যুক্তিবিদ্যা ২য় পত্র • Sylhet Board • সিলেট বোর্ড ২০২১

যুক্তিবিদ্যা ২য় পত্র প্রশ্ন

দৃশ্যকল্প-১: : ধনী নয় দরিদ্র।দৃশ্যকল্প-২: দুগ্ধজাত পণ্য হলো পনির।দৃশ্যকল্প-৩: চাল হলো শর্করাজাতীয়।

  1. ক)

    বাহুল্য সংজ্ঞা কাকে বলে?

    (1)
  2. খ)

    অবান্তর সংজ্ঞা অনুপপত্তি কখন ঘটে? ব্যাখ্যা কর।

    (2)
  3. গ)

    দৃশ্যকল্প-১ যৌক্তিক সংজ্ঞার কোন নিয়মের পরিপন্থি? ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    দৃশ্যকল্প-২ ও দৃশ্যকল্প-৩-এ যৌক্তিক সংজ্ঞাগত যে পার্থক্য রয়েছে তা বিশ্লেষণ কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    কোনো পদের সংজ্ঞায় আসন্নতম জাতি ও বিভেদক লক্ষণ ছাড়াও অতিরিক্ত গুণ হিসেবে যদি উপজাতীয় লক্ষণ বা বিভাজক লক্ষণ উল্লেখ করা হয়, তবে তাকে বাহুল্য সংজ্ঞা বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    যৌক্তিক সংজ্ঞার প্রথম নিয়ম অনুযায়ী কোনো পদের সংজ্ঞা দিতে হলে সেই পদের আসন্নতম জাতি ও লক্ষণ বা বিভেদক লক্ষণ উল্লেখ করতে হয়। কিন্তু সংজ্ঞায় যদি লক্ষণের পরিবর্তে পদটির কোনো উপলক্ষণ বা অবান্তর লক্ষণ উল্লেখ করা হয়, তবে 'অবান্তর সংজ্ঞা' জনিত অনুপপত্তি ঘটে। যেমন- 'মানুষ হয় দ্বিপদ জীব'—এখানে দ্বিপদ জীব মানুষের বিভেদক লক্ষণ নয়, বরং একটি অবান্তর লক্ষণ।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    দৃশ্যকল্প-১ যৌক্তিক সংজ্ঞার পঞ্চম নিয়মের পরিপন্থি। যৌক্তিক সংজ্ঞার পঞ্চম নিয়ম অনুযায়ী, কোনো পদের সংজ্ঞা যদি সদর্থক বা ইতিবাচক ভাষায় দেওয়া সম্ভব হয়, তবে তাকে নঞর্থক বা নেতিবাচক ভাষায় দেওয়া যাবে না। দৃশ্যকল্প-১-এ বলা হয়েছে: 'ধনী নয় দরিদ্র'। এখানে 'ধনী' পদটিকে সদর্থকভাবে সংজ্ঞায়িত না করে 'নয় দরিদ্র' বলে নঞর্থক ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে। নিয়ম লঙ্ঘন করায় এখানে 'নঞর্থক সংজ্ঞা' (Negative Definition) অনুপপত্তি ঘটেছে। অতএব, দৃশ্যকল্প-১ সংজ্ঞার নঞর্থক ভাষা বর্জনের নিয়মটি লঙ্ঘন করেছে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    দৃশ্যকল্প-২ ও দৃশ্যকল্প-৩-এ যৌক্তিক সংজ্ঞার দুটি ভিন্ন রূপ ও ত্রুটি পরিলক্ষিত হয়। দৃশ্যকল্প-২-এ বলা হয়েছে: 'দুগ্ধজাত পণ্য হলো পনির'। এটি যৌক্তিক সংজ্ঞার দ্বিতীয় নিয়মের লঙ্ঘনজনিত 'অব্যাপক সংজ্ঞা অনুপপত্তি'। নিয়মানুসারে, সংজ্ঞেয় পদ ও সংজ্ঞার্থ পদের ব্যক্ত্যর্থ সমান হতে হবে। কিন্তু এখানে সংজ্ঞার্থ পদ 'পনির'-এর ব্যক্ত্যর্থ সংজ্ঞেয় পদ 'দুগ্ধজাত পণ্য'-এর ব্যক্ত্যর্থের চেয়ে কম; কারণ ছানা, মাখন ইত্যাদিও দুগ্ধজাত পণ্য। অপরদিকে, দৃশ্যকল্প-৩-এ বলা হয়েছে: 'চাল হলো শর্করাজাতীয়'। এটি সংজ্ঞার প্রথম নিয়মের পরিপন্থি, যেখানে বিভেদক লক্ষণের পরিবর্তে উপলক্ষণ বা অবান্তর গুণ উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া ব্যক্ত্যর্থের দিক থেকে শর্করাজাতীয় খাদ্য কেবল চালের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয় (যেমন গম, আলুও শর্করা), যা 'অতিব্যাপক সংজ্ঞা' বা অবান্তর লক্ষণের প্রতিফলন ঘটায়। সুতরাং, দৃশ্যকল্প-২-এ ব্যক্ত্যর্থের সীমাবদ্ধতাজনিত অব্যাপক সংজ্ঞা অনুপপত্তি ঘটেছে এবং দৃশ্যকল্প-৩-এ উপযুক্ত বিভেদক লক্ষণের অনুপস্থিতি ও অতিব্যাপকতা/অবান্তর লক্ষণের সংজ্ঞাগত ত্রুটি রয়েছে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন