গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ১ম পত্র • Combined Board • ঢাকা, যশোর, সিলেট, দিনাজপুর বোর্ড ২০১৮

গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ১ম পত্র প্রশ্ন

  1. ক)

    আকার কাকে বলে?

    (1)
  2. খ)

    রেখা কীভাবে পোশাকে বৈচিত্র্য আনে?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে 'C' চিহ্নিত স্থানটি কী নির্দেশ করে? পোশাককে আকর্ষণীয় করতে এর গুরুত্ব রয়েছে— ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    শিল্পসম্মত পোশাক তৈরিতে 'A' ও 'B' চিহ্নিত অংশের পারস্পরিক সম্পর্ক বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    রেখা দ্বারা সীমাবদ্ধ ক্ষেত্র বা পরিসীমাকে আকার বলে। শিল্পনীতি অনুযায়ী এটি দুই বা ততোধিক রেখার মিলনে গঠিত রূপ।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    পোশাকের ডিজাইনে রেখা অন্যতম প্রধান উপাদান। রেখার বিভিন্ন ধরন যেমন— উলম্ব (লম্বালম্বি), অনুভূমিক (আড়াআড়ি), তির্যক ও বক্ররেখা ব্যবহারের মাধ্যমে পোশাকে ভিন্ন ভিন্ন ভাব ও বৈচিত্র্য সৃষ্টি করা যায়। যেমন: লম্বালম্বি রেখা খাটো মানুষকে লম্বা দেখাতে এবং আড়াআড়ি রেখা রোগা মানুষকে কিছুটা চওড়া দেখাতে সাহায্য করে। পোশাকের সেলাই, প্রিন্ট, পাইপিং বা ভাঁজে বিভিন্ন ধরনের রেখার ব্যবহারে দৃষ্টিবিভ্রম ঘটে, যা পোশাকে নতুনত্ব ও বৈচিত্র্য আনে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে শিল্পনীতির পাঁচটি প্রধান নীতির একটি তারা-চিত্রের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়েছে। এখানে চারটি নীতি হলো: ভারসাম্য, অনুপাত, প্রাধান্য ও মিল (বা ছন্দ/ঐক্য)। সুতরাং, '?' চিহ্নিত কোণটি 'ছন্দ' (Rhythm) নির্দেশ করে এবং সেই কোণ সংশ্লিষ্ট 'C' চিহ্নিত স্থানটি হলো 'ছন্দ'।

    পোশাককে আকর্ষণীয় করে তোলার ক্ষেত্রে ছন্দের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পোশাকের দৃষ্টিকে এক অংশ থেকে অন্য অংশে মসৃণ ও ছন্দময়ভাবে প্রবাহিত করাই হলো ছন্দ। এটি রেখা, রং, নকশা বা আকারের পুনরাবৃত্তি (repetition), পর্যায়ক্রমিক পরিবর্তন (gradation), বিকিরণ (radiation) অথবা অবিচ্ছিন্ন রেখার সঞ্চালনের মাধ্যমে সৃষ্টি করা যায়। পোশাকে ছন্দ বজায় থাকলে তা দৃষ্টিকে আকর্ষণ করে এবং দর্শকের চোখে ক্লান্তি না এনে আনন্দদায়ক অনুভূতি সৃষ্টি করে। ফলে পোশাকটি আকর্ষণীয় ও নান্দনিক রূপ পায়।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের চিত্র অনুযায়ী 'A' দ্বারা 'ভারসাম্য' (Balance) এবং 'B' দ্বারা 'অনুপাত' (Proportion)-কে নির্দেশ করা হয়েছে, যা শিল্পের দুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নীতি। শিল্পসম্মত ও দৃষ্টিনন্দন পোশাক তৈরিতে এদের পারস্পরিক সম্পর্ক নিবিড়।

    ভারসাম্য বলতে বোঝায় পোশাকের উপাদানের ওজন ও আকর্ষণের সুষম বণ্টন। এটি প্রথাগত (প্রতিসম) বা অপ্রথাগত (অপ্রতিসম) হতে পারে। অন্যদিকে, অনুপাত হলো পোশাকের বিভিন্ন অংশের মধ্যে আকারের সুষম ও সম্পর্কযুক্ত বণ্টন— যেমন বডি, হাতা, কলার এবং সামগ্রিক দৈর্ঘ্যের মধ্যে সঠিক মাপের সামঞ্জস্য।

    একটি সুন্দর পোশাকে ভারসাম্য বজায় রাখতে হলে অনুপাতের সঠিক প্রয়োগ অপরিহার্য। উদাহরণস্বরূপ, একটি কামিজের গলার নকশা বা প্রিন্ট যদি শরীরের আকৃতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ অনুপাতে না রাখা হয়, তবে পোশাকটিতে ভারসাম্য রক্ষা করা সম্ভব হয় না। আবার, পোশাকে যখন সঠিক অনুপাতে নকশা ও রঙের বিন্যাস ঘটে, তখনই তা যথাযথ ভারসাম্য তৈরি করে এবং সামগ্রিক নকশাকে একসূত্রে গাঁথে। সুতরাং, অনুপাতহীন ভারসাম্য অসম্ভব এবং ভারসাম্যহীন অনুপাত দৃষ্টিকটু। অতএব, একটি সার্থক ও শিল্পসম্মত পোশাক সৃষ্টির জন্য ভারসাম্য ('A') ও অনুপাত ('B') একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন