বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা • Rajshahi Board • রাজশাহী বোর্ড ২০২৩
বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা প্রশ্ন
- ক)(1)
১৯৭২ সালের পররাষ্ট্রনীতির মূলকথা কী ছিল?,
- খ)(2)
কৃষি ব্যবস্থার উন্নয়নে বক্তাবন্ধুর অবদান ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
'খ' চিহ্নিত অংশটি পাঠ্যপুস্তকের কোন বিষয়টিকে নির্দেশ করছে? ব্যাখ্যা করো
- ঘ)(4)
'ক' চিহ্নিত অংশটি একটি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ দলিল"। বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
১৯৭২ সালের পররাষ্ট্রনীতির মূল কথা ছিল 'সবার প্রতি বন্ধুত্ব, কারও প্রতি বিদ্বেষ নয়'।
- খ)
বঙ্গবন্ধু কৃষিপ্রধান দেশের উন্নয়নে কৃষকদের স্বার্থে একাধিক পদক্ষেপ নেন। ১৯৭২ সালে ২৫ বিঘা পর্যন্ত জমির খাজনা মওকুফ করা হয় এবং ভূমির সর্বোচ্চ সীমা ১০০ বিঘা নির্ধারণ করা হয়। কৃষকদের মধ্যে সার, বীজ ও সেচ-সুবিধা বিতরণ এবং কৃষি-ঋণ প্রদানের ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এসব পদক্ষেপে কৃষির উৎপাদন বাড়াতে ও কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নে ভূমিকা রাখে।
- গ)
'খ' চিহ্নিত অংশটি পাঠ্যপুস্তকের সমাজতন্ত্র মূলনীতিকে নির্দেশ করছে।
চিত্রে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ও জাতীয়তাবাদের পাশাপাশি আরেকটি নীতির স্থান 'খ' চিহ্নিত। এই নীতি সমাজতন্ত্র। সমাজতন্ত্রের মূল কথা হলো শোষণমুক্ত সমাজ গঠন, সম্পদের সুষম বণ্টন এবং অর্থনৈতিক ও সামাজিক সমতা প্রতিষ্ঠা। স্বাধীনতার পর শিল্প-কারখানা জাতীয়করণ এবং কৃষক-শ্রমিকের অধিকারের মাধ্যমে এই নীতি বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হয়।
- ঘ)
'ক' চিহ্নিত অংশটি অর্থাৎ সংবিধান একটি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ দলিল— উক্তিটি যথার্থ।
১. সংবিধান রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি নির্ধারণ করে, যার ভিত্তিতে সরকার ও আইনসভা কাজ করে।
২. সংবিধানের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ কোনো আইন বাতিল বলে গণ্য হয়। ফলে এটি দেশের সর্বোচ্চ আইন।
৩. সংবিধান নাগরিকের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করে এবং সরকারের ক্ষমতাকে সীমাবদ্ধ রাখে।
৪. সংবিধানের ভিত্তিতেই সরকারের বিভিন্ন বিভাগের গঠন ও কার্যক্রম পরিচালিত হয়।সুতরাং, সংবিধান রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ও মৌলিক দলিল।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও