রশ্ন
- ক)(1)
সিরাম কাকে বলে?
- খ)(2)
অ্যান্টিবডি বলতে কী বুঝায়?
- গ)(3)
উদ্দীপকের 'M' উপাদানটির কাজ ব্যাখ্যা কর।
- ঘ)(4)
মানবদেহের সুস্থতার জন্য 'N' উপাদানটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ-উক্তিটির যথার্থতা নিরূপণ কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
রক্ত জমাট বাঁধার পর যে হালকা হলুদ রঙের স্বচ্ছ তরল পড়ে থাকে, তাকে সিরাম বলে।
- খ)
অ্যান্টিবডি হলো এক ধরনের প্রোটিন, যা দেহে অ্যান্টিজেন (রোগজীবাণু বা বহিরাগত পদার্থ) ঢুকলে শ্বেত রক্তকণিকা তৈরি করে।
এটি অ্যান্টিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে তাকে নিষ্ক্রিয় করে বা ধ্বংস হতে সাহায্য করে। এভাবে অ্যান্টিবডি দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলে।
- গ)
চিত্র অনুযায়ী রক্ত দুটি উপাদানে বিভক্ত: M এবং N (রক্তকণিকা)। তাই 'M' উপাদানটি রক্তরস (প্লাজমা)। এর কাজ:
১. খাদ্যের পরিপাককৃত অংশ ও হরমোন দেহের বিভিন্ন অংশে বহন করা।
২. কোষে সৃষ্ট বর্জ্য পদার্থ, যেমন ইউরিয়া ও কার্বন ডাই-অক্সাইড, রেচন অঙ্গে বা ফুসফুসে পৌঁছে দেওয়া।
৩. রক্তকণিকাকে ভাসিয়ে দেহের বিভিন্ন স্থানে পরিবহন করা।
৪. অ্যান্টিবডি ও রক্ত জমাট বাঁধার উপাদান বহন করে রোগ প্রতিরোধ ও রক্তক্ষরণ বন্ধে সাহায্য করা। - ঘ)
হ্যাঁ, উক্তিটি যথার্থ। চিত্রে 'N' হলো রক্তকণিকা, যা তিন ধরনের: লোহিত রক্তকণিকা, শ্বেত রক্তকণিকা ও অণুচক্রিকা। প্রতিটিই মানবদেহের সুস্থতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
১. লোহিত রক্তকণিকা: এতে থাকা হিমোগ্লোবিন ফুসফুস থেকে অক্সিজেন কোষে পৌঁছায় এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড ফিরিয়ে আনে। এর অভাবে রক্তস্বল্পতা হয়।
২. শ্বেত রক্তকণিকা: এটি রোগজীবাণুকে ধ্বংস করে এবং অ্যান্টিবডি তৈরি করে দেহের প্রতিরক্ষায় ভূমিকা রাখে।
৩. অণুচক্রিকা: ক্ষত হলে রক্ত জমাট বাঁধাতে সাহায্য করে, ফলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ বন্ধ হয়।সুতরাং, রক্তকণিকার যেকোনো একটির অভাব বা অস্বাভাবিকতা দেহে রোগ সৃষ্টি করে বলে 'N' উপাদানটি সুস্থতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও