পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Chattogram Board • চট্টগ্রাম বোর্ড ২০১৭
পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান → রাষ্ট্রপতিসৈয়দ নজরুল ইসলাম → উপ. রাষ্ট্রপতিতাজউদ্দীন আহমদ → প্রধানমন্ত্রী
- ক)(1)
দ্বৈতশাসন কী?
- খ)(2)
কেন ভাষা আন্দোলন হয়েছিল?
- গ)(3)
উল্লেখিত উদ্দীপকটির সাথে তোমার বইয়ের কোন সরকারের মিল আছে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনায় উপযুক্ত সরকারের ভূমিকা মূল্যায়ন করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
দ্বৈতশাসন হলো ১৭৬৫ সালে লর্ড ক্লাইভ কর্তৃক প্রবর্তিত এমন একটি শাসনব্যবস্থা, যেখানে নবাবের হাতে ছিল ক্ষমতাহীন দায়িত্ব এবং ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির হাতে ছিল দায়িত্বহীন ক্ষমতা।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের মাতৃভাষা বাংলা হওয়া সত্ত্বেও পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার চক্রান্ত করেছিল। বাঙালি জাতির আত্মপরিচয় রক্ষা, সাংস্কৃতিক অস্তিত্ব বজায় রাখা এবং সরকারি চাকরি ও নাগরিক সুযোগ-সুবিধায় বৈষম্য দূর করার তাগিদেই ভাষা আন্দোলন সংঘটিত হয়েছিল।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকটির সাথে ১৯৭১ সালে গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকার অর্থাৎ 'মুজিবনগর সরকার'-এর মিল রয়েছে।
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত এবং ১৭ এপ্রিল শপথ গ্রহণ করা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের (মুজিবনগর সরকার) রাষ্ট্রপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে সৈয়দ নজরুল ইসলাম উপ-রাষ্ট্রপতি হিসেবে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন এবং তাজউদ্দীন আহমদ ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। উদ্দীপকে উল্লিখিত পদমর্যাদা ও ব্যক্তিদের কাঠামো হুবহু মুজিবনগর সরকারের সাংবিধানিক নেতৃত্বকে নির্দেশ করে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনায় মুজিবনগর সরকারের ভূমিকা ছিল অপরিসীম ও চূড়ান্তভাবে নির্ধারক।
প্রথমত, এই সরকার গঠনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধ একটি সুনির্দিষ্ট সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক বৈধতা পায়। বিশ্বের কাছে প্রমাণ হয় যে এটি কোনো বিচ্ছিন্নতাবাদী তৎপরতা নয়, বরং একটি বৈধ গণপ্রজাতন্ত্রী রাষ্ট্রের মুক্তির সংগ্রাম। দ্বিতীয়ত, মুজিবনগর সরকার সমগ্র দেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করে সেনা কমান্ডার নিয়োগ দেয় এবং মুক্তিবাহিনী ও যৌথবাহিনীর মাধ্যমে সুসংগঠিতভাবে যুদ্ধ পরিচালনা করে। তৃতীয়ত, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কূটনৈতিক সমর্থন আদায়, শরণার্থী সংকট মোকাবিলা এবং বিশ্ব জনমত গঠনে এ সরকারের প্রচেষ্টা ছিল অনন্য। এ সরকারের সুদূরপ্রসারী নেতৃত্বেই বাঙালি জাতি দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মধ্য দিয়ে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর স্বাধীনতা অর্জন করে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও